হাইজেনবার্গের গল্প: মশা ও HIV Virus

This author leads a dual lifestyle. In daylight, he is a badass genetic engineer trying to dance with DNA. At night, he turns himself into 'The Heisenberg'. He was last seen cooking some funky biology and chemistry tutorials in his Meth-lab.

HIV হলো এইডস রোগসৃষ্টিকারী ভাইরাস যা মানুষের রক্ত, বীর্য, মায়ের বুকের দুধ ইত‍্যাদি বডি ফ্লুইডের মাধ‍্যমে বাহিত হয়। মশা যখন মানুষের রক্ত খায় তখন HIV আক্রান্ত রোগীর রক্ত মশার দেহে প্রবেশ করবে। এখন প্রশ্ন হতেই পারে, সেই মশা যদি সুস্থ ব‍্যক্তিকে কামড় দেয় তাহলে কি তার এইডস হবে?

উত্তরটি হলো না!

আসুন, এবার সহজে ব‍্যাখ‍্যা করার চেষ্টা করি। ধরুন, আপনি টাইগারদের খেলা দেখতে মিরপুর স্টেডিয়ামে গেলেন। সেখানে গেট দিয়ে ঢুকতে হলে আপনাকে টিকেট দেখাতে হবে। যেকোন টিকেট নিয়ে গেলেই কিন্তু হবে না। এক্কেবারে সেদিনকার খেলার টিকেটই আপনার কাছে থাকতে হবে। টিকেট না থাকলে ঢোকার কোন প্রশ্নই আসে না।

[tmsad_ad type=”video”]

কি বুঝলেন? গেট দিয়ে ঢুকতে হলে টিকেট লাগে।

আমাদের রক্তে HIV ভাইরাসের আবাসস্থল হলো T-Cell নামক এক ধরণের কোষ। এই T-Cell এর ভিতর প্রবেশ করতে হলে HIV ভাইরাসের একধরণের টিকেট লাগে। সেই টিকেটের নাম GP-140. এখন, এই টিকেট দিয়ে কেবল মানুষের T-Cell এ প্রবেশ করা যাবে। কারণ, কেবলমাত্র মানুষের T-Cellই এই টিকেট সনাক্ত করতে পারে।

এখন চিন্তা করুণ, মিরপুর স্টেডিয়ামের টিকেট কেটে চট্টগ্রামে খেলা দেখতে গেলে কি ঢুকতে দেবে? অবশ‍্যই না!

HIV ভাইরাস যখন মশার দেহে প্রবেশ করে তখন তার সেই GP-140 টিকেট মশার কোন কোষেই আর কাজ করে না। তাই, এই ভাইরাস মশার কোষে প্রবেশ করে বংশ বিস্তার করতে পারে না। ভাইরাসটি কিছু সময় পর ধ্বংস হয়ে যায়। সুতরাং, সেই মশা কোন সুস্থ মানুষকে কামড়ালে তার এইডস হবে না। কারণ, মশা HIV ভাইরাসের বাহক নয়।

HIV এর পূর্ণ রূপ হলো Human Immunodeficiency Virus. মানে, মানুষ ছাড়া অন‍্য কোন প্রাণীতে এটি রোগ সৃষ্টি করতে পারে না।

Science is the opposite of ignorance.

What are you thinking?