যে জেলখানায় কয়েদি নেই

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

ইচ্ছে হলেই বিশাল নীল আকাশের দিকে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকা, সাদা তুলোর স্তূপের মতো মেঘের দিকে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে মনে মনে ছন্দ গাঁথা, মুক্ত বাতাসে বুক ভরে শ্বাস নেয়া, যখন খুশি যে দিকে দু’ চোখ যায় সে দিকে ছুটে যাওয়া, ইচ্ছে মতো ঘুরে বেড়ানো… এই তো স্বাধীনচেতা মানুষের জীবন!

কিন্তু এই স্বাধীনতা কি সবার ভাগ্যে জোটে? বিশেষ করে, এক টুকরো বন্দীশালায় কেটে যায় যাদের রাত্রি-দিন, বাঁধা-ধরা জীবনই তাদের নিত্যসঙ্গী।

এ হলো অপরাধের বিনিময়ে পাওয়া কারাবন্দী জীবন। শাস্তি, অনুতাপ, প্রায়শ্চিত্ত, সংশোধনের চেষ্টা; আর সেই সাথে বোবা কান্নার মিশেলে ভরা তাদের একেকটি মুহূর্ত।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে! The 10-Minute Blog!

তিল তিল করে ক্ষয়ে যাওয়া জীবনের গল্প রোজ হাওয়ায় মিলিয়ে যায় এখানে। যেখানে জীবন মানেই চার দেয়াল আর স্বপ্ন মানে উঁচু সেসব দেয়ালের বাইরের সুন্দর পৃথিবীতে ফিরে যাওয়া।

বন্দী আছে যারা, কেমন থাকে তারা?

কারাগারের দিনগুলো হয় পুরোপুরি ছকে বাঁধা। এখানে নির্দিষ্ট রুটিনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই কারো। সকালের নাস্তার পর লকআপ খুলে দেয়া হয়, স্বল্প পরিসরে চলে গোসল ও ব্যক্তিগত কাজকর্ম। কারাগারে একেক সেলে সাধারণত ৮০-৯০ জন থাকতে পারে, তবে বাংলাদেশের বেশিরভাগ কারাগারেই এর চেয়ে অনেক বেশি কয়েদি থাকে একেক সেলে।

গোসলের জন্য সেলের বাইরে নির্দিষ্ট চৌবাচ্চায় পানি রাখা থাকে, সেখান থেকে পানি নিয়ে সারতে হয় গোসল। টয়লেট আর গোসলের জন্য ধরতে হয় লম্বা লাইন। এরপর বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিতরা সাধারণত সময় কাটায় লাইব্রেরিতে বসে, কিংবা নিজেদের মধ্যে গল্পগুজব করে। ছোট্ট লাইব্রেরিতে রোজ একই ধাঁচের বই পড়তে পড়তে একঘেয়ে হয়ে ওঠে বই পড়াও।

সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিতরা শুরু করে তাদের দৈনন্দিন বেঁধে দেয়া কাজ। দৈহিক সামর্থ্য, দক্ষতা ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় এসব কাজ নির্ধারণ করে দেয়া হয়। ফুল বাগানের কাজ, মাটি কাটা, লোহা-লক্কড়ের কাজ, সেলাইয়ের কাজ, কম্বল বোনা, চিঠি লেখা, ড্রাফট করা, লাইব্রেরির কাজ সহ আরো অনেক ধরনের কাজের ব্যবস্থা রয়েছে কারাগারে।

একই সময়ে শুরু হয় রান্নার বন্দোবস্ত। ন্যূনতম তেল-মসলা ব্যবহার করে তৈরি করা হয় কারাগারের খাবার। বলা হয়ে থাকে, বাজারে কোন জিনিসটা সবচেয়ে সস্তায় পাওয়া যায় সেটা জানতে চাইলে কারাগারগুলোর রন্ধনশালায় ঢুঁ মেরে আসা উচিত!

বাংলাদেশে সাধারণত কয়েদিদের দুপুর বেলা ভাত আর বাকি দুইবেলা রুটি সরবরাহ করা হয়। নির্দিষ্ট সময় পর পর দেয়া হয় মাছ বা মাংস। উৎসবের দিনগুলোতে থাকে পোলাও-কোর্মা আর মিষ্টান্নের ব্যবস্থা।

কারাগারের খাবারের মান নিয়ে প্রায়ই অভিযোগ পাওয়া যায়। অবশ্য ডিভিশন প্রাপ্ত বন্দীদের কথা আলাদা। তাদের জন্য আলাদা করে খাবার রান্না করা হয়, খাবারের মেন্যুও হয় স্বাস্থ্যসম্মত। সকালে পাউরুটি, কলা, ডিম, দুধ, চা; দুপুর আর রাতের খাবারে ভাত কিংবা রুটির সাথে মাছ, মাংস, ডাল সরবরাহ করা হয় তাদের।

দুপুরের খাবারের পর কারাগারের মাঠে বন্দীরা খেলাধুলার সুযোগ পায়। অসহনীয় একাকিত্বের বন্দী জীবনে কিছুটা বিনোদনের উপায় বলতে কেবল এটিই। সন্ধ্যার আগে আগেই সবাইকে আবার যার যার সেলে ঢুকতে হয়, আলো মিলিয়ে যেতেই লাইনে দাঁড়াতে হয় রাতের খাবারের জন্য।

মোটা দাগে এই হচ্ছে কারাগারে কয়েদিদের বন্দী জীবন। একঘেয়ে এই জীবনের দীর্ঘশ্বাস তাদের তাড়া করে বেড়ায় বছরের পর বছর ধরে।

বাংলাদেশে কয়েদির সংখ্যা

বর্তমান বিশ্বে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। সাথে বাড়ছে অপরাধী। আর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অপরাধী দমনে বিভিন্ন দেশ তাদের আইনের সর্বোত্তম ব্যবহার করছে। 

আর হবে না মন খারাপ!

 

বাংলাদেশে মোট কারাগার সংখ্যা ৬৮টি। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় কারাগার ১৩টি, বাকি ১৫টি জেলা কারাগার নামে পরিচিত। ৬৮টি কারাগারের মোট কয়েদি ধারণক্ষমতা ৩৬,৬১৪ জন হলেও, বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে মোট কয়েদির সংখ্যা ৭৯,০৭১ জন, অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি! তৃতীয় বিশ্বের বেশিরভাগ দেশগুলোর কারাগারের অবস্থা অনেকটাই একই রকম।

তবে এর বিপরীত চিত্রও কিন্তু আছে! এমন বহু উন্নত দেশ আছে, যাদের কারাগারগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কয়েদির অভাবে! শুনতে অবাক লাগলেও এটি মোটেও মিথ্যে নয়!

ইউরোপের এমন কয়েকটি দেশ রয়েছে যেখানে অপরাধীর অভাবে দিন দিন কারাগারগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর সেসব দেশের জনগন কর্মময় জীবনে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তাদের আগ্রহ থাকে শূন্যের কোটায়।

এরকম কয়েকটি দেশের কারাগার সম্পর্কেই আজকের আলোচনা।

নেদারল্যান্ডস: উইকেটের মতো করে কারাগারের পতন হয় যেখানে!

অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয় গুলো একবারেই কমে যাচ্ছে ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসে। নেদারল্যান্ডের অনেক জেলখানা কয়েদির অভাবে ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম অপরাধমূলক আচরণ করে থাকে নেদারল্যান্ডসবাসী। দেশটিতে ৩ হাজারেরও বেশি কারাগার রয়েছে। অথচ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের হার দিনের পর দিন কমছেই। ফলে কেবল ২০১৩ সালেই ১৩টি জেলখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশটিতে। তারপর ২০১৭ সাল পর্যন্ত আরো ৫টি জেলখানা বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির আইনশৃংখলা কর্তৃপক্ষ। ২০১৭ সালের পরিসংখ্যান মতে নেদারল্যান্ডের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ। এই দেশের গড়ে প্রতি ১,০০,০০০ জনসংখ্যায় ৬৯ জন কয়েদি রয়েছে যেখানে আমেরিকায় গড়ে প্রতি ১,০০,০০০ জনসংখ্যায় ৭১৬ জন কয়েদি রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য 10 Minute School Skill Development Lab নামে ১০ মিনিট স্কুলের রয়েছে একটি ফেইসবুক গ্রুপ। গ্রুপে জয়েন করুন!

তবে এই জেলখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরেকটি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ওই জেলখানাগুলোতে কর্মরত প্রায় ২০০০ কর্মী বেকার হয়ে পড়ে। যার ৩০ শতাংশকে পরবর্তীতে আইনশৃংখলা বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

২০০৪ সাল থেকে নেদারল্যান্ডে অপরাধীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। সবচেয়ে মজার তথ্য হলো, কিছু জেলখানা সচল রাখতে নরওয়ে থেকে ২৪০ জন কয়েদিকে নেদারল্যান্ডস সরকার ‘আমদানি’ করে এনেছে!

সুইডেন: কারাগার আছে, কয়েদি নেই!

ইউরোপ মহাদেশের এই দেশটিতে দিনের পর দিন অপরাধীর সংখ্যা কমেছে। ফলে অবধারিত ভাবে কমে যাচ্ছে কারাগারও। প্রায় ৯৫ লক্ষ লোকের বসবাস এই দেশটিতে। ২০০৪ সালে দেশটির ৫৭২২ জন অপরাধী কারাগারে বন্দী ছিলো। তারপর ২০১২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৪৮৫২ জন। ২০১৬ সাল নাগাদ তা কমে দাঁড়ায় ৪ হাজারে। বর্তমানে দেশটিতে কয়েদির সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজারের মতো। এভাবে দেশটিতে দিনের পর দিন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমে যাচ্ছে, কমছে কয়েদির সংখ্যা। ফলে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে কারাগার। এই অবস্থায় একের পর এক কারাগার বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। কারাগার থাকলেও কয়েদি নেই, এমন মধুর সমস্যার সম্মুখীন সুইডেন!

নিউজিল্যান্ড: দুর্নীতির দফারফা

কথায় আছে, ‘দুর্নীতি একটি জাতির উন্নতির প্রধান অন্তরায়’। যে দেশে দুর্নীতি যত বেশি, উন্নতিতে সে দেশ তত বেশি পিছিয়ে। অন্য দিকে, যে দেশে দুর্নীতি যত কম, সে দেশ তত উন্নত। প্রতিবছর সবচেয়ে কম দুর্নীতি হয় এমন দেশের তালিকায় তালিকায় বরাবরই এই দেশটির নাম আসে। আর দুর্নীতিই একটি মানুষকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে বাধ্য করে। যেহেতু এই দেশে দুর্নীতি একেবারেই কম, তাই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয় কম।

দেশটিতে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীর সংখ্যা একেবারেই অল্প। তবে মজার ব্যাপার হলো, অপরাধী তেমন বেশি না থাকলেও দেশটিতে রয়েছে অসংখ্য কারাগার। তবে দিন দিন কমছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ফলশ্রুতিতে জ্যামিতিক হারে কমছে কারাগারের সংখ্যা। আর যেসব কারাগার টিকে আছে, তাতে কয়েদিদের দেওয়া হয় নানা রকম সুবিধা।নিউজিল্যান্ডের কারাগারে অনেক রকমের অভিনব নিয়ম প্রচলিত। যেমন, ওটাহো কারেকসন ফ্যাসিলিটি কারাগারটিতে বন্দীদের দেখতে আসা প্রত্যেককে প্রথমে এক্সরে মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এরপর তাদের বন্দীদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়। পুরো কারাগারটি মাইক্রোয়েভ তরঙ্গ দিয়ে সেন্সর করা। বন্দীদের কারাগার পরবর্তী জীবনে স্বাভাবিক জীবনযাপনের সামর্থ্য অর্জনের দিকেও দেয়া হয় বিশেষ নজর। প্রত্যেক বন্দীর জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা কক্ষ এবং তাদের প্রত্যেককে রান্না, টুকিটাকি যন্ত্রপাতির কাজ এবং ডেইরি ফার্মের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ফলে কারাবন্দী জীবন হয়ে ওঠে দারুণ শিক্ষামূলক।

লুক্সেমবার্গ: কয়েদির সংখ্যা হাজার পেরোয়নি যেখানে!

ইউরোপ মহাদেশের একটি ক্ষুদ্রায়তন রাষ্ট্র লুক্সেমবার্গ। পৃথিবীর অন্যতম ধনী রাষ্ট্রও বটে। দেশটির রাজধানীর নামও লুক্সেমবার্গ। এ দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত। দেশটিতে জনসংখ্যা পাঁচ লাখের কিছু বেশি। তবে দেখার বিষয় হচ্ছে, এই দেশটিতে অপরাধীর সংখ্যা সাতশ জনেরও কম। বোঝাই যাচ্ছে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রবণতা একদম তলানিতে ঠেকতে চলেছে শীঘ্রই।

তবে দেশটিতে অপরাধী কম হলেও রয়েছে অসংখ্য কারাগার। অবশ্য বেশিরভাগ কারাগারেই কয়েদির সংখ্যা হাতেগোনা। কয়েদি না থাকার কারণে দেশটির আদালত ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কারাগার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। আর এভাবে অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড হ্রাস পাওয়ার প্রবণতায় ধীরে ধীরে কমছে দেশটির কারাগারের সংখ্যা।

লিশটেনস্টাইনঃ প্রত্যেক কয়েদি যেখানে একটি করে কারাগারের মালিক!

মধ্য ইউরোপের একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র লিশটেনস্টাইন। এটি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্রগুলির মধ্যে একটি। দেশটির মোট আয়তন মাত্র ১৬০ বর্গকিলোমিটার। প্রায় ৩৪ হাজারের মতো লোক বাস করে এই দেশটিতে। এই দেশটির অপরাধীর সংখ্যা আপনাকে অবাকই করবে। এই দেশটিতে মাত্র ১৯ জন অপরাধীর খোঁজ পাওয়া গেছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের ” US State Dep’t human rights report” এ বলা হয়েছে। আর এই অপরাধীরা শুধু মাদকাসক্তির অভিযোগে কারাগারে রয়েছে। অন্য কোন ক্ষেত্রে দেশটিতে অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ক্ষুদ্র জনসংখ্যার এই দেশটিতে যেখানে অপরাধীর সংখ্যা মাত্র ১৯ জন; সেখানে কারাগার রয়েছে ২০টি! অর্থাৎ হিসেব করলে দেখা যাচ্ছে যে গড়ে প্রত্যেক অপরাধীর জন্য একটি করে কারাগার বরাদ্দ করলেও আরো একটি কারাগার সম্পূর্ণ ফাঁকা পড়ে থাকছে!

কয়েদি না থাকার কারণে দেশটিতে ৬টি কারাগার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শেষ কথা

বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো যেখানে অতিরিক্ত কয়েদির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বিভিন্ন দেশে কয়েদির অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কারাগার! ব্যাপারটা অবাক করাই বটে। প্রকৃতপক্ষে, সেসব দেশে কয়েদিদের সাজা প্রদান নয়, বরং সংশোধনের দিকেই বেশি মনোযোগ দেয়া হয়। আইনের যথাযথ প্রয়োগের ফলে এক দিকে যেমন অপরাধ প্রবণতা দিন দিন কমছে, তেমনি ভাবে কারাদণ্ডের বদলে জরিমানা ও বিভিন্ন বাধ্যতামূলক সামাজিক কর্মকাণ্ডকে ‘সাজা’ হিসেবে বিবেচনা করায় কারাবন্দী কয়েদির সংখ্যা দিন দিন কমছে, উন্নত হচ্ছে মানবাধিকার পরিস্থিতি।

বন্দিত্ব সর্বদাই মানবাধিকারের জন্য হুমকি। ফলে বিভিন্ন দেশে কয়েদির সংখ্যা কমা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক খবর। বাংলাদেশেও এরকম দিন খুব দ্রুতই চলে আসবে, সেই আশা তো আমরা রাখতেই পারি। আর যাই হোক, আশা করতে তো আর পয়সা লাগে না, তাই না!

রেফারেন্স

https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2

https://www.weforum.org/agenda/2018/02/netherlands-prisons-now-homes-for-refugees/

https://www.stuff.co.nz/national/politics/107556399/prison-population-drops-by-seven-per-cent-in-six-months-system-crisis-averted

http://www.prisonstudies.org/country/luxembourg

http://www.prisonstudies.org/country/liechtenstein


 

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author
Tazrian Alam Ayaz
এই লেখকের অন্যান্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?