জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আনন্দময় করে তোলবার মন্ত্র

ভালোবাসি স্বপ্ন দেখতে ও দেখাতে।


পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

চলে এল আর একটা নতুন বছর। কখনো কি ভেবে দেখেছ এই যে এতগুলো বছর চলে গেল, তোমার জীবনের সবগুলো বছরই কি আনন্দময় কিংবা সেরা বছর ছিল? প্রায় সবারই উত্তর আসবে “না”! কেউ বলবে যে বছর আমি এসএসসি তে জিপিএ ৫ পেলাম সে বছরটা ছিল আমার জীবনের সেরা বছর। কেউ বলবে, যে বছর আমি স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম সে বছরটা ছিল আমার জীবনের সেরা বছর।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, এতগুলো বছর পার করে এসে তোমার জীবনে সেই দুই বা তিনটি বছরের কথাই খুব ভালো করে মনে আছে। সেই বছরগুলো ও আনন্দের মুহূর্তগুলো ভাবলে এখনো তোমার খুব ভালো লাগে। তার মানে, একজন মানুষ যদি গড়ে ৬০ বছর বাঁচেন তার জীবনে আনন্দময় ও স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল সব মিলিয়ে ৫ বছর। তবে বাকি ৫৫ বছর তার জীবন থেকে এমনিই হারিয়ে গিয়েছে। সেই বাকি ৫৫ বছরে তার জীবনে উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটেনি!

তাই আজ লিখতে বসা কিভাবে ২০১৯-কে তোমার জীবনের আনন্দময় ও স্মরণীয় বছর করে রাখবে?  শুধু ২০১৯ নয় আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকেই আনন্দময় করে তুলতে পারি। সেজন্য আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই বাঁচার মত বাঁচতে হবে। জীবনটা কিন্তু খুবই অল্প সময়ের। ধরো তোমার বয়স যদি এখন ২০ হয় আর তুমি যদি ৬০ বছর বেঁচে থাকো তবে তুমি ইতিমধ্যে তোমার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় পার করে ফেলেছ! জীবনের এই এক তৃতীয়াংশ সময়ে তুমি কি তোমার নিজের পাশাপাশি এই পৃথিবীর জন্য, সমাজের জন্য, দেশের জন্য কিংবা তোমার পাশের মানুষগুলোর জন্য কোন কিছু রেখে রেখে যেতে পেরেছ?

চলো ২০১৯ এর শুরুতেই আমরা পরিকল্পনা করে ফেলি কিভাবে জীবনের বাকি সময়গুলোকে আনন্দময় করে তুলতে পারি, কিভাবে এক সুন্দর মানব জীবন ও পৃথিবী নিজ হাতে গড়ে তুলতে পারি।

১। নিজেকে ভালবাসতে শেখো :

তুমি যতদিন নিজেকে ভালবাসতে না শিখবে ততদিন তুমি তোমার জীবনকে আনন্দময় করে তুলতে পারবে না। তুমি যদি নিজেকে ভালবাসো তবে তুমি নিশ্চয়ই এমন কোন কাজ করবে না যেটা পরবর্তী জীবনে তোমার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে বা তোমাকে কষ্ট দিবে। নিজেকে ভালবাসলে সবসময় তুমি নিজের স্বাস্থ্য, পড়াশোনা ও জীবনের প্রতি আরো বেশি যত্নশীল হবে। নিজেকে ভালবাসার পাশাপাশি নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রেখো। তাহলে পাহাড়সম বাধা-বিপত্তিও তোমাকে টলাতে পারবে না।

২। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে মূল্য দাও :

জীবনে কম-বেশি আমরা সবাই অসুস্থ হই। অনেকসময় আমাদেরকে কিংবা আমাদের প্রিয়জনদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তাই কমবেশি আমরা সবাই হাসপাতালে গিয়েছি। তুমি কি কখনো ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে গিয়েছ? গেলে দেখতে পারবে,  সেখানে তোমার বয়সী অনেকেই ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছে। তারা তোমার বয়সেই জেনে গিয়েছে তারা হয়ত আর বেশিদিন বাঁচবে না। তাদের জীবনে আর বেশিদিন বাকি নেই! জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তাদের কাছে অনেক বেশি মূল্যবান।

তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকেই উপভোগ করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। তেমনি আমাদের সবার জীবনেই প্রতিটি মুহূর্ত অনেক বেশি মূল্যবান। আমরা কেউ জানি না আর কতদিন বাঁচব আমরা। আজ যে সময়টা চলে যাচ্ছে সেটা আর কোনদিন ফিরে আসবে না। ধরো, এখন তুমি স্কুলে পড়াশোনা করছ। এই স্কুল জীবনটাকেই কিন্তু একদিন তুমি ভীষণ মিস করবে। তাই জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকেই মূল্য দাও এবং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আনন্দময় করে তোলবার চেষ্টা করো।

৩। আনন্দ ও কষ্ট দুই-ই আপেক্ষিক :  

আনন্দ ও কষ্ট এই বিষয়গুলো একেবারেই আপেক্ষিক। কারো কাছে আনন্দে থাকা মানে কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে বসে সূর্যাস্ত দেখা, আবার কারো কাছে সারাদিনের পরিশ্রমের পর উপার্জিত টাকা দিয়ে মার জন্য খাবার কিনে নিয়ে বাড়ি ফেরাটাই অনেক আনন্দের! ঠিক তেমনি কষ্টও আপেক্ষিক। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কারো আনন্দে থাকার পোস্ট বা ছবি দেখে হতাশ হয়ো না।

তুমি নিজে খেয়াল করে দেখো তুমি এই যে রোজ রোজ বাসায় ভাত খাচ্ছো সেই ছবি কি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিচ্ছো? না। কিন্তু একদিন কোন ভালো রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে সেই ছবিটা কিন্তু ঠিকই দিচ্ছো। ঠিক তেমনি সোশ্যাল মিডিয়ায় যাদের আনন্দে থাকতে দেখছো তারাও সবসময় আনন্দে আছে এমনটা ভাববার কারণ নেই। সবার জীবনেই আনন্দ ও কষ্ট দুই-ই আছে। এই পৃথিবীতে সবাইকেই কষ্টের সময় পার করতে হয়। হয়ত আমরা অন্যের সেই কষ্টটাকে দেখি না বা অনুভব করি না।

৪। আত্মসন্তুষ্টি- আনন্দে থাকবার মূলমন্ত্র :

হ্যাঁ, আত্মসন্তুষ্টিই আনন্দে থাকবার অন্যতম এক মূলমন্ত্র। তোমার যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। হয়তো তোমার এক বন্ধু আইফোন কিনেছে কিন্তু তোমার আইফোন কেনার সামর্থ্য নেই। তুমি সে কারণে মন খারাপ করে আছো। কিন্তু তোমার আশেপাশেই একটু তাকিয়ে দেখো, তোমার বয়সী অনেকে মোবাইল কেনা তো দূরের কথা, মৌলিক চাহিদাগুলোই পূরণ হচ্ছে না তার।

সে হয়ত তোমার মত ভালো স্কুল-কলেজে পড়তে পারছে না। তোমার মত চাইলেই অবসর কাটাতে পারছে না গল্পের বই কিনে পড়তে পারছে না। তাই তুমি যা পেয়েছ তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। সবসময় মনে রাখবে এই পৃথিবীতে তোমার চেয়েও অনেকে খারাপ অবস্থায় আছে।

৫। শক্তিশালী অস্ত্র হাসি :

আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে এই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র কি? আমি বলব, “হাসি”। কেননা পৃথিবীর যত অস্ত্র, পারমাণবিক বোমা কোনটাই পৃথিবীর বুকে শান্তি এনে দিতে পারেনি, কেবল পৃথিবীর মধ্যে অশান্তিই তৈরি করেছে। কিন্তু কেবলমাত্র এই হাসিই পৃথিবীর অনেক সমস্যার সমাধান করে পৃথিবীর বুকে শান্তি বয়ে আনতে পারে। ধরো, তোমাকে কেউ বিদ্রুপ করছে তাতে তুমি উত্তেজিত না হয়ে হাসতে শেখো। হ্যাঁ, এটাই তোমার সহনশীলতার বহিঃপ্রকাশ। নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া এক ছোট্ট ঘটনা শেয়ার করি।

একবার ট্রেনে কলকাতায় যাচ্ছি। কলকাতার এক ভদ্রলোক তদানীন্তন সাম্প্রতিক ঘটনার আলোকে বাংলাদেশিদের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলছিলেন। আমি শুধু মুচকি হাসছিলাম। লোকটা কিছুক্ষণ পর বিচলিত হয়েই বললেন, “দাদা, আপনি কি আসলেই বাংলাদেশী?” আমি আবার মুচকি হাসি দিলাম। এবার ভদ্রলোক বলেই বসলেন, “এতদিন শুনতাম, বাংলাদেশীরা খুব রগচটা। উত্তেজিত হয়ে যায় অল্পতেই, সামান্য কিছুতেই রাগারাগি শুরু করে দেয়। ওরা আমাদের মত সহনশীল না। ভারত-বাংলাদেশের খেলায় ফেসবুকের পোস্ট ও কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়।“  আমি আবার মুচকি হাসি দিলাম। এভাবেই একেকটা হাসি হয়ত লোকটার মনের মধ্যে সংশয় তৈরি করছিলো যে তিনি কি তবে ভুল ভাবতেন?

ঠিক তাই। তোমার হাসি তোমার দুর্বলতা প্রকাশ করে না বরং তোমার মহানুভবতার পরিচয় দেয়। তাই উত্তেজিত না হয়ে হাসি দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে শেখো ও সহনশীল হও।

৬। পরিবারকে বেশি করে সময় দাও :

এই পৃথিবীতে তুমি নিজে ব্যতীত তোমাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে তোমার পরিবার। তাই তোমাকে যারা ভালোবাসে সেই মানুষগুলোকে বেশি করে সময় দাও। সারাদিনের স্কুল, কাজ এসব শেষে পরিবারই তোমার আপন জায়গা যেখানে সারাদিনের ক্লান্তি অবসাদ ভুলে থাকা যায়। বাবা-মা, ভাই বোনদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোল। এতে জীবনের যেকোন সমস্যায় তুমি পরিবারের সাথে শেয়ার করতে পারবে। তাই কখনো তোমার নিজেকে একা মনে হবে না, সবসময় মনে হবে তোমার পাশে তোমার পরিবার আছে।

৭। বন্ধুত্বের মর্যাদা রেখো :

এই পৃথিবীতে কে আমাদের বাবা-মা বা ভাই-বোন হবেন সেটা নির্বাচন করার সুযোগ আমাদের নেই। আমাদের জন্মের আগেই সেটা স্রষ্টা ঠিক করে দিয়েছেন। কিন্তু বন্ধু নির্বাচনে সে সুযোগ আমাদের আছে। জীবনে প্রতিটি মুহূর্তেই তোমার বন্ধুর প্রয়োজন হবে। এই পৃথিবীতে যেকোন লড়াই একা লড়া সম্ভব না, পাশে বন্ধুর প্রয়োজন।

তাই জীবনে সবসময় বন্ধুত্বের মর্যাদা রাখবার চেষ্টা করো। তোমার বন্ধুর কোন সাফল্যে ঈর্ষান্বিত না হয়ে তাকে আরো সাধুবাদ জানাও তাকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করো। দেখবে সেও তোমাকে তোমার জীবনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

৮। অন্যের হাসির কারণ হও :

সবসময় এমন কাজ করার চেষ্টা করো যাতে তোমার কারণে অন্যের মুখে হাসি ফোটে। তোমার কারণে যেন কেউ কষ্ট না পায়। দেখবে এতে তোমার মাঝে আত্মতৃপ্তি আসবে। অন্যের মুখে হাসি ফোটাবার মধ্যে যে কী আনন্দ তা ভাষায় প্রকাশ করবার মত নয়। তোমার পাশের মানুষগুলোর প্রয়োজনে এগিয়ে আসো।

অন্যের প্রয়োজনে এগিয়ে আসবার মধ্যে এক অন্যরকম আনন্দ আছে সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়ো না। পৃথিবীতে একা একা ভালো থাকা যায় না, সবাইকে নিয়েই ভালো থাকতে হয়। মনের অজান্তে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করো।

৯। তিনটি না :

হিংসা, ঘৃণা ও অহংকার এই তিনটি জিনিসকে না বলো। কখনো কাউকে হিংসা করো না। কারো সফলতায় হিংসা না করে বরং তাকে আরো উৎসাহ দাও। সমাজের যে শ্রেণীর বা যে সমাজের মানুষই হোক কাউকে ঘৃণা করো না। তাকে ভালোবাসো। তুমি দেশের নামকরা স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছ বিধায় অহংকার করো না।

যে তোমার মত হতে পারেনি, হয়ত সে তোমার মত সুযোগ পায়নি। তোমার মত সুযোগ না পেয়েও দেখবে তাদের অনেকে তোমার চেয়েও অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তোমার মত সুযোগ পেলে তারা আরো অনেক দূর এগিয়ে যেত। তাই হিংসা, ঘৃণা ও অহংকার কে জীবন থেকে মুছে দিয়ে সকল মানুষের সাথে এক কাতারে মিশে যাও। দেখবে পৃথীবিটা কত সুন্দর!  

বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন তার ব্যক্তিগত জীবনের এক ঘটনা এভাবে তুলে ধরেন,

আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে । একদিন আমি প্লেনে করে যাচ্ছিলাম । খুব সাধারণ শার্ট আর প্যান্ট পরিহিত একজন ভদ্রলোক আমার পাশে বসেই যাচ্ছিলেন , দেখে উনাকে একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত মধ্যবিত্ত মানুষ মনে হয়েছিলো ।

অন্য সহযাত্রীরা আমায় চিনতে পেরে খুব উৎসাহিত কিন্তু ভদ্রলোককে লক্ষ্য করলাম উনার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই । উনি একমনে একটা খবরের কাগজ পড়ছিলেন আর মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে কী ভাবছিলেন । চা পরিবেশন করা হলো , উনি মার্জিতভাবে নিঃশব্দে চা খেলেন ,লক্ষ্য করলাম ।

আমার উনার প্রতি কৌতূহল বেড়েই চলছিলো ।

তাই উনার সাথে কথা বলার জন্য উনার দিকে তাকিয়ে হাসলাম ।

উনিও একটা সৌজন্যমূলক হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললেন ……’হ্যালো’ …….

কিছু সৌজন্যমূলক কথোপকথন শুরু হলো । আমিই নিজে থেকে সিনেমা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম ।

জিজ্ঞাসা করলাম ‘ আপনি সিনেমা দেখেন ?’

উনি বললেন ‘কখনো-সখনো । শেষ যে সিনেমাটা দেখেছি …….. হ্যাঁ…তাও প্রায় এক বছরের বেশি হয়ে গেছে ।’

বললাম ‘ আমি ঐ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই আছি ।’

উনি উৎসাহিত হয়ে বললেন ‘ দারুণ ব্যপার । তা আপনি কী করেন ?’

বললাম ‘ আমি একজন অভিনেতা ।’

প্রত্যুত্তরে বললেন ‘দারুণ ‘

ব্যস । ওই পর্যন্ত ………

প্লেন ল্যান্ড করার পর আমি ভদ্রলোকের দিকে করমর্দনের জন্য হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বললাম

‘ আমার নাম অমিতাভ বচ্চন ।’

উনি আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বললেন ‘আপনার সাথে পরিচয় হয়ে দারুণ লাগলো । আমার নাম জে . আর . ডি . টাটা …..’

হুম জে. আর. ডি. টাটা যিনি টাটা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা!

ঐ দিন থেকে একটা জিনিস জানলাম ” যত বড় হই না কেন , আমার থেকেও বড় কেউ আছে ।”

১০। সমাজ ও দেশ তোমার অপেক্ষায় :

নিজের পাশাপাশি সমাজ ও দেশকে নিয়ে ভাবো। তোমার বড় হওয়ার পিছনে এই সমাজ ও দেশের মানুষগুলোর অনেক অবদান আছে। তাই এই সমাজ ও দেশের প্রতি তোমার অনেক দায়বদ্ধতা আছে। তোমার জায়গা থেকে দেশ ও সমাজকে সেবা করার চেষ্টা করো।

একদিনেই জীবনকে পরিবর্তন করা সম্ভব না। কিন্তু চাইলে এই বিষয়গুলো আমরা ধীরে ধীরে আয়ত্ত করতে পারি। আর তবেই এক অনন্য সুন্দর ও আনন্দময় জীবন উপভোগ করতে পারব আমরা। জীবন কিন্তু একটাই, আর সেটা স্বল্প সময়ের জন্য। তাই চলো, ২০১৯ এর প্রাক্কাল থেকেই আমরা শুরু করি নিজেদের আনন্দযাত্রা। পৃথিবী আনন্দে ভরে উঠুক।


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

 

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.