একটি লাইভ ইন্টারভিউ

Corporate Trainer (Leadership, Supply Chain, Safety), Motivational Speaker & Professional CV Writer [email protected]

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবারে শুনে নাও!

ইন্টারভিউ রুমে কি হয়? অনেকের এ নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। আপনাদের জন্যে আজ লিখছি একটি লাইভ ইন্টারভিউ নিয়ে। শুধু একটি না, আরো লিখবো, কারণ, এক এক ইন্টারভিউয়ের পরিবেশ এক এক রকম। এক এক সিইও, এইচ আর ম্যানেজারের কথা বলার ধরণ এক এক রকম, ক্যান্ডিডেটরাও থাকেন মিশ্র। এক এক জন এক এক ভাবে উত্তর করেন। এই ভিন্নতা গুলো আপনাদের জানানো জরুরী।

বর্তমানে অনেক ইন্টারভিউ হয় হোটেলের লবিতে। ক্যান্ডিডেটদের চা-নাস্তা দিয়ে রিলাক্স ভাবে ইন্টারভিউ নেয়া হয়। কোন কোন ইন্টারভিউ ঘন্টাব্যাপীও হতে পারে। এখানে একটি কোম্পানির সেলস ম্যানেজার পদের জন্যে জন্যে একজনের ইন্টারভিউর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আমরা কোম্পানির নাম ও ইন্টারভিউ যে দিয়েছে তার নাম উল্লেখ করবো না। তাই তাকে একটি ছদ্মনাম দিয়েছি “শাকিল”। ইন্টারভিউটি নিয়েছেন কোম্পানির সিইও স্যার। স্যার বেশ মজার মানুষ। কিন্তু আপনি পড়ার সময় লক্ষ্য করবেন স্যার কত ভাবে শাকিল সাহেবকে আটকানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শাকিল সাহেব ছিলেন যোগ্য ক্যান্ডিডেট। তিনি ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। তিনিও সাবলীলভাবে উতরে গেছেন সকল ক্ষেত্রেই। তাহলে চলুন, দেখে আসি শাকিল সাহেব কিভাবে ইন্টারভিউ ফেস করলেন।

শাকিল: আসতে পারি স্যার?

সিইও: আসুন, বসুন, হোটেলে আসতে বলায় ভয় পেয়েছেন?

শাকিল: না স্যার। বরং স্ট্রেস রিলিফের জন্যে জায়গাটা ভালোই।

সিইও: গ্রেট! সিভি তো ভালোই লিখছেন, মাত্র দুই পেজ কেন?

শাকিল: স্যার, আমি দৈনিক যুগান্তরের একটা লেখা পড়ে জেনেছি, ১০ বছর চাকরী করা পর্যন্ত সিভি দুই পেজ থাকা ভালো।

সিইও: বাহ, আপনি পড়াশুনাও করেন। আপনিতো ভাই কোম্পানিতে ঢোকার আগেই আমার ভালো চান না (মজা করতে করতে)। সিভি বড় করে লিখবেন, যাতে আমরা সের দরে বেচলে ভালো দাম পাই। বুঝলেন? ইন্টারভিউ দিতে যে দিতে এসেছেন, অফিসে জানে?

শাকিলঃ জ্বি না স্যার, জানে না।

সিইওঃ আমি তাইলে ফোন দেই? ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন  অফিস ফাঁকি দিয়ে। বলে দেই?

শাকিলঃ আজকে ফোন দিয়েন না, স্যার, কাল ফোন দিয়েন। আজকে আমার স্যার ঢাকার বাইরে।

(লক্ষ্য করুন, কিভাবে একটি ট্রিকি প্রশ্ন শাকিল সাহেব সামলালেন)

এরপর ধীরে ধীরে সিইও স্যার মেইন প্রশ্নগুলো করলেন, প্রশ্নগুলো আপনাদের জানাচ্ছি। উত্তর ক্যান্ডিডেট সঠিক ভাবেই দিয়েছিলেন।

১। সেলস ও মার্কেটিং এর মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে? কি মনে হয়?

২। আমাকে এই কলমটি বিক্রি করে দেখাও।

৩। এফএমসিজি থেকে হেভি মেশিনারিজ, সেক্টর চেঞ্জ, আপনি এটা কিভাবে খাপ খাওয়াবেন?

৪। কিভাবে মার্কেট রিসার্চ করতে হয়?

৫। আপনার ইন্ডাস্ট্রিতে মার্কেট প্লেয়ার কারা কারা? তাদের শেয়ার কেমন?

৬। কিভাবে ডিস্ট্রিবিউটর তৈরি করতে হয়? জানা আছে?

৭। সাপ্লাই চেইন সেলসের সাথে কিভাবে জড়িত?

৮। অপারেশান ডিপার্টমেন্টের কাজ কিভাবে সেলসের সাথে জড়িত?

৯। আমার কোম্পানির প্রোডাক্ট বাজারজাত করতে গেলে আমার কি কি করা উচিৎ বলতো?

১০। আমাকে একটা SWOT এনালাইসিস করে দেখানতো এই ইন্ডাস্ট্রির।

১১। আপনার আগামী ৯০ দিনের কর্ম পরিকল্পনা কি?

এগুলো সেক্টর ভিত্তিক প্রশ্ন, তাই এগুলোর উত্তর আর লিখছি না। আপনাদের ক্ষেত্রেও এরকম সেক্টর ভিত্তিক প্রশ্ন করা হবে, যারা যে পোস্টের জন্যে আবেদন করেছেন তাদের সেরকম প্রশ্ন করা হবে। টেকনিক্যাল পোস্টের জন্যে টেকনিক্যাল প্রশ্ন, অ্যাকাউন্টসের জন্যে ওই রিলেটেড।

এরপর সিইও স্যার আবার ফেরত আসলেন ট্রিকি প্রশ্নে।

সিইও: আপনার কাছে কে বেশি আপন, কোম্পানি নাকি ডিস্ট্রিবিউটর?

শাকিল: অবশ্যই কোম্পানি, কারন, কোম্পানিই আমাকে বেতন দেয়। কাজেই কোম্পানিই আমার বেশি আপন।

(শাকিল শাহেব বোঝালেন তিনি কোম্পানির প্রতি নিবেদিত একজন কর্মী।)

সিইও: রাত ১২টায় আপনাকে ফোন করে ডাকা হল, আপনি কি যাবেন?

শাকিল: আমি যদি ফোনে সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে পারি তাহলে যাবো না, আর যদি তা না পারি, তাহলে যাবো।

সিইও: কেন যাবেন? রাত ১২টা তো ঘুমানোর সময়।

শাকিল: কারন সমস্যাটা আমার। আমার প্রোডাক্ট, আমার সার্ভিস, আমার এরিয়া, আমার কাজ। কাজেই সেটা আমাকেই মেটাতে হবে। আমি তো সেই দায়িত্ব এড়াতে পারিনা।

(লক্ষ্য করুন, শাকিল সাহেব বোঝাচ্ছেন উনি পরিশ্রমী এবং একজন নিবেদিত কর্মী)

সিইও: ধরুন, সমস্যাটা আপনার না, আরেকজনের। তাইলে কি যাবেন? (লক্ষ্য করুন, সিইও স্যার এবার আরো পেঁচাচ্ছেন শাকিল সাহেবের উত্তরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্যে।

শাকিল: দরকার হলে যাবো, কারন, আমি আরেকজনের সমস্যায় সাহায্য করলে তিনিও একদিন আমার সমস্যায় সাহায্য করতে আসবেন। (শাকিল সাহেব আবারো সাবলীল ভাবে উত্তর করে বেরিয়ে গেলেন ফাঁদ থেকে। তাছাড়াও উনি বোঝালেন যে উনি সকলের সাথে মিলেমিশে কাজ করতে পছন্দ করেন)

সিইও: আপনার মতে ডিসিশান কি কোম্পানির ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে নিচে যাওয়া ভালো, নাকি নিচে থেকে উপরের দিকে আসা ভালো?

শাকিল: ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে নিচে আসা ভালো। বটম লেভেলের সকলের চাহিদা টপ লেভেল নাও পুরো করতে পারে। কিন্তু টপ লেভেলের মেসেজ বটম লেভেলে সঠিকভাবে পৌঁছালে হাঙ্গামা কম হয়।

সিইও স্যার আবার সিভিটি দেখলেন। শাকিল সাহেবের সিভিতে কিছু ট্রেনিং উল্লেখ আছে।

সিইও: বাহ, আপনিতো দেখি বেশ কিছু ট্রেনিং ও করেছেন। ট্রেনিং করা তো বিপজ্জনক।(মজা করে বললেন) কার কার ট্রেনিং করেছেন, দেখি, সেলসের ট্রেনিং করেছেন রাজিব আহমেদের। উনাকে চিনেন?

শাকিল: জি স্যার, উনার বই আমি পড়েছি, উনার ট্রেনিং ও আমি করেছি।

সিইও: এতো পড়াশুনা করবেন না, আমরা চাই অনুগত লোক। যা বলবো, তাই করবেন। ঠিক কি না? বাই দ্যা ওয়ে, আপনার রাজিব স্যার কিন্তু আমার বন্ধু। (স্যার মজা করতে করতে বললেন)

শাকিল: জি স্যার, আমি পড়াশোনা করে যা যা জানবো, সেটাও আমি তো কোম্পানির কাজেই লাগাবো।

সিইও: আচ্ছা, আপনাকে পছন্দ হচ্ছে না আমার। আপনি কি আমাকে বলতে পারবেন আপনাকেই কেন নিবো? ওই যে আরো লোকজন আসছে, উনাদেরকেও তো নিতে পারি, তাইনা? (স্যার একটা মানসিক আঘাত দিয়ে প্রশ্নটা করলেন)

শাকিল: আমি স্যার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিয়ের উপর বিবিএ, এমবিএ করেছি যা এই পোস্টের জন্যে চাওয়া হয়েছিলো। আগের কোম্পানিতে আমার অ্যাচিভমেন্ট ছিলো ১০৭%। ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ হলেও সেলসের বেসিক জিনিসগুলো একই থাকবে। নতুন কিছু লোকের সাথে পরিচিত হতে হবে। আমি বেশ ভালো লোকজনের সাথে মিশতে পারি, কাজেই এটাও আমি খুব তাড়াতাড়ি রপ্ত করে নিতে পারবো। আমি এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্টের যে সব কাজ জানি তাও এই পোস্টের জন্যে দরকারি। তাই, সব মিলিয়ে আমি নিজেকে এই পোস্টের জন্যে যোগ্য ক্যান্ডিডেট বলেই মনে করি।  (শাকিল সাহেব নার্ভাস না হয়ে সাবলীল ভাবে এই প্রশ্নটিরও উত্তর দিলেন)

সিইও:  চাকরি কেন ছাড়তে চান? আগের কোম্পানি কি খারাপ? (মনে রাখবেন, আগের কোম্পানি বা আগের বসের নামে নেগেটিভ কথা কেউ পছন্দ করেন না। আপনি আগের কোম্পানি সম্পর্কে নেগেটিভ কিছু বলা মানে হল, এই কোম্পানি সম্পর্কেও নেগেটিভ কথাই বলবেন। শাকিল সাহেবের মনোভাব জানার জন্যেই এই প্রশ্নটি করা হয়েছে।)

শাকিল: আমি তো বলিনি আমার কোম্পানি খারাপ, তাই চাকরি ছাড়বো।

সিইও: তাহলে ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন কেন?

শাকিল: স্যার, আপনার কোম্পানি নিঃসন্দেহে দেশের অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি। সবাই বেটার স্কোপ খোঁজে। আমিও তাই এসেছি। যদি সব দিক ম্যাচ করে তাহলে, আমি আমার কোম্পানির কাজ বুঝিয়ে দিয়ে যথাযথ নিয়ম মেনেই রিজাইন দিবো।

সিইও: কয়দিন থাকবেন আমাদের কোম্পানিতে? আবার দুই দিন পর চলে যাবেন না তো?

শাকিল: যতদিন আমার কাজ দ্বারা আমার ও এই কোম্পানির উপকার হবে ততদিন থাকবো।

সিইও: ঢাকার বাইরে কাজ করবেন? আপনাকে ঢাকার বাইরে দিবো।

শাকিল: জী না, স্যার। বাবা-মার দেখাশুনার জন্যে একজনকে থাকতে হবে ঢাকায় তাদের সাথে।

সিইও: আপনাদের সবার এই এক সমস্যা। ঢাকার বাইরে যেতে চান না, তাইলে বাকি দেশ চলবে কিভাবে? নিজের সম্পর্কে দুইটা বাজে দিক বলেন তো?

শাকিল: একটা খারাপ দিক হচ্ছে, আমি কাউকে তেল দিয়ে কথা বলতে পারি না, উচিৎ কথাটাই বলতে পছন্দ করি। আরেকটা হচ্ছে …।  (শাকিল সাহেব দুইটি দিক মনে করতে পারছিলেন না, সিইও স্যার ইতিমধ্যে শাকিল সাহেবকে পছন্দ করেছেন, তাই তিনি শাকিল সাহেবকে সাহায্য করলেন)

সিইও: আরেকটা হচ্ছে, আপনি ঢাকার বাইরে যেতে চান না। আপনি নিজেকে ১০ বছর পর কোথায় দেখতে চান?

শাকিল: আমি ১০ বছর পর নিজেকে সিইও হিসেবে দেখতে চাই।

সিইও: সিইও? আপনি সিইও হলে আমি কি করবো? (হাসতে হাসতে)

শাকিল: আপনার কাছ থেকে শিখবো কিভাবে সিইওদের মত ভাবতে হয়, চলতে হয়।

সিইও: নাহ, এটা মানতে পারলাম না। আপনি কি মনে করেন এরকম কম্পিটিটর ক্যান্ডিডেট আমার নেওয়া উচিৎ?

শাকিল: জ্বি স্যার, এখনো তো আমি নতুন। মাত্র ৪-৫ বছর কাজ করেছি। এখনোতো স্যার আপনার কম্পিটিটর হইনি।

সিইও: আপনার কোন কিছুই মেলে না, তার উপর আবার আপনি আমার কম্পিটিটর। আপনাকে নিয়ে তো মহা ঝামেলা, আচ্ছা, আপনাকে বর্তমান কোম্পানিতে কয়টাকা বেতন দেয়?

শাকিল: ***** টাকা। (যা পান তার চেয়ে ২০% বাড়িয়ে বললেন)

সিইও: আপনি এখন যে বেতন পাচ্ছেন, আমিও সেই বেতনই দিবো, তাহলে কি আপনি আসবেন?

শাকিল:  স্যার, একটু বাড়িয়ে দিলে সুবিধা হত।

সিইও: বাড়িয়ে দিবো মানে, কত চান?

শাকিল: এখন যা পাই তার চেয়ে ৩০% বেশি হলে ভালো হয়।

সিইও: ৩০% বেশি? এই ৩০% এর থিওরি কোথায় পেয়েছেন?

শাকিল: দৈনিক যুগান্তরের চাকরীর খোঁজের একটি আর্টিকেল পড়ে জেনেছিলাম।

সিইও: আপনারা এতো পড়াশুনা করেন। উফ, আচ্ছা, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার আর কিছু জানার আছে?

শাকিল: কোম্পানির পলিসিগুলো সম্পর্কে যদি একটু ধারনা দিতেন।

সিইও: আপনি যদি সিলেক্টেড হন, জয়েনের আগে আপনাকে কোম্পানির সকল পলিসি সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হবে। তাহলে ভালো থাকবেন, শাকিল সাহেব, আপনার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার কামনা করছি।

শাকিল: আপনাকেও ধন্যবাদ স্যার, দোয়া করবেন। (প্রস্থান)

শাকিল সাহেবকেই ওই পোস্টের জন্যে সিলেক্ট করা হয়। পুরো ইন্টারভিউটি লক্ষ্য করুন, ক্যান্ডিডেট কতটা সাবলীল ছিলেন, সিইও স্যার উনাকে যতবার আটকাতে গিয়েছেন, উনি পজিটিভ উত্তর দিয়ে বেরিয়ে এসেছেন। বেতন চাওয়ার ক্ষেত্রে উনি এখন যা পান তার চেয়ে ৫০% বেশি চেয়েছেন। তার মানে, উনাকে যদি একটু কমাতে বলা হয় উনার হাতেও সেই সুযোগ থাকলো। পুরো ইন্টারভিউতে লক্ষ্য করুন, সিইও স্যার কিন্তু শাকিল সাহেবকে মজা করার ছলে মানসিক চাপে রেখেছেন।

interview

কোথাও একটু অসাবধান হলেই কিন্তু আর কথা এগোতো না। ক্যান্ডিডেট হিসেবে আপনাদেরও এরকম মানসিক চাপে ফেলা হতে পারে। সিইও স্যার প্রথমে ক্যান্ডিডেটের সিভি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। সে যে ট্রেনিং করে এটাও তাকে শাকিল সাহেবের প্রতি দুর্বল করেছে। তাই, সিভিকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে, সিভিই আপনাকে ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যায়। ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে সকলে যে উইন করবেন তা নয়, অনেক জায়গায় অনেক কথা বলে আটকে যেতে পারেন, অনেকে পোশাকের কারনে আটকে যেতে পারেন, অনেকে আচরণগত কারণে আটকে যেতে পারেন। সেই বিষয়গুলো নিয়ে সামনের পর্বগুলোতে আরো লিখবো।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.