চাকরির ইন্টারভিউয়ের কিছু কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর

February 1, 2022 ...
ইন্টারভিউ! বলা হয়ে থাকে চাকরি-প্রত্যাশী এবং তার ড্রিম-জবের মাঝখানে অন্তরায় শুধুই তার সিভি এবং ইন্টারভিউ। এই দুইটি উতরে গেলেই মিলবে সোনার হরিণ। রকমভেদে এবং ফিল্ডভেদে বিভিন্ন জবের ইন্টারভিউয়ে বিভিন্নরকম প্রশ্ন করা হলেও কিছু বিষয় থাকে বলতে গেলে কমনই। আজকে আমরা আলোচনা করবো এইরকম কিছু সাধারণ প্রশ্ন এবং তার সম্ভাব্য উত্তর কী হতে পারে সেগুলো নিয়ে। তবে অতিঅবশ্যই শুরুতেই ডিসক্লেইমার দিয়ে নিই, এইসব উত্তরগুলো ইন্টারভিউ বা ভাইভা বোর্ডে হুবহু উগড়ে দিলেই যে চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি, বেলা শুনছ!- গেয়ে উঠবেন তা কিন্তু নয়। ইন্টারভিউ বা ভাইভা মানেই সাব্জেক্টিভ, একেকজনের একেক-মতন হবে এটাই স্বাভাবিক।

ইন্টারভিউ নাকি ভাইভা?

যদিও আমরা একই অর্থে ব্যবহার করি দুটোকেই, তবে এরা কিন্তু পুরোপুরি এক নয়। ইন্টারভিউ আর ভাইভার মাঝেও অল্পবিস্তর ফারাক আছে। ইন্টারভিউ পূর্বে ব্যবহৃত হত রাজা-রাজড়া বা এরকম মান্য-গণ্য ব্যক্তিবর্গের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করার ঘটনাকে বুঝাতে। যেখানে ভাইভা বলতে সাধারণ যে-কোনো মৌখিক পরীক্ষাকেই বলা চলত, এখন অবশ্য এই পার্থক্য চলে না। দুটোই একই অর্থে সাধারণ্যে ব্যবহার করা হয় হাল জামানায়।

আবার মজার ব্যাপার হল, আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, ভাইভা শব্দটা দিয়ে কিন্তু কোনোকিছু অ্যাপ্রিশিয়েট করাও বুঝায়। টু অ্যাপ্লড, টু অ্যাপ্রিশিয়েট, টু চিয়ার আপ- এসব বোঝাতেও ভাইভা চলে, এমনকি লং লিভ বোঝাতেও ভাইভা শব্দটি ব্যবহারযোগ্য; যদিও আমরা এসবের কোনো ক্ষেত্রেই ভাইভা শব্দটি ব্যবহার করি না। এতসব ব্যতিক্রম থাকলেও ব্যবহারিক জীবনে ইন্টারভিউ আর ভাইভা প্রায় একই অর্থে ধরা হয়, আজকের নিবন্ধেও আমরা সেভাবেই এগোবো। 

ইন্টারভিউয়ের কিছু কমন প্রশ্নোত্তর

যে প্রশ্নটি সব ইন্টারভিউ বা ভাইভাতেই আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে তা হল নিজের পরিচয় দিন। ইন্ট্রডিউস ইয়োরসেলফ! এর জবাবে নিজের গোছালো একটা বিবরণ দিয়ে ফেলতে পারেন, মনে রাখবেন ফার্স্ট ইম্প্রেশনই কিন্তু লাস্ট করে- অর্থাৎ মনে গভীর ছাপ ফেলে। তাই শুরুটা করতে হবে পারফেক্ট। আমার নাম অমুক, এটা বলেই- আমার বাবা-মা, ভাই-বোন অমুক, চাচার বংশে একজন অফিসার ছিলেন, দাদা তো অফিসের পেয়াদা ছিলেন, সে সুবাদেই চাচার চাকরিটা হয়- এ জাতীয় কথা শুরু করে দেয়া যাবে না। এতে যেমন নিজের থেকে অন্য দিকে ফোকাস বেশি চলে যায়, সাথে পরীক্ষক ভাববেন অপ্রাসঙ্গিক তথ্য দেয়ার প্রবণতা রয়েছে আপনার মধ্যে, কর্পোরেট জীবনে যা পরিহার করা জরুরি একেবারেই।

তাহলে শুরুটা কীভাবে পারফেক্ট করবেন? নিজের নাম, পড়াশুনা, পূর্ববর্তী কর্মস্থল বলার পাশাপাশি বলতে পারেন নিজের শখ, প্যাশন, বিভিন্ন স্কিল আর এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিসের টুকিটাকি। তাহলে একটা ভালো ইম্প্রেশন তৈরি হবে পরীক্ষক এবং আপনার মধ্যে। একেবারেই ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না, দিনশেষে এটা শুধুই একটা পরীক্ষাই এর বেশি তো কিছু নয়। মনোবল দৃঢ় রেখে স্মিতহাস্যে, আত্মবিশ্বাসের সাথে পরের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে থাকবেন।

coporate question
কর্পোরেট জগতে আমাদের ব্যবহারটাও কিন্তু হতে হবে কর্পোরেটই; Image Courtesy: Free-photos/Pixabay

এরপর আসে আরেকটি বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন, কেন আমরা আপনাকে হায়ার করবো? একই প্রশ্ন ঘুরিয়ে অন্যভাবেও করা হতে পারে- আপনি কেন নিজেকে এই প্রতিষ্ঠানের যোগ্য মনে করেন? এইক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব যোগ্যতাগুলো নম্রভাবে সবগুলো সুচারুরূপে তুলে ধরবেন, এটাই পুরো ভাইভার ক্রিটিক্যাল মোমেন্ট। এখানে আপনাকে চালটা দিতে হবে নিখুঁতভাবে, বেশিরভাগ অ্যাপ্লাইইয়েন্ট এখানেই ভুলটা করেন। কেউ কেউ এত বেশি বিনয়ী হয়ে যান, যেন ভাবখানা এমন যে আমি তো আসলে কিছুই পারি না, আমাকে না নিলেও চলবে আপনাদের। আবার অনেকে নিজের সম্পর্কে বাড়িয়ে বলতে বলতে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান, তখন আর সেটা বিশ্বাসযোগ্য থাকে না। তাই ট্রাম্পকার্ডটা এখানে খেলবেন আপনি ঠাণ্ডা মাথায়। নিজের স্কিলসেটগুলো বলুন, সাথে এটাও বলুন কীভাবে সেসব কোম্পানির মোটোর সাথে মিলে যায়।

কারণ একটা কোম্পানি তখনই আপনাকে হায়ার করবে যখন তারা দেখবে আপনি তাদের গ্রোথে সাহায্য করতে পারবেন এবং তাদের মিশন-ভিশনের সাথে আপনার কর্মপন্থা মিলে যায়। আপনি কীভাবে আমাদের কোম্পানিতে ভ্যালু অ্যাড করতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তরও বলতে গেলে একইরকমই। সুন্দরভাবে নিজের যোগ্যতা উপস্থাপন করা এবং তাদের লক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে দেয়াটুকু পর্যন্তই আপনার কাজ। বাকিটা তারাই বুঝে নেবেন।

এর বাইরে আপনাকে বলা হবে, আপনার শক্তির জায়গা কী? আপনার সবচেয়ে বড়ো দুর্বলতা কী? এই সম্পর্কে কিছু বলুন। এগুলো সবথেকে কমন প্রশ্ন। প্রত্যেকটা ভাইভাতে এই প্রশ্নগুলো থাকবেই। স্ট্রেংথ বলা তুলনামূলক সহজ, নিজের পড়ার বিষয় বলতে পারেন। কোর্সেরা, ইউডেমি, ইডিএক্স, কোডক্যাডেমি এজাতীয় MOOC (ম্যাসিভ ওপেন অনলাইন কোর্স) সাইট থেকে করা কোর্সগুলোর কথাও বলবেন। সাথে আরও যদি কোনো টপিক রিলেটেড কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ থাকে সেসবও এখানেই তুলে ধরবেন।

Massive Open Online Course
গ্লোবাল ভিলেজের বাস্তবতায় MOOC-এর সুবাদে ঘরে বসেই হার্ভার্ড-এমআইটির কোর্স করার সুযোগ মিলেছে; Image Courtesy: Mathieu Plourde/Flickr

কিন্তু বিপত্তিটা বাঁধে উইকনেসের বেলায়। এখানে কী বলা যায়? কী বলা সেইফ তা ভাবতে হবে। এমন কোনো উইকনেসের ব্যাপারে বলবেন না যেটা শুধরে নেয়া যায় না। যেমন ধরুন আপনি বলে বসলেন, আমি প্রখরমাত্রার বদমেজাজি, রেগে গেলে জিনিসপত্র ভাংচুর করে ফেলি। জন্ম থেকেই আমার এমন রাগ, রাগ উঠলে বন্ধুবান্ধব, সিচুয়েশন, অফিস কোনো বাছ-বিছার থাকে না! এটা বললে কিন্তু তাদের মনে আপনার ব্যাপারে নেগেটিভ মনোভাব তৈরি হবে, এবং আপনার চাকরিটা না পাওয়ার চান্সই বেশি হয়ে যেতে পারে। তবে ভুলেও ক্লিশে উত্তরটা দিবেন না, যে আপনি পারফেকশনিস্ট। এটা সবাই জানে, গুগল করলে প্রথমে ঐ উত্তরটাই আসে। এতে বাস্তবতা থেকে বিমুখতা প্রকাশ পায়।

তবে কী বলা যেতে পারে? অনেকভাবেই বলতে পারেন, যেমন উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, “স্যার আমার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং, তবে প্যাশনের ফিল্ড দাবা আর ইতিহাস। এই দুইটার মধ্যে ব্যালেন্স করতে মাঝেমধ্যে একটু সমস্যায় পড়ি আমি। তবে আমি চেষ্টা করছি সেটা ঠিক করে নেবার।” লক্ষ্য করলে দেখবেন, এবারের উত্তরটা কিন্তু উইকনেসই বুঝালো, কিন্তু এটা রিপেয়ারেবল এবং ততটা খারাপ উইকনেসও না যেটার জন্য আপনাকে ছাঁটাই করে দিবে। সাথে আপনি এটাও বলে রাখলেন যে, শুধরে নিতে চাচ্ছেন অর্থাৎ আপনার ভুল থেকে বেরিয়ে আসার মনোভাব আছে। তাই এই উত্তরটা পরীক্ষকদের মনে ভালো ইম্প্রেশন তৈরি করার সম্ভাবনাই বেশি।

এসব ছাড়া অন্যান্য প্রশ্নও করতে পারে, যেমন আগের চাকরি কেন ছেড়ে দিলেন? সবসময়ই মাথায় রাখতে হবে সততা আগে, সত্য কথাটাই বলে দেবেন; কোনোমতেই মিথ্যার আশ্রয় নেয়া যাবে না। তাছাড়া অনলাইনের এই জামানায় কর্পোরেট জগতের কোনো তথ্যই লুকানো থাকে না। আপনার চাকরিচ্যুতি ঘটে থাকলে সেটা বের করে ফেলা পরীক্ষকদের কাছে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে ওয়েবসাইটে জাস্ট দুই ক্লিকের দূরত্ব মাত্র। কোনো চাপের মুহূর্ত কীভাবে সামলেছেন? এই প্রশ্নের জবাবে চাপের মুখে ভেঙে পড়েছি– এ জাতীয় জবাব দিলে তা নেগেটিভ ইম্প্রেশন তৈরি করবে। পূর্ববর্তী কর্মক্ষেত্রে কীভাবে প্রেশার হ্যান্ডেল করেছেন তা বলবেন এক্ষেত্রে। কোনো অভিজ্ঞতার উল্লেখ করতে পারেন।

আগামী পাঁচ/দশ বছর পর নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চান? এটিও খুব কমন একটা প্রশ্ন। সেই কোম্পানির বড় কোন পদে, বড় কোনো দায়িত্ব সামলাতে চান এমন উত্তর কাম্য। অ্যারোগেন্ট উত্তর (যেমন, পরীক্ষককে বলা- আপনার চেয়ারে বসতে চাই) সবসময়ই নিরুৎসাহিত করা হয়। আর আকাশ-কুসুম কিছুও বলা যাবে না, যেমন আমি সিইও হয়ে যেতে চাই! বড় কোন কোম্পানির ক্ষেত্রে মাত্র পাঁচ/দশ বছরের ব্যবধানে সিইও হয়ে যাওয়া- যা সাধারণত অসম্ভব। তাছাড়া আপনার নেগোসিয়েশন স্কিল বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হতে পারে। কারণ, চাকরিজীবনে আরও বৃহদার্থে বলতে গেলে কর্পোরেট জগতে বিভিন্ন সময় আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে এবং নেগোসিয়েশন স্কিল সেখানে খুবই কার্যকর।

Negotiation
কর্পোরেট জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেগোসিয়েশনের স্কিল থাকা জরুরি; Image Courtesy: Negotiation Academy

আমাদের জন্য আপনার কোনো প্রশ্ন আছে? এর উত্তরে যদি আপনি বলেন কোনো প্রশ্ন নেই, তা বোঝায় আপনি কম আগ্রহী তাদের ব্যাপারে। সেক্ষেত্রে ভালো অ্যাপ্রোচ হল তাদের ফলো-আপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন। কবে রেজাল্ট দিতে পারে, তার সম্ভাব্য তারিখ বা আপনি জবে যোগদান করলে খুঁটিনাটি কোন কোন বিষয়ের সম্মুখীন হতে পারেন, যেগুলো রিক্রুটমেন্ট পোস্টে ছিল না এসব। আবার দারুণ একটা কাজ হবে যদি আপনি জিজ্ঞেস করেন তাদের কোম্পানির অন্য কোনো সেক্টরে কাজের সুযোগ আছে কিনা তা জিজ্ঞেস করা। এটা বোঝায় আপনি তাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। এবং আপনি যে তাদের সম্পর্কে ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডি বা রিসার্চ করে এসেছেন তাও বুঝাতে সহায়ক হবে এই প্রশ্ন। তাই এই চান্স একদম মিস করতে নেই।

ভাইভা টিপস

ইন্টারভিউয়ের প্রশ্ন আর উত্তর এর কথা বলতে বলতেই কিন্তু আমরা টিপসগুলো জেনে ফেলেছি, আবারও মনে করিয়ে দিই। ভাইভা বোর্ডে সর্বদাই ঠাণ্ডা মাথায় থাকতে হবে, সাথে মনে জোর রাখতে হবে। অর্থাৎ কনফিডেন্সটাও চাই চাঙ্গা, নচেৎ কম এনার্জেটিক কাউকে কোম্পানিও হায়ার করতে চাইবে না। আপনি যদি ভাইভা চলাকালীন হাই তোলেন বা এরকম লেথার্জিক ফিল দেন, পরীক্ষক কিন্তু তাতেই বুঝে নিবে যে আপনার কাজের উদ্যম হয়তো কম। তাই ফ্রেশ আর ফুরফুরে মেজাজে থাকা ভালো। আমরা ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় যেসব উপদেশ শুনে এসেছি, এখনও কিন্তু তার কিছু কিছু সমান প্রাসঙ্গিক। যেমন, দিনশেষে চাকরির পরীক্ষাও কিন্তু একটা পরীক্ষাই। এটি কোনোমতেই আপনার জীবন মৃত্যুর নির্দেশক হতে পারেনা। একটা পরীক্ষায় ব্যর্থতা মানেই যে জীবন শেষ, এমনটা নয়।

dos and donts in viva
ইন্টারভিউ বা ভাইভার কিছু ডু’স অ্যান্ড ডোন্ট’স; Image Courtesy: PostGrad.com

আর অবশ্যই পরীক্ষার আগে ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডি করতে হবে ভালো করে। দুইটি বিষয়, কোম্পানির হিস্ট্রি এবং যে পজিশনে অ্যাপ্লাই করছেন সেটার কাজের বিষয়াদি। টুকটাক এসব বিষয় মাথায় রাখলে এগুলো নিজের মনোবল বুস্ট করতেও হেল্প করবে আপনাকে। কিছু সাধারণ নিয়ম কোনোক্ষেত্রেই ভুলে গেলে চলবে না, যেমন ফোন সাইলেন্ট রাখতে হবে। ভাইব্রেশনও নয়, নরমাল রিং মোডে রাখার তো প্রশ্নই ওঠে না। নাকে-মুখে হাত দেয়া যাবে না, ইত্যাদি। এসব বিষয়গুলো কিন্তু হালের অনলাইন ভাইভাগুলোতেও মেনে চলতে হবে! আর এসব ছাড়া অনলাইন ভাইভায়- পোষা পাখি-বেড়াল-কুকুর থাকলে দূরে রাখবেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে ডিস্ট্র্যাকশন যত কমানো যায় তত ভালো, আর লাইটনিংটা ভালো রাখতে হবে, এগুলো মেনে চললেই হবে।

এসব বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আর ভাইভা বোর্ডে দরদর বেগে ঘাম ছুটবে না। মার্জিত ভাষায় উপযুক্ত উত্তরের মাধ্যমে  পরীক্ষককে ইম্প্রেস করতে পারলেই কিন্তু চাকরিটা আপনার হাতের মুঠোতেই।। দারুণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে মনমতো ভাইভা দিয়ে পছন্দের চাকরিটা বাগিয়ে নিন, এটিই আমাদের প্রত্যাশা।

See also:

  1. ইন্টারভিউয়ের সাতসতেরো
  2. ইন্টারভিউ দেয়ার যত কৌশল
  3. ইন্টারভিউ দেওয়ার পরে করণীয়
আপনার কমেন্ট লিখুন