যাদের মেডিকেল পরীক্ষা আশানুরূপ হয় নি

This author leads a dual lifestyle. In daylight, he is a badass genetic engineer trying to dance with DNA. At night, he turns himself into 'The Heisenberg'. He was last seen cooking some funky biology and chemistry tutorials in his Meth-lab.

পুরোটা পড়ার সময় নেই ? ব্লগটি একবার শুনে নাও !

বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যতগুলো ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক হচ্ছে মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষা। বাবা-মার সারা জীবনের স্বপ্ন পূরণ কিংবা মানুষের সেবা করার ইচ্ছা বুকে নিয়ে প্রতিবছর লাখ লাখ পরীক্ষার্থী এ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। কিন্তু, তাদের মধ্যে অল্প কিছু ছাত্র-ছাত্রী সরকারি মেডিকেল কলেজ গুলোতে পড়ার সুযোগ পাবে। বাকীদের ডাক্তার হবার স্বপ্নটা অনেকাংশেই অর্থনির্ভর প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের উপর সওয়ার হবে। কিন্তু, গরিব অথচ মেধাবী মানুষগুলোর স্বপ্নটা হয়তো কেবল স্বপ্নই থেকে যাবে।

আজকে আমরা কথা বলবো সেই মানুষগুলোকে নিয়ে। এদের এক বিশাল অংশ মেডিকেলে চান্স না পাবার হতাশায় অন্য ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে সাধ্যমত চেষ্টাটুকুনও করে না। ফলে, প্রতিবছরই মেডিকেল ভর্তিচ্ছু হতাশাবাদীদের দল কেবল ভারীই হতে থাকে।

কেন এই হতাশা?

প্রথম কথা হলো, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রক্রিয়াটা বেশ ভিন্ন ধরণের। সেখানে অনেক তথ্য মনে রাখতে হয়; গাণিতিক সমস্যাবলী আসার প্রবণতা কিছুটা কম। সুতরাং, প্রায় ৪ মাস ধরে পদার্থ-রসায়ন-গণিতের সূত্রগুলোর চর্চা থেকে দূরে থাকতে থাকতে অনেক মেডিকেল পরীক্ষার্থীর মাঝেই অংক করার ভীতি ঢুকে যায়। অন্যদিকে, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ভার্সিটি ভর্তি প্রস্তুতিতে ম্যাথ প্রবলেম আসে অনেক বেশী। তাই, মেডিকেল পরীক্ষা আশানুরূপ না হলে সবার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। সবাই ভাবতে থাকে, অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো আর চান্স পাওয়া সম্ভব নয়। তুমিও হয়তো এই মুহূর্তে একই কথা চিন্তা করছো। তাই না? আসো, তোমাকে কিছু আশার গল্প বলি।

frustration-eats-pencil2

“হোচট খাওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়”

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হচ্ছে, চেষ্টা করা বন্ধ করা যাবে না। একটা ছোট বাচ্চা যখন হাটতে শেখে তখন সে বার বার হোচট খায়। কিন্তু, ব্যথা পাবার ভয়ে সে কি হাটার চেষ্টা বন্ধ করে দেয়? কখনোই না! সুতরাং, তোমাকেও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

কোন দরজাগুলো তোমার জন্য এখনো খোলা?

সম্ভাবনার অসংখ্য দরজা তোমার জন্য এখনো কিন্তু খোলা। তোমার মেডিকেল ভর্তির প্রিপারেশনটার পাশাপাশি কিছুটা চর্চা করলেই এই দরজাগুলোতো তুমি প্রবেশ করতে পারবে। আসো কয়েকটা উদাহরণ দেই:

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা পদ্ধতি অনেকটা কাছাকাছি। এগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিতে তোমার হাতে এখনো ১৫দিনের মতো সময় আছে।

২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে IBA তে পড়ার সুযোগ! সেখানে সায়েন্স-কমার্স-আর্টসের সবাই পরীক্ষা দিতে পারবে।

একটা সমাধান অবশ্যই আছে। মাত্র ১০ মিনিটের সমাধান।

এছাড়াও দেশজুড়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়!

মেডিকেল পরবর্তী গণিতচর্চাটা কীভাবে হবে?

উপর উল্লেখিত সম্ভাবনাময় দরজাগুলোতে প্রবেশ করতে হলে তোমাকে এখন নিজের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য নেয়া প্রিপারেশনটার সাথে এবার যোগ করতে হবে গাণিতিক সমস্যার চর্চা। প্রথমেই তুমি হয়তো ভুলতে বসা সূত্রগুলো একটু মনে করে নিতে চাইবে। কিন্তু, বইটা খুললেই তো আকাশ ভেঙ্গে পড়বে। তাহলে, উপায় কি?

College Student Studying in Library

একটা সমাধান অবশ্যই আছে। মাত্র ১০ মিনিটের সমাধান। আমাদের ১০ মিনিট স্কুলের লাইভ প্রোগ্রামে বেশ কিছু ক্লাস নেয়া হয়েছে খুবই ব্যাসিক লেভেলের সূত্রের ব্যবহারের উপর। আজ রাতেই সেগুলো দেখতে শুরু করে দাও।

চাইলেই তুমি  আমাদের বিগত ৪মাসে নেয়া সকল লাইভ ক্লাস গুলো দেখে ফেলতে পারবে। আমি নি:সন্দেহে বলতে পারি, যদি তুমি আমাদের সবগুলো ক্লাস মনোযোগ দিয়ে দেখতে পারো তাহলে যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তোমার প্রস্তুতি হয়ে যাবে।

মডেল টেস্ট কীভাবে দিবো?

যেকোন ভর্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতির অন্যতম হাতিয়ার হলো মডেল টেস্ট। মেডিকেল পরীক্ষার পর হতাশ হয়ে অনেকেই নানা ধরণের বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারগুলোতে মডেল টেস্ট দিতে কাড়িকাড়ি টাকা দিয়ে আসো। ব্যাপারটা অনেকটা তোমাদের মনের শান্তির জন্য। অধিকাংশ মানুষই নাম লিখিয়েই কাজ শেষ করে। পরীক্ষা দেয়ার জন্য জ্যাম ঠেলে কেউই আর যায় না। চিন্তা নেই! ১০ মিনিট স্কুলের মডেল টেস্ট তো আছেই!

তো দেরী কেন? লাইভ ক্লাস দেখা শেষ করেই পরীক্ষা দিতে বসে পড়ো!

IBA ভর্তির প্রস্তুতিটা কীভাবে নিবো?

IBA নিয়ে অনেকেরই আগ্রহটা বেশ জোরালো থাকে। প্রস্তুতির প্রক্রিয়াটাও বেশ ছোট। চাইলেই মাত্র ২০দিনে পুরো প্রস্তুতিটা শেষ করে ফেলা সম্ভব। প্রথমেই নিচের ইনফোগ্রাফিক্সটা দেখে জেনে নাও IBAভর্তির আদ্যোপান্ত:

এবার আসো প্রস্তুতিটা নিয়ে কথা বলা যাক। এই লিংকে আমাদের IBA ভর্তির মডিউলে পেয়ে যাবে। সেখানে ইংরেজি ও ম্যাথের ভিডিওগুলো দেখে ফেলো। পরীক্ষা দিতে থাকো আমাদের মডেল টেস্টগুলোতে।

অনেকদিন ধরে মেডিকেলের পড়া পড়ে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের এই প্রশ্নগুলো বেশ মজা লাগবে বলেই আশা করছি। এখন, তুমি কতটুকু চর্চা করবে তা নির্ভর করছে তোমার ইচ্ছা শক্তির উপর।

জোর গলায় বলতে চাই…

হতাশাটাকে বাসা বাধতে দিলে তা কেবল বাড়তেই থাকবে। মেডিকেল পরীক্ষা আশানুরূপ না হলেই জীবন শেষ হয়ে যায় নি। উপরে যেই উপদেশ বাণী আওড়ানো হলো তা আগামী ১০-২০দিনের মধ্যেই করে ফেলা সম্ভব। পুরো ব্যাপারটাই তো ফ্রী! আসো, আজ রাতের মধ্যেই একটা নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলি। কাল সকাল থেকেই ১০মিনিট স্কুলে তোমার ভর্তি প্রস্তুতি এক নতুন মাত্রা পেতে পারে। সবকিছুই এখন নির্ভর করছে তোমার উপর।

success-secrets

চেষ্টা করাটা কি ছেড়ে দিবে? নাকি আর একটা বার নিজের পুরোটা ঢেলে দিবে? মাত্র ২০দিনের একটা প্রস্তুতি তোমাকে নিয়ে যেতে পারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা IBA এর দ্বারপ্রান্তে!

শুভকামনা তোমার জন্য!


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

শেয়ার কর! ?

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.