Communication Skill গড়ে তোলার সহজ উপায়!

January 7, 2023 ...

যোগাযোগের দক্ষতা, ইংরেজিতে যেটি আমাদের কাছে Communication Skills নামে পরিচিত, বর্তমানে খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। চাকরী হোক কিংবা স্টার্ট-আপ সব ক্ষেত্রেই কমিউনিকেশন স্কিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেই Communication Skills কী এবং তা বৃদ্ধি করার কিছু উপায়।

কমিউনিকেশন কি?

কমিউনিকেশন কি জানার আগে জানতে হবে কমিউনিকেশন শব্দটির অর্থ। কমিউনিকেশন শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ “কমিউনিকেয়ার” থেকে, যার অর্থ “ভাগ করে নেওয়া”, আরো সহজভাবে বললে – কথা বলা, লেখার বা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে তথ্য সরবরাহ বা বিনিময় করাকে Communication বা যোগাযোগ বলা হয়। সফলভাবে নিজের ধারণা অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া বা অনুভূতি ভাগ করে নেওয়াকেও কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ বলে।

কমিউনিকেশন স্কিল কী? (Communication skills meaning in Bengali)

কমিউনিকেশন স্কিল বা যোগাযোগ দক্ষতা হলো অন্যের দেওয়া তথ্য সঠিকভাবে বুঝতে পারা এবং নিজে যা বলতে চাই তা অন্যকে সঠিকভাবে বুঝাতে পারা। এটা লিখে আর কথায়- দু’রকম ভাবেই হতে পারে। আমরা এখানে শুধু কথা বলার মাধ্যমে যে যোগাযোগ হয় তার দক্ষতা নিয়ে কথা বলব। খেয়াল করলে দেখতে পারবেন যে যোগাযোগের দক্ষতার মূলত দু’টি অংশ- অন্যের কথা বুঝতে পারা এবং নিজের কথা অন্যকে বুঝাতে পারা।

বিভিন্ন ধরণের তথ্য আদান-প্রদান করার সময় আপনি যে ক্ষমতাগুলি ব্যবহার করেন তা হলো কমিউনিকেশন স্কিল। কমিউনিকেশন স্কিল এর কিছু উদাহরণের মধ্যে রয়েছে নতুন ধারণা, অনুভূতি বা এমনকি আপনার প্রকল্পের একটি আপডেট সহকর্মী বা বসের কাছে পৌঁছে, মোবাইলে কথোপকথন এবং ই-মেইল ও সোশ্যাল মিডিয়ার মতো ডিজিটাল যোগাযোগ।

কেন প্রয়োজন Communication Skills?

Communication Skills শুধু বর্তমানে নয়, এটি অতীতেও প্রয়োজনীয় ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। শিক্ষাজীবন অথবা চাকরী বলি কিংবা স্টার্ট-আপ শুরু করার কথা বলি, কমিউনিকেশন স্কিল আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, কমিউনিকেশন স্কিল মানুষের মাঝে আমাদের গ্রহণযোগ্যতাকেও বাড়িয়ে তোলে।

কমিউনিকেশন স্কিল
কমিউনিকেশন স্কিল

কমিউনিকেশনের সেভেন সি

কেন প্রয়োজন Communication Skills তা জানার পর এবার চলুন জেনে নেই Communication Skills এর সাতটি গুণ যাকে আমরা কমিউনিকেশনের সেভেন সি হিসেবে জানি। ১৯৫২ সালে অধ্যাপক স্কট এম. কাটলিপ এবং এ্যালেন এইচ. সেন্টার এই সেভেন সি এর কথা উল্লেখ করেন –

Communication Skills
The 7 C’s of Effective Communication

১। পরিপূর্ণতা (Completeness):

আপনার কথা বা লেখা সবসময় পরিপূর্ণ হতে হবে। কথাটা যেন আপনার শ্রোতার সবরকমের জানার আগ্রহকে জাগিয়ে তুলতে পারে। কথা বলার বা লেখার সময় মাথায় রাখতে হবে যে আপনার কথার বা লেখার উপর ভিত্তি করেই শ্রোতা বা পাঠক তার প্রতিক্রিয়া দেখাবে। একটা পরিপূর্ণ লেখা বা কথায় আমরা যে ভালো দিকগুলো দেখতে পারি:  

  • পরিপূর্ণ যোগাযোগ একটা সংগঠন বা ব্যক্তির প্রফেশলানিজম বৃদ্ধি করে।
  • এটা সময় এবং অর্থের অপচয় কমায়। ধরে নিন, আপনি একটা চিঠি লিখেছেন তা কুরিয়ার করতে কিছু খরচ হয়েছে। এখন তাতে যদি পরিপূর্ণ তথ্য নাই থাকে তবে আপনার তা আবার পাঠাতে হবে এবং আবারো কুরিয়ারের খরচ হবে। আপনি কাউকে কিছু বর্ণনা করেছেন। সে অনেক কিছুই বুঝতে পারে নি। তখন আপনাকে আবার পুরো ব্যপারটা তাকে বোঝাতে হবে যাতে করে সময় ব্যয় হবে।
  • এটা শ্রোতার বা পাঠকের মনে নতুন কোনো প্রশ্ন জাগায় না।
  • এর থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।

২। সংক্ষিপ্ততা (Conciseness):

সংক্ষিপ্ততা মানে হচ্ছে, মূল কথাটাকে যতটা সম্ভব কম শব্দে বলা এবং তাতে যেন সুষ্ঠু যোগাযোগের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে তা মেনে চলা। যোগাযোগের সময় একটা বিষয় সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে, শ্রোতা বা পাঠক ব্যস্ত। তাই প্রশস্তভাবে কথা বললে কিংবা লিখলে, কথার মূলভাব বোঝার জন্য তার অনেক সময় ব্যয় হবে এবং সে বিরক্ত হবে। লেখা বা কথা সংক্ষিপ্ত হলে এমনটা হয় না। এর দ্বারা সময় অপচয় রোধ হয়।

Communication Masterclass by Tahsan Khan

বাস্তব জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে রিটেন, ভার্বাল ও নন ভার্বাল কমিউনিকেশন আরো ইফেক্টিভ করার দারুণ সব কৌশল শিখুন তাহসান খানের Communication Masterclass কোর্সে, এগিয়ে থাকুন ব্যক্তিগত ও প্রফেশনাল লাইফে!

 

৩। বিবেচনা (Consideration):

যোগাযোগের সময় নিজেকে শ্রোতা বা পাঠকের স্থানে বসিয়ে দেখতে হবে। এখানে শ্রোতার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাত, ধর্ম ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে। গত বছরের কথা, আমাদের একটা প্রজেক্ট দেয়া হয় যেখানে আমাদের তিনটি টং-এর দোকানের মালিকের সাথে কথা বলে তার উপর একটা শর্ট টার্মপেপার তৈরি করতে হয়েছিল। একজন বিবিএ-এর শিক্ষার্থী হিসেবে ব্যবসায়িক বিভিন্ন ইংরেজি শব্দের সাথে আমার দৈনন্দিন থাকতে হয়।

প্রজেক্টের কাজ করতে গিয়ে প্রথম যেই টং-এর দোকানে যাই আমি, সেখানে অভ্যাসগত কারণেই কথা বলার সময় ফাঁকে ফাঁকে দু’-একটা ব্যবসায়িক শব্দ বলে ফেলছিলাম আর যখনই আমি বলছিলাম, তখনই সেই টং-এর দোকানী একদম চুপ হয়ে যাচ্ছিল। এই যোগাযোগে বিবেচনার অভাব ছিল। টং-এর দোকানীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় আনলে যোগাযোগটা আরো সুষ্ঠু হত।

“একসময় অনেকগুলো মূল কথা বলতে গেলে শ্রোতা দ্বিধান্বিত হয়ে যায় এবং কোনো কথাই ঠিকমত বলা হয় না।”

এভাবেই যোগাযোগের সময় নিজেকে শ্রোতা বা পাঠকের জায়গায় রেখে তারপর করতে হবে। শ্রোতার বোধগম্যতার বাইরে যায় এমন কিছুও যেমন বলা যাবে না, তেমনি শ্রোতা নিজেকে তুচ্ছ মনে করে বা তার বিশ্বাসে আঘাত হানে এমন কিছু বলা যাবে না। কথা বলার সময় নেতিবাচক শব্দের পরিবর্তে যতটা সম্ভব ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে।

৪। স্পষ্টতা (Clarity):

যোগাযোগের সময় একটা মূল কথাতেই জোর দিতে হবে। একসময় অনেকগুলো মূল কথা বলতে গেলে শ্রোতা দ্বিধান্বিত হয়ে যায় এবং কোনো কথাই ঠিকমত বলা হয় না। এক সময় একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে তা শ্রোতার বুঝতে সুবিধা হয়। ব্যাপারটা আপনি আপনার বন্ধু-বান্ধবের সাথে কথা বলতে গেলেই বুঝবেন। অনেকজন বন্ধু-বান্ধব একসাথে কথা বলতে থাকলে সেখানে অনেক রকমের কথা মিশে যায় এবং অনেক কম সময়ই দেখবেন যে ঐখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে।

৫। নির্দিষ্টতা (Concreteness):

ধরে নিন, আপনাকে কেউ বলল কালকে সকালে তার সাথে দেখা করতে। এখন আপনি কখন দেখা করবেন? সকাল ৮ টায় না ১১ টায়? আবার সে দেখা করার স্থানে উল্লেখ করেছে, অমুক ভবন কিন্তু কত তলা তা বলে দেয়নি। এখন আপনি কোন তলায় খুঁজবেন তাকে? এই দুই ধরনের যোগাযোগে ছিল নির্দিষ্টতার অভাব।

নির্দিষ্টতার অভাবে শ্রোতা বা পাঠকের মাঝে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এটা তাদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগায়। আবার অনেক সময় শ্রোতা বা পাঠক নির্দিষ্টতা ছাড়া বার্তার ভুল ব্যাখ্যাও করে। ধরে নিন, একই নামে দু’টি ভবন রয়েছে। এখন, বার্তা প্রেরক একটা ভবনের কথা চিন্তা করেছেন, কিন্তু প্রাপক ভেবেছেন আরেকটা। এতে করে অনেক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। নির্দিষ্টতা ছাড়া বার্তা খুবই আনপ্রফেশনালিজম-এর পরিচয় দেয়।

৬। ভদ্রতা (Courtesy):

বার্তা যোগাযোগের সকল বৈশিষ্ট্য বহন করলেও তা পেয়ে প্রাপক সন্তুষ্ট হবে না যদি না তা ভদ্র ভাষায় লেখা হয়। বার্তায় প্রাপককে যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। এবং বোঝাতে হবে যে প্রেরক আসলেই প্রাপকের সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়। এর জন্য বার্তা বলতে কিংবা লিখতে হবে শ্রোতা বা পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে এবং বার্তাটা যেন কোনোভাবে পক্ষপাতিত্বমূলক না হয়। এখানে সৌজন্যমূলক অনেক শব্দ থাকবে কিন্তু অবশ্যই তা যেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত না হয়।

সুন্দরভাবে লেখা বার্তা পড়লে প্রাপক এমনিতেই তাতে বর্ণিত বিষয়ের উপর আগ্রহী হয় এবং প্রাপক তার উত্তরও সুন্দরভাবে প্রেরণ করে। ধরে নিন, আপনি কাউকে কোনো জায়গা থেকে বাদ দিচ্ছেন, তখন আপনি তাকে আপনার বার্তার শুরুতে কিছু ‘Strategic buffer’ দিয়ে নিতে পারেন। Strategic buffer হচ্ছে, কোনো খারাপ সংবাদ দেয়ার আগে পরিস্থিতিকে হালকা করার জন্য বলা কিছু সৌজন্যমূলক কথা। আবার বার্তা শেষেও এরকম কিছু বলে নিতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার কিছু সৌজন্যমূলক কথা একজনের দিনটাকে ভালো করার জন্য যথেষ্ট।

৭। শুদ্ধতা(Correctness):

শুদ্ধতা মানে হচ্ছে, আপনার বার্তায় কোনোরকমের ব্যাকরণগত ভুল থাকবে না। আপনার লিখিত প্রতিটা বাক্য আপনাকে উপস্থাপন করে। আপনার বাক্যে গ্রামাটিকাল ভুল থাকলে, আপনি যতই দক্ষ হোন না কেন, সেই বাক্যটি আপনাকে প্রাপকের সামনে দূর্বলভাবে উপস্থাপন করবে। যদি নিজের গ্রামাটিক জ্ঞানের উপর ভরসা না থাকে, তাহলে অন্য কাউকে দিয়ে চেক করিয়ে নিন। একটা গ্রামাটিকাল ভুল শুধু আপনারই নয় বরং আপনি যে সংগঠনের পক্ষ থেকে বার্তা পাঠাচ্ছেন, তার মর্যাদাও কমিয়ে দেয়।

যোগাযোগের এই সাতটা নিয়ম মেনে চললে আপনি সুষ্ঠুভাবে যোগাযোগ করতে সক্ষম হবেন। বর্তমান যুগটাই হচ্ছে যোগাযোগের যুগ। এই যুগে আপনি কোনো কাজে যত দক্ষই হোন না কেন, যদি আপনি সুষ্ঠুভাবে যোগাযোগ না করতে পারেন তাহলে আপনি অনেক জায়গায়ই আপনার প্রাপ্য সম্মানটা থেকে বঞ্চিত হবেন।

শিক্ষার্থীদের জন্য Communication Skills

বর্তমান সময়ে স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ো যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীর জন্য কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট অত্যন্ত আবশ্যক। শুধু তাই না মাতৃভাষা বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে পারাও ইংরেজি কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন শিক্ষার্থীর কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করতে পারে এমন কয়েকটি উপায় হলো –

প্রচুর বই পড়া (Reading Books)

কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করতে বই পড়ার কোনো জুড়ি নেই। শিক্ষা জীবনে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশী অন্যান্য শিক্ষামূলক বই হতে পারে শিক্ষার্থীর কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানোর হাতিয়ার। 

শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র (Educational Movies)

কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর সবচেয়ে মৌলিক ব্যবহার হলো কথোপকথন। যেকোনো বাংলা কিংবা ইংরেজি শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র অথবা অন্য যেকোনো ভাষার শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র ইংরেজি বা বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে দেখার অভ্যাস করলে একজন শিক্ষার্থী নিজের অজান্তেই কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট পারবে। চলচ্চিত্রে অভিনয় শিল্পীদের কথা বলার সময় সে,

  • কথা বলার প্রকাশভঙ্গি,
  • দৃষ্টিসংযোগ রেখে কথা বলা,
  • সারসংক্ষেপে কোন কিছুকে কী এবং কিভাবে বোঝাচ্ছে,
  • কারো কথায় সাড়া দেওয়া
    এর মতো ব্যাপারগুলো লক্ষা করলে Communication Skills নিজের আয়ত্তে আনতে পারবে।

প্রযুক্তির ব্যবহার (Using Technology)

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে শুধু কমিউনিকেশন স্কিল নয়, যেকোনো স্কিল এখন সাথের মুঠোয়। Voicethread, Paper Telephone, Bubble, Duolingo ইত্যাদির মতো সহজে ইংরেজি শেখার অ্যাপ শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখার পাশাপাশি Communication Skills বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। 

Communication Skills
Communication Skills (Image Source: Freepik)

সক্রিয় শোনার প্রবণতা (Active Listening)

কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করতে শুধুমাত্র কথা বলতে পারাটাই যথেষ্ঠ নয়, সক্রিয় শোনার প্রবণতাও আবশ্যক। Active listening বা সক্রিয় শ্রবণের মানে মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি বোঝার জন্য শোনা। সক্রিয় শোনার প্রবণতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে সহজেই কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট সম্ভব। 

দলগত প্রেজেন্টেশন (Group Presentation)

দলগত প্রেজেন্টেশন শিক্ষার্থীদের কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধির পাশাপাশি পাবলিক স্পিকিং-এর ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসও বাড়ায়।

কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট টিপস

অন্যের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতা গড়ে তোলা এবং সেই সাথে তা পরিচর্যার মাধ্যমে কমিউনিকেশন স্কিল  বৃদ্ধি করার জন্য কিছু ছোট ছোট জিনিস মাথায় রাখতে হবে। চলুন জেনে নেই কিছু কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট টিপস, যেগুলো মাথায় রাখলে কেউ কথার মাধ্যমে কী তথ্য দিতে চায় তা সহজেই বুঝে নেওয়া যাবে।

১) মনোযোগ দিয়ে শোনা:

অনেকেই কথোপকথনের মাঝে বক্তার কথা শোনার দিকে খুব একটা নজর দেয় না। এটা মোটেও ঠিক নয়। অন্যের কথা বুঝতে পারার জন্য আপনাকে প্রথমেই নজর দিতে হবে কথাটা ভালোমত শোনার জন্য। মনোযোগ দিয়ে না শুনলে অনেক কিছুই খেয়াল করা হয়ে উঠে না অনেক সময়। সেক্ষেত্রে দেখা যায় যে যখন কথার উত্তরে কিছু বলতে যাবে তখন কথা খুঁজে না পেয়ে থমকে যাবে। এজন্যই আপনার উচিত মনোযোগ দিয়ে বক্তার কথা শোনা। তাহলে কথোপকথন খুব সহজেই চালিয়ে যাওয়া যায় কোন রকম আটকে যাওয়া ছাড়া।  

Communication Skilla

একবার চিন্তা করে দেখেন কেউ যদি আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে তাহলে আপনার কেমন লাগবে। অবশ্যই ভালো লাগবে এবং মনে হবে তারা আপনার মূল্য দিচ্ছে। তখন আপনি আরো বেশি চেষ্টা করবেন ভালোভাবে কথাগুলো বলার জন্য। আপনি যখন অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন তখন তার মাঝেও ঠিক একই ব্যাপার কাজ করবে এবং সে আপনাকেকে তার কথাগুলোও ভালোভাবে বলবে। এর ফলে আপনি সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য জোগাড় করে নিতে পারবেন। তাহলে মনোযোগ দিয়ে কথা শুনতে বাধা কোথায়?

২। প্রকাশভঙ্গির দিকে খেয়াল করা:

মনোযোগ দিয়ে শোনা শুধুমাত্র শোনার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, চোখ দিয়ে লক্ষ্য করার ব্যাপারটাও এখানে এসে পড়ে। মনোযোগ দিয়ে শোনার ক্ষেত্রে বক্তার মুখের ভঙ্গিমা এবং হাত পা নড়াচড়া লক্ষ্য করা ইত্যাদি বিষয়গুলো বক্তার কথা সহজে বুঝতে সাহায্য করে। যদি সেটা অবচেতনভাবে হয়, তবুও বক্তার শরীরের নড়াচড়া তার বক্তব্যকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। সেজন্যই বক্তার কথা শোনার পাশাপাশি তার শরীর এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়ার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

আবার অনেকেই সরাসরি না বললেও হাতের নড়াচড়া, চোখের ইশারার মাধ্যমেও বোঝানোর চেষ্টা করে যে কথোপকথনের সমাপ্তি চায় সে। সেক্ষেত্রে সেই ইশারা বুঝতে পারা এবং দ্রুত কথা শেষ করাটাও যোগাযোগ দক্ষতার মধ্যেই পড়ে।

৩। বক্তাকে বোঝানো যে আপনি শুনছেন:

একজন বক্তা যখন কথা বলে তখন সে এটাও লক্ষ্য করে যে শ্রোতা তার কথা শুনছে কি না। যদি শ্রোতা আগ্রহী হয় তাহলে তার কথা বলার উৎসাহ বৃদ্ধি পায়। তাই কথা শোনার সময় বক্তাকে বোঝাতে হবে যে আপনি তার কথা শুনছেন। সেক্ষেত্রে একটু পর পর মাথা নাড়ানো, মাঝে মাঝে হু-হ্যাঁ ইত্যাদি শব্দ করা ইত্যাদি কাজ বক্তাকে বুঝিয়ে দেবে যে আপনি তার কথা শুনছেন। এতে করে বক্তাও কথা বলতে আরো আগ্রহী হবে যা আপনাদের কথোপকথনকে আরো সহজ এবং সাবলীল করে দেবে।

তবে এত বেশি সাড়া আবার দিবেন না যাতে বক্তার কথার মাঝখানে বাধার সৃষ্টি হয়। তাহলে বক্তা বিরক্ত হতে পারে। এতে করে আপনার মূল উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে।

৪) নিজের কথা অন্যকে বুঝাতে পারা: 

নিজের বক্তব্যকে অন্যের কাছে ফুটিয়ে তুলতে পারাটাও যোগাযোগ দক্ষতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে পারলে খুব সহজেই নিজের কথাকে অন্যের কাছে উপস্থাপন করা যায়। 

৫) খুব দ্রুত কথা না বলা:

আপনার কথা যাতে মানুষ খুব সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য প্রথমেই যে বিষয়টির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হলো ধীরে ধীরে কথা বলা। যদি আপনার কথা খুব দ্রুত হয় তাহলে খুব সহজেই মানুষ আপনার কথা শোনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে কারণ, তারা বেশিরভাগ কথা বুঝতেই পারবে না। সেক্ষেত্রে, এর প্রভাব পড়বে তোমার কথোপকথনের উপর এবং আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

কৌতুক আমাদের সম্পর্ককে সহজ করে তোলে

অপরদিকে আপনি যদি ধীরে ধীরে কথা বলেন তাহলে আপনার বক্তব্য প্রকাশ করার জন্য যথাযথ শব্দ খুঁজে বের করার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে। একইসাথে আপনার শ্রোতারা কথা শুনার সাথে সাথে সেই কথার মাধ্যমে আপনি কী বোঝাতে চাচ্ছেন তা বোঝার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে। এভাবে আপনি খুব সহজেই নিজেকে ভালো বক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।

Think before you speak

তবে বেশি ধীহবেন না কিন্তু। তাহলে আপনি যার সাথে কথা বলছেন সে ভেবে নেবে আপনি যে বিষয়ের উপর কথা বলছেন সে বিষয়ের উপর আপনার যথেষ্ট জ্ঞান নেই। তাই সে কথা শোনার এবং বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

৬) শ্রোতার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা:

কথা বলার সময় অবশ্যই শ্রোতার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে হবে। এতে করে শ্রোতা বুঝতে পারবে আপনি আত্মবিশ্বাসী এবং যা বলছেন তা সম্পর্কে আপনি যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন। এছাড়াও শ্রোতার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বললে শ্রোতা আপনার কথাকে খুব সহজে এড়িয়ে যেতে পারবে না। এভাবে খুব সহজেই আপনি যা বলতে চান শ্রোতার কাছে তা পৌঁছে দিতে পারবে্ন।

যদি শ্রোতা একাধিক হয় তাহলে কখনোই একজনের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন না। চেষ্টা করবেন সবার দিকে তাকিয়ে কথা বলতে। এতে করে তারা বুঝতে পারবে আপনি সবাইকেই গুরুত্ব দিয়ে কথা বলছেন।  

৭) শরীরের অঙ্গভঙ্গির দিকে খেয়াল রাখা:

আপনি মুখে যা বলেন, তার সাথে সমন্বয় করে আপনার শরীরও প্রয়োজনমতো নড়াচড়া করবেন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ, একজন মানুষ আপনার কথা যখন শুনে তখন সে আপনার অঙ্গভঙ্গির দিকেও খেয়াল করে। কারণ, আপনার অঙ্গভঙ্গি তাকে সেই কথাটা সহজে বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু খেয়াল রেখবেন আপনার অঙ্গভঙ্গি যেন আপনার বক্তব্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তাহলেই শ্রোতা  আপনার কথা সহজে বুঝতে পারবে।

যে সকল অঙ্গভঙ্গি শ্রোতাকে আপনার কথা বুঝতে সাহায্য করবে সেগুলোর মাঝে হাতের নড়াচড়া, দাঁড়ানোর ভঙ্গি ইত্যাদি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি মুখে যদি কোন বস্তুর কথা বলেন এবং হাত দিয়ে তার আকৃতি দেখানোর মত ভঙ্গিমা ক্রেন তাহলে তা শ্রোতারা সহজেই বুঝতে পারবে। এভাবেই আপনি সহজে  আপনি কথাকে শ্রোতার কাছে সহজবোধ্য করে তুলতে পারবেন।

৮) শ্রোতা অনুযায়ী কথা বলার ধরন ঠিক করুন:

আপনি নিশ্চয়ই আপনার সহকর্মীর সাথে যেভাবে কথা বলবেন, আপনার বসের সঙ্গে সেভাবে কথা বলবেন না। কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডায় যেভাবে কথা বলবেন পরিবার কিংবা কর্মক্ষেত্রে নিশ্চয়ই সেভাবে কথা বলবেন না। এক এক জনের সাথে আপনার সম্পর্ক এক এক রকম। সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে সবার সাথে কথা বলার ধরন এক এক রকম। অর্থাৎ, কার সাথে কিভাবে কথা বলবেন তার ধরন শ্রোতার সাথে আপনার সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে।

শ্রোতা যেরকম, কথাও সেভাবেই বলবেন। এতে করে আপনার কথায় অসম্মান সূচক কোন কিছুর ছোঁয়া থাকবে না এবং তার ফলে কেউ মনোক্ষুন্ন হবে না।

কমিউনিকেশন কি?
কমিউনিকেশন স্কিল (Image source: Freepik)

৯) কথা সংক্ষিপ্ত এবং সুনির্দিষ্ট রাখুন:

অতিরিক্ত অপ্রাসঙ্গিক কথা বার্তা কেউই পছন্দ করে না। তাই কথা বার্তা যতটা পারুন সংক্ষিপ্ত এবং বিষয়বস্তুর ভেতর নির্দিষ্ট রাখুন। এ ব্যাপারটি যেকোনো ধরনের লেখার ক্ষেত্রে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। লেখা বেশি বড় হলেই যে তাতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকবে সেটি সব সময় সত্য নয়। পাঠক সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল ভাষার লেখাকে সব সময় সাধুবাদ জানায়।

প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত লেখা লিখতে গেলে যেমন লেখক এর সময় অপচয় হয় তেমনি সেই লেখা পড়তে গেলে পাঠকের ও সময় অপচয় হয়। আবার লেখায় যত অপ্রাসঙ্গিক ব্যাপার ঢুকে যাবে, লেখার মান কমার সম্ভাবনা ততটাই বেড়ে যাবে। নিম্নমানের লেখা কখনোই গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে না। তাই লেখা রাখতে হবে সংক্ষিপ্ত এবং সুনির্দিষ্ট।

১০) অপ্রয়োজনীয় পরিপূরক শব্দ পরিহার করুন:

আমাদের অনেকেরই কথা বলায় জড়তা রয়েছে। ফলে আমরা কথার শুরুতে বা মাঝে “উম” কিংবা “আহ্” এই ধরনের অর্থহীন পরিপূরক শব্দ ব্যবহার করে থাকি। আমাদের মনে হতে পারে যে এই ধরনের শব্দগুলো কথোপকথনকে গতিশীল রাখতে সহায়তা করে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। এধরনের শব্দের মাধ্যমে বক্তার দ্বিধা প্রকাশ পায়। এর চেয়ে উত্তম হচ্ছে একটু সময় নিয়ে কথা শুরু করা। কিংবা কথার মাঝে আটকে গেলে একটু সময় নেয়া।

বক্তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এতে আমাদের আত্মবিশ্বাসহীনতা প্রকাশ পায় বলে মনে হলেও শ্রোতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা তেমন কোন সমস্যা নয়। বরং অপ্রয়োজনীয় অর্থহীন পরিপূরক শব্দ উচ্চারণ করার থেকে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে কথা শুরু করা অধিক শ্রেয়।

১১) মনোযোগ এর বিক্ষেপ ঘটায় এমন জিনিস দূরে রাখুন:

কেউ আপনার সাথে কথা বলার সময় আপনার মনোযোগ যদি আপনার স্মার্টফোনের পর্দায় আটকে থাকে তবে আপনার সঙ্গীর প্রতি এটি এক ধরণের অসম্মান করা হচ্ছে। কারো সাথে কথা বলার সময় খেয়াল রাখবেন যেন আপনার সঙ্গী সব সময় অনুভব করে যে তার কথার প্রতি আপনি সর্বোচ্চ মনোযোগ প্রদর্শন করছেন। এতে যদি আপনি ব্যর্থ হন তাহলে আপনার সঙ্গী হতে পারে মনোক্ষুন্ন। হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ আপনি নিজেও যখন কারো সাথে কথা বলেন আপনি আশা করেন যে সে আপনার কথা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শুনবে।

১২) ছোটখাটো আলোচনার জন্য বিষয়বস্তু বাছাই করে রাখুন:

অনেক সময় এমন হয় যে আপনি কারো সঙ্গে সখ্যতা গড়তে চাচ্ছেন। কিন্তু কথা শুরু করার একপর্যায়ে কি নিয়ে কথা বলবেন তা খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনি দাঁড়িয়ে রইলেন নিশ্চুপ হয়ে। তখন আপনার সকল যোগাযোগ স্থাপনের প্রচেষ্টা পরিণত হবে একটি লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে। কিভাবে রেহাই পেতে পারেন এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে? সমাধানটি খুবই ছোট। হুটহাট আড্ডা জমিয়ে তোলার জন্য ছোটখাটো বিষয়বস্তু আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখুন। অল্পস্বল্প জ্ঞান অর্জন করে রাখুন সেসব বিষয়ে, যেন আড্ডা জমে উঠলে আপনার কথা থেমে না যায়। এই ছোটখাটো বিষয়বস্তুগুলো থেকে তৈরি হতে পারে বড়সড় আলোচনা। যেখানে সুযোগ তৈরি হবে আপনার আইডিয়া শেয়ার করার। এতে করে যোগাযোগ স্থাপনে আপনি হবেন সফল।

১৩) সহমর্মিতা প্রদর্শন করুন:

আপনার সঙ্গী যদি তার মতবাদ প্রকাশ করতে ভয় পায়, লজ্জা পায় বা অন্য যেকোনো কারণে দ্বিধাবোধ করে তাহলে আপনি এগিয়ে দিতে পারেন আপনার সহমর্মিতার হাত। এতে করে নিজের প্রতি তার বিশ্বাস যেমন বাড়বে তেমনি বাড়বে আপনার প্রতি তার বিশ্বাসও। এতে করে আপনাদের মাঝে কথা বলার সময় থাকবে না কোন জড়তা। সহজেই স্থাপিত হবে সুসম্পর্ক।

বক্তা তার কথা দ্বারা আসলে কি বুঝাতে চাচ্ছে তা সহজেই শ্রোতা বুঝে ফেলতে পারবেন। ফলে আপনাদের মাঝে যোগাযোগ হবে আগের থেকে আরও সুদৃঢ়।

১৪) গল্প বলার চেষ্টা করুন:

সুন্দরভাবে চমৎকার গল্প বলার অভ্যাস তৈরি করুন। আলোচনার মাঝে যদি দুয়েকটা চমৎকার গল্পটি দিতে পারেন তবে আলোচনা নতুন প্রাণ ফিরে পাবে। প্রেজেন্টেশন এর মাঝে গল্পগুলো একঘেয়েমিতা দূর করে। কারণ সবাই ভালো গল্প পছন্দ করে। তবে গল্প যেন অপ্রাসঙ্গিক না সে দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে।

১৫) কৌতুক ব্যবহার করা:

হাস্যরস মানুষকে আকৃষ্ট করে। তাই আপনি যদি আপনার কথায় প্রয়োজনমত কৌতুক ব্যবহার করেন তাহলে খুব সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। এছাড়াও কৌতুক আমাদের সম্পর্ককে সহজ করে তোলে। তাই কোন রসকসহীন কথার মাঝে মাঝে কিছু হাসির কথা বা ইঙ্গিত ব্যবহার করলে খুব সহজেই শ্রোতাকে আপন করে নিতে পারবেন এবং শ্রোতার মনোযোগ আপনার দিকে ধরে রাখতে সক্ষম হবেন। তবে যদি আলোচনাটা যদি হয় কোন শোকের কিংবা কষ্টের আলোচনা তাহলে সেখানে কৌতুক ব্যবহার করতে যাবেন না আবার। তাহলে ফলাফল যে কী হবে তা বলাই বাহুল্য।  

জানলে্ন তো কী কী উপায়ে কথা বললে আপনার কমিউনিকেশন স্কিল তথা Communication skills বৃদ্ধি করতে পারবে? তাহলে আর দেরি কেন? চর্চার মাধ্যমে এখন থেকেই একটু একটু করে বাড়িয়ে তুলতে থাকুন এই প্রয়োজনীয় দক্ষতাকে যা দিয়ে আপনি ভবিষ্যতে নিজেকে মানুষের কাছে আরো গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারবেন।

কমিউনিকেশন স্কিল নিয়ে আমাদের কোর্সগুলোতে ভর্তি হতে ক্লিক করুন:

  1. Communication Masterclass by Tahsan Khan
  2. Communication Hacks by Ayman Sadiq and Sadman Sadik
  3. Communication Secrets by Ejazur Rahman

  1. Presentation & Public Speaking by Ayman Sadiq
  2. চাকরি জীবনের প্রস্তুতি by Solaiman Shukhon
  3. Negotiation Skills by Ejazur Rahman

১০ মিনিট স্কুলের ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারেন এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com

 

আপনার কমেন্ট লিখুন