শেখার যত রকম

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবারে শুনে নাও!

 

হবে পড়াশুনার টার্নিং, যদি হয় সঠিক লার্নিং!

নতুন কিছু শিখতে কার না ভালো লাগে? এই শেখার জন্য প্রত্যেকেরই নিজস্ব কিছু ধরণ থাকে। কেউ অনেকের মধ্যে থেকে পড়তে পছন্দ করে, আবার অনেকে নিরিবিলি পড়তে ভালবাসে। কেউ দেখে দেখে শেখে, আবার কেউ অন্যের মুখে শুনে শেখে। বুঝতেই পারছো, শেখার যেমন কোন শেষ নেই, তেমনি শেখার ধরনও অনেক রকম। আজকে চলো, শেখার কিছু ধরন জেনে নেই।

১। ভিজ্যুয়াল লার্নিং:

ভিজ্যুয়াল লার্নিং হল দেখে দেখে শেখা। যে কোন বিষয় ছবি, গ্রাফ অথবা চার্ট-এর মাধ্যমে শেখার আরেক নাম ভিজ্যুয়াল লার্নিং। অনেক সময় গৎবাঁধা লেখা পড়তে গিয়ে একঘেয়েমি চলে আসে। পড়তে ইচ্ছে হয় না কিংবা মনোযোগ থাকে না। সেক্ষেত্রে ভিজ্যুয়াল লার্নিং খুবই কার্যকর। চেষ্টা করে দেখতে পারো।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

২। অডিটরি লার্নিং:

অডিটরি লার্নিং হচ্ছে শব্দ অথবা মিউজিক শুনে শেখা। শুনতে শুনতে মনের মধ্যে অনেক কিছু গেঁথে যায়। এই সময় আমাদের মস্তিষ্কও খুব ভালো কাজ করে। ফলে যে কোন বিষয় সহজে মনে থাকে তখন। অডিও বুক অডিটরি লার্নিং-এর জন্য খুব জনপ্রিয়।

৩। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি:

বিভিন্ন ধরণের অঙ্গভঙ্গি (Gesture) ব্যবহার করে শেখাকে বলা হয় ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি লার্নিং। হেঁটে হেঁটে পড়া বা হাতের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে শেখা ইত্যাদি এর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত।  

৪। ধাঁধাঁ বা পাজল সলভিং:

যে কোন প্রশ্নের উত্তর লজিক অথবা পাজল আকারে মেলানো অথবা যুক্তি দিয়ে সমাধান করার মাধ্যমেও শেখা যায়। এই পদ্ধতিটি খুবই সহজ এবং বেশ কার্যকর।

 
 

কীভাবে বেছে নিব নিজের জন্য উপযুক্ত শেখার ধরন:

১। অনলাইন কুইজ:

শেখার ধরন তো জানলাম, কিন্তু কোনটি আমার জন্য উপযোগী তা কীভাবে বুঝবো? অনেকের মনেই এই প্রশ্নটি জাগতে পারে। শেখার ঠিক কোন ধরনটি আমার জন্য সবচেয়ে উপযোগী তা জানার জন্য কিছু অনলাইন কুইজ-এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে। এই ধরনের কুইজগুলোতে কিছু প্রশ্ন থাকে যার উত্তর-এর উপর ভিত্তি করে যাচাই করা যায় কোন ধরনটি তোমার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

এরকমই একটি কুইজ :

https://www.how-to-study.com/learning-style-assessment/

২। অভিজ্ঞতা থেকে শেখা:

আমাদের জীবনে শেখার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করা। পূর্ববর্তী সময়ে তোমার শেখার ধরণ এবং তার ফলাফল কেমন ছিলো সেগুলো বিবেচনা করে বেছে নিতে পারো তোমার জন্য সঠিক শিখন পদ্ধতিটি।

৩। শিক্ষকদের সাথে কথা বলা:

একজন শিক্ষকই পারেন তার ছাত্রদের সঠিক নির্দেশনা দিতে। তাই শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করেও জেনে নিতে পারো তোমার জন্য উপযুক্ত শেখার ধরন কোনটি।

তাই দেরি না করে আজই বেছে নাও তোমার জন্য সঠিক পড়ার পদ্ধতি, দেখবে প্রস্তুতিও হবে রাতারাতি।

এই লেখাটির অডিওবুকটি পড়েছে আব্দুল্লাহ আল মেহেদী


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?