কেন পড়তে যাবে চীনে?

An enthusiast doodling with a piano in canvases

স্থানীয়দের কাছে  তাদের এই  জন্মভূমির নাম চুংকুও।

ছাংছং কিংবা দ্যা গ্রেট ওয়াল , টেরাকোটা আর্মির মতো অনেক অনবদ্য বিস্ময় আছে এই দেশে।

আকাশে যেই ঘুড়ি উড়ে, সেই ঘুড়ির আইডিয়া কিন্তু এই দেশের লোকদের।

আবার সভ্যতার অনিবার্য উপাদান যেই কাগজ, সেই কাগজের সূত্রপাত কিন্তু এই দেশের হাত ধরেই। শুধু কাগজ আবিস্কার করেই তাঁরা ক্ষান্ত হননি। তার সাথে মাথা খাটিয়ে বের করে ফেলেছেন প্রিন্টিং প্রসেসের যাবতীয় খুঁটিনাটি !  কাগজের টাকার আবিস্কার সেটিকে নিয়ে গেলো আরও এক ধাপ উপরে!

আরও জানতে চাও?

দিক নির্দেশনার জন্য তাঁরাই প্রথম ব্যবহার করলো কম্পাস। সিল্ক পোকার কোকুন কিংবা রেশমের গুটি থেকে  সিল্ক কাপড় তৈরি করে পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো তাঁরা। অ্যাবাকাস আবিস্কার গণিতকে করলো আরও বোধগম্য। আর দৈনন্দিন জীবনের যেই ছাতা সেটিও তাঁদের হাত ধরেই আসলো।

বলছিলাম চীনের কথা।

১৩৮ কোটি লোকের এই “ডাইভারসিটির” দেশ যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয়ের ধারণা যেমন দিয়েছে, তেমনি চিকিৎসা বিজ্ঞান থেকে শুরু করে প্রকৌশল বিজ্ঞান কিংবা অর্থনীতির মতো জটিল বিষয়েও তাঁদের রয়েছে  অকল্পনীয় অবদান।

“মেড ইন চায়না”র দাপটে গোটা বিশ্বের প্রায় সব ধরনের মার্কেটই সয়লাব। মার্কেটের সব বড়সড় রাঘব বোয়ালদের টপকে মার্কেট কিভাবে হাতিয়ে নিতে হয় সেটিও দেখিয়েছে চীন। বাকি আর থাকলো কি?

পৃথিবীর সেরাদের সেরা সব ইউনিভার্সিটির অন্তত ৯২ টি  ইউনিভার্সিটি রয়েছে চীনে আর এই সংখ্যাটি দিন দিন বেড়েই চলেছে। অর্থনীতি, প্রকৌশল কিংবা চিকিৎসা বিজ্ঞান- প্রায় সব ক্ষেত্রেই চীনকে “দ্যা নেক্সট বিগ থিং” বললে একেবারেই ভুল হবে না।  

এই দেশে যদি কেউ যদি পড়াশোনার পর্বটি সেরে ফেলতে চায় তাহলে দারুন সব অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে তো হবেই, তার উপর নিজেকে  ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে মার্কেট দখলে নেয়া খুব একটা কঠিন কাজ হবে না কিন্তু!

“কিন্তু  কেন পড়তে যাবো চীনে?”

তোমার এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েই  আজকের যাবতীয় লেখালেখি।

কেন পড়তে যাবে চীনেঃ

 নিজেকে  গ্রোয়িং ট্রেন্ডের মধ্যে খুঁজে পাবেঃ

  GIF: Wipster

পৃথিবী প্রতিদিন প্রতিমুহূর্তে পরিবর্তন হচ্ছে। তুমি কি তার সাথে তাল মেলাতে পারছো?

 না পারলে তোমাকে সাহায্য করবে চীনের জনসংখ্যা আর তার বিশাল রকমের “ডাইভারসিটি” থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা। তোমাকে আগেই জানাই, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য চীনের চাহিদা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রমাণ হচ্ছে গত ১০ বছরে চীনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দিগুণ হয়েছে। প্রতি বছর এর হার বাড়ছে প্রায় ১০ শতাংশ যা অন্য সব দেশ থেকেই অনেক বেশি।  আর তাই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় চীন কালের পরিক্রমায় উঠে এসেছে তিন নম্বরে। এখানে চীনের  সভ্যতা আর সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগতো থাকছেই  তার উপর বাড়তি পাওনা হিসেবে থাকছে অন্যান্য সব দেশের মানুষের সাথে মেশার সুযোগ আর তাঁদের কালচারাল ডাইভারসিটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার সুযোগ।

মোট কথা, এতো মানুষ আর এতো ডাইভারসিটির সাথে “গ্রো” করতে পারলে গ্রোয়িং ট্রেন্ডের কোনো কিছুই মিস করার কোনো সম্ভাবনাই আমি দেখতে পাচ্ছি না। গোটা বিশ্ব পিছিয়ে পরলেও চীনের এই হিউম্যান ক্যাপিটাল (জনসংখ্যা) আর ডাইভারসিটি  তোমাকে আর চীনকে  নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করবে।

GIF: Wipster

বিশ্ব অর্থনীতির দ্যা নেক্সট বিগ থিংঃ

বর্তমান বিশ্বের ১ নম্বর অর্থনীতি হোল ইউনাইটেড স্টেটস । আর তার পরেই আছে চীন! ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ সালের মধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতির মূলশক্তিগুলো হবে পূর্ব দিকের দেশগুলো। আর তার নেতৃত্ব দিবে চীন। গত ৩০ বছর ধরে চীনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার গড়ে প্রায় ১০ শতাংশ হারে অপরিবর্তিত রয়েছে।  চীনকে বলা হয়ে থাকে “ওয়ার্ল্ড’স ফ্যাক্টরি”। এর কারণ হচ্ছে বিগত দশকগুলোতে চীনের  অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব এবং চীনের উৎপাদন আর রপ্তানি ক্ষমতার শক্ত ভিত্তি।

অনেকগুলো কঠিন কথা বলে ফেললাম। সোজা কথায়, আমি তোমাকে বুঝাতে চাইলাম যে, এই শতাব্দীর নেক্সট বিগ থিং হতে যাচ্ছে চীন। আর তাই এই দেশে পড়াশোনার পর্বটা সেরে ফেলতে পারলেতো পুরোই বাজিমাত!


ছবিঃ Entrackr

“ চীনের ইউনিভার্সিটিগুলোর  র‍্যাঙ্কিং কেমন ?”

বাইরে পড়তে যাওয়ার ব্যাপারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ  একটি প্রশ্ন করে ফেলেছো। বিদেশে পড়তে যাওয়ার আগে ইউনিভার্সিটির রেপুটেশনের ব্যাপারে একটু খেয়াল রাখতে হবে।

চাইনিজ ইউনিভার্সিটিগুলো বর্তমানে র‍্যাঙ্কিংয়ে বেশ উপরে উঠে আসা শুরু করেছে। বিগত পাঁচ বছরে ইউনাইটেড কিংডমের সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, চাইনিজ ইউনিভার্সিটিগুলো তুলনামুলকভাবে

র‍্যাংকিংয়ে বেশি এগিয়ে।

২০১১ সালে  টাইম্‌স হায়ার এডুকেশন’স ওয়ার্ল্ড’স  ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংয়ে  চাইনিজ ইউনিভার্সিটি ছিল মাত্র ৬ টি! আর মাত্র ৫ বছরে  মানে ২০১৫-১৬ এর মধ্যেই সংখ্যাটি উঠে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৭টিতে! আর এই সংখ্যাটি কানাডা কিংবা অস্ট্রেলিয়ার চেয়েও বেশি।    

 চাইনিজ ইউনিভার্সিটির র‍্যাংকিং নিয়ে  আরও ভালো ভাবে জানতে চাইলে তুমি এই লিঙ্কটিতে ঘুরে আসতে পারো। আশা করি র‍্যাংকিং নিয়ে তোমার আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না।

লিঙ্কঃ https://www.mastersportal.com/ranking-country/105/china.html 

চীন সরকার তোমার জন্য অনেক বেশি ইনভেস্ট করছে !

বাইরে পড়তে যাওয়ার ব্যাপারে ফাইনেনশিয়াল সাপোর্টের ব্যাপারটি মাথায় রাখা খুবই জরুরি এবং আমার মতে এইটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই দিক থেকে চীন তোমাকে বেশ চিন্তামুক্ত থাকার সুযোগ দিচ্ছে। চীনে রয়েছে প্রচুর ফান্ডিংয়ের সুযোগ। সংখ্যায় বললে ২৭৭ টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০,০০০ এর মতো স্কলারশিপ রয়েছে চীনে। ২০১৫ তে প্রায় ৪০ শতাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এই স্কলারশিপ পেয়েছে।  

চাইনিজ স্কলারশিপগুলোর ধরন জানতে হলে চলে যাও এই লিঙ্কটিতে।

লিঙ্কঃ https://www.chinaeducenter.com/en/scholarship.php 

সাবজেক্ট অনুযায়ী ইউনিভার্সিটির লিস্ট এবং কি কি স্কলারশিপ রয়েছে সেটি জানতে চাইলে এই ওয়েবসাইটেও  ঢুঁ মেরে আসতে পারো।

লিঙ্কঃ  https://www.cscscholarship.org/scholarships-in-china 

তোমাদের মতো যারা বাইরের দেশ থেকে চীনে পড়তে যাবে ভাবছো, তাদের জন্য চীন বরাদ্দ রেখেছে ৩.৩২ বিলিয়ন ইউয়ান যা গত বছরের চেয়ে ১৬.০৮% বেশি। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাইলে ঘুরে আসতে পারো এই লিঙ্কটিতে।

লিঙ্কঃ https://thepienews.com/news/china-boosts-international-student-budget-by-16-as-student-target-nears/ 

চ্যালেঞ্জ মান্দারিন!

মান্দারিন শব্দটিতো নিশ্চয়ই শুনেছো!

পৃথিবীতে  চীনের মান্দারিন ভাষায় সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে থাকে।  যেই ভাষায় চায়নিজ সহ ১.৪ বিলিয়ন মানুষ মনের ভাব প্রকাশ করে থাকে সেই ভাষা শিখে ফেলাটা অনেক বড় একটি প্রাপ্তি হতেই পারে।  

মান্দারিন ভাষা শেখার “চ্যালেঞ্জ” নিতে চাইলে তোমাকে প্রায় ৩০০০ এর মতো ভিন্ন ভিন্ন বর্ণ মনে রাখতে হবে। সেই বর্ণগুলোর উচ্চারণের প্রক্রিয়াও আবার আলাদা।এই চ্যালেঞ্জে নিয়ে তুমি যদি জিতে যাও, তবে পুরো চীনের প্রায় সব ক্যারিয়ারের দরজাই তোমার জন্য খুলে যাবে। এত বিশাল পরিসরের ক্যারিয়ার অপরচুনিটি তোমাকে আর কোনো দেশ দিতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।


 ছবিঃ Asia Pacific Foundation of Canada

      মান্দারিন ভাষার  অল্প কিছু “ডেমো” তোমাকে দেখালাম। চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেখতে পারো কিন্তু!


GIF: DeepMarkit

সাশ্রয়ী চীনঃ  

কত কিছুই তো বললাম । এবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা বলি। আমেরিকা কিংবা অস্ট্রেলিয়াতে দৈনন্দিন জীবনের খরচ আশা করি তোমাকে বলতে হবে না (একটু বেশিই খরচ!)। আবার ধর নন ইউরোপিয়ান নাগরিকদের পড়াশোনা আর হাতখরচ সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ১৩০০০ ডলারের মতো হয়ে যায়। কিন্তু চীনে টাকার অঙ্কটা অনেকটাই কম। বছরে ১২০০-১৩০০ ডলারের মধ্যে টিউশন ফি আর হাতখরচের ব্যাপারটি সেরে ফেলা যায়।

এই জন্যই হয়তো চীনকে বলা হয় “কস্ট-ইফেক্টিভ”!    

মেগাসিটির দেশেঃ

পুরো চীনে প্রায় ১৫টির মতো মেগাসিটি রয়েছে যার সবগুলোকেই বলা যায় ডাইন্যামিক! বেইজিং আর সাংহাই শিক্ষার্থীদের বসবাসের জন্য সেরা শহর হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে অনেক আগে থেকেই। হাংঝু মেগাসিটিতে বিশ্বের অনিন্দ্য সুন্দর সব হ্রদগুলোর দেখা পাবে। কুন্মিংয়ে চীনের প্রাচীন অধিবাসীদের সাথে দেখা করার সুযোগ মিলবে তোমার। আর সাংহাইয়ের বিশাল বিশাল সব অট্টালিকা তোমাকে বার বার হতবাক করবে।


GIF: Giphy ( Shanghai)

এমন ডাইভার্স মেগাসিটির সমাহার  আর কোথায় পাবে তুমি ?  


 ছবিঃ SOM (Kunming)

ছবিঃ FinGlobal ( Hangzhou)

মার্শাল আর্ট আর ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন সম্পর্কে শেখার সুযোগঃ

মার্শাল আর্ট শেখার ইচ্ছা কিংবা  ট্র্যাডিশনাল সব মেডিসিনের ব্যাপারে তোমার আগ্রহ থাকলে চীন তোমার জন্য সেরা অপশন। পড়াশোনার পাশাপাশি এই বিষয়গুলোতে চাইলেই তুমি প্রশিক্ষণ নিতে পারবে চীনে। মার্শাল আর্ট কিংবা ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনের উপরে শখানেক ডিগ্রী আছে চীনে। চেষ্টা করে দেখলে মন্দ হয় না কিন্তু!  


GIF:Pinterest

  ছবিঃ  Mandala Centre for Health and Wellness

চীনের সভ্যতার ধাপগুলো ঘুরে দেখার সুযোগঃ

কালের বিবর্তনে সভ্যতার অনেক ধাপ পেরিয়ে চীন তার আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে ।  এই সভ্যতার গড়ে ওঠা এবং বেড়ে ওঠার গল্প  চীনের প্রতিটি  স্তরে সাজানো আছে। চীনে পড়াশোনার পাশাপাশি চীনের বিখ্যাত সব দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ তোমাকে চৈনিক সভ্যতার বেড়ে ওঠার গল্প শোনাবে আর পৃথিবীর অন্যান্য সব সভ্যতা সম্পর্কেও তোমার বিস্তর ধারণার জন্ম নিবে। চীনের ৫০০০ বছরের পুরনো সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পারলে মানুষের বিবর্তনের অনেক খুঁটিনাটি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তাই আমার মতে চীনে পড়তে যাওয়া হতে পারে একটি সুবর্ণ সুযোগ।  


ছবিঃ Wikipedia

বেইজিংয়ের অলিম্পিক বার্ড’স নেস্ট থেকে শুরু করে ফরবিডেন সিটি কিংবা গ্রেট ওয়াল, অথবা টেরাকোটা আর্মির  চীন তোমাকে অসংখ্যবার অভিভূত করবে।

নিজেকে চ্যালেঞ্জ করো এবং বেড়ে উঠো চীনের সাথেঃ      


             ছবিঃ  Photo by Hanny Naibaho / CC BY (www.asiaexchange.org )

নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশে পড়তে যাওয়ার অভিজ্ঞতা সব সময় ভালো হয় না। কমিউনিকেশন গ্যাপের কারণে অনেক সময় নিজেকে হতাশ মনে হবে। কিন্তু তুমি যদি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী হয়ে থাকো তাহলে চীন তোমার জন্য সেরা অপশন। মান্দারিনের মারপ্যাঁচ আর কঠোর পরিশ্রমের রুটিনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বেড়ে উঠে তুমিও কিন্তু  চীনের মতো হয়ে উঠতে পারো “দ্যা নেক্সট বিগ থিং!”

সাধারণ চিন্তা ধারা কিংবা সিদ্ধান্তের  বাইরে গিয়ে অসাধারণ হয়ে ওঠার গল্প আছে অসংখ্য।

চীনে পড়তে যাওয়ার ব্যাপারটি আমাদের দেশে খুব বেশি “মেইনস্ট্রিম” কিছু নয় তবে এমন সিদ্ধান্ত থেকে কিন্তু অসাধারণ কোনো গল্প জন্ম নিতেই পারে।  

“সবই বুঝলাম কিন্তু চীনে পড়তে যাবার প্রসেসিং শুরু করবো কিভাবে?”

অ্যাপ্লিকেশন এর প্রসেসিং নিয়ে অন্য কোনো ব্লগে বিস্তারিত বলবো। তার আগে ভালো করে ভেবে চিন্তে চীনে পড়তে যাবে কি যাবে না সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলো!  


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.