জানা অজানার মাউন্ট এভারেস্ট

February 6, 2019 ...

এভারেস্ট নিয়ে তো ছোটবেলা থেকেই আমরা কমবেশি অনেক কিছুই জানি। সেই ক্লাস টু-থ্রিতে বাংলা বইয়ের পাতায় এভারেস্টের সাথে আমাদের পরিচিতি হয়েছে। স্যার জর্জ এভারেস্টের নামের সাথে মিল রেখে এভারেস্টের নামকরণ থেকে শুরু করে শুনেছি শেরপা তেনজিং নোরগে আর স্যার এডমুন্ড হিলারির বিশ্বজয়ের গল্প। শুনতে হাস্যকর শোনালেও সত্যিটা হলো, ছোটবেলা থেকে এভারেস্ট সম্পর্কে শুনলেই মনে হতো খুব লম্বা আকাশচুম্বী একটা বরফখন্ড, হিমশীতল পরিবেশে যাকে জয় করা প্রায় অসম্ভব ! কিন্তু আজকাল কিন্তু এভারেস্ট এর চূড়ায় পা রাখা খুব স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, চূড়ায় কে পা রাখলো না রাখলো তার হিসাব না রেখে কত বার পা রাখলো তা নিয়ে চলছে খুব বড়সড় একটা প্রতিযোগিতা। আমাদের দেশ থেকেও কিন্তু কয়েকজন এভারেস্ট জয় করে এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছে সর্বপ্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করা মুসা ইব্রাহীম। আমাদের দেশের মেয়েরাও কিন্তু খুব পিছিয়ে থাকেনি নিশাত মজুমদারের কল্যাণে, যিনি প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছেন। ওয়াসফিয়া নাজরীন নামক আরেক বাংলাদেশী নারী তো রীতিমত বিশ্বরেকর্ড করে ফেলেছেন। তিনি পৃথিবীর ৭টি মহাদেশের সর্বোচ্চ ৭টা শৃঙ্গই জয় করে ফেলেছেন মাত্র ৩৩ বছর বয়সে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের একমাত্র নারী হিসেবে পরপর দুটি পুরস্কার- “National Geography Adventurer of the Year 2014-2015” এবং “National Geography Emerging Explorer 2016” পুরষ্কার দেশে নিয়ে এসেছেন।

এ তো গেলো এভারেস্ট জয় করার কিছু খবরাখবর। তবে যাকে নিয়ে মূল আকর্ষণ, সেই মাউন্ট এভারেস্টও কিন্তু অনেক বিচিত্রতায় ভরপুর। একে একে মাউন্ট এভারেস্টের কিছু অজানা বিচিত্র তথ্য জেনে নিলে কেমন হয়?

এক:

শুরু করা যাক একটা ভুল ধারণা দিয়ে। আমি কাছের মানুষদের মধ্যে অনেকের কাছেই শুনেছি যে, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পর্বত হলো হিমালয় পর্বত। এ ধারণাটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল। কেননা, হিমালয় কোনো একক পর্বত না বরং এটি হলো বৃহৎ কয়েকটা পর্বতের সমষ্টিতে গড়ে ওঠা একটি এলাকা। ভারতীয় উপমহাদেশকে তিব্বতিয়ান মালভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে এই বিশাল হিমালয়ের এরিয়া।

(Souce: jimblockphoto.com)

হিমালয় পর্বতমালায় রয়েছে ১৫০টিরও বেশি ছোট-বড় পাহাড়পর্বত। তন্মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো মাউন্ট এভারেস্ট (২৯,০২৯ ফুট/৮,৮৫০ মিটার উচ্চতা), এর পরপরই রয়েছে কাঞ্চনজংগা, মাকালু, রয়েছে অন্নপূর্ণা ১,২ ইত্যাদি। হিমালয় পর্বতমালায় সবচেয়ে ছোট পর্বতটি হলো মাউন্ট কৈলাশ (২১,৭৭৮ ফুট/৬,৬৩৮ মিটার উচ্চতা)। তাই পরেরবার যদি কেউ হিমালয়কে সর্ববৃহৎ পর্বত বলে অবহিত করে, তাহলে তাদের ভুল শুধরে দিতে দেরি করোনা কিন্তু।

দুই:

আমাদের মনে হতে পারে, যেহেতু এভারেস্ট সর্ববৃহৎ শৃঙ্গ, সুতরাং এটি আহরণ করাও সর্বাধিক বিপদজনক। এখানে একটা মজার তথ্য হলো, অন্য কয়েকটি পর্বতের তুলনায় এভারেস্ট আহরণে মৃত্যুর হার কিন্তু অনেকটা কম। হিমালয়ের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ পর্বত হলো কেটু, কেউ কেউ বলে মাউন্ট গডউইন অস্টেন। এই পর্বত আহরণে মৃত্যুর হার হলো ২৬ শতাংশ, যেখানে এভারেস্টের ক্ষেত্রে এই পরিসংখ্যান হলো মাত্র ৪ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট কিছু পর্বতও এভারেস্টের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি প্রাণনাশের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, যেমনটা হয়েছে অন্নপূর্ণা ১ এর ক্ষেত্রে। অন্নপূর্ণা ১ এভারেস্টের তুলনায় প্রায় ২৫০০ ফুট ছোট হওয়া স্বত্বেও এখানে মৃত্যুর হার এভারেস্টের প্রায় সাড়ে আটগুণ বেশি !

তিন:

আমরা কিন্তু ইচ্ছা করলেই বাক্সপেটরা গুছিয়ে তিব্বতে ল্যান্ড করেই এভারেস্টের চূড়ার দিকে হাঁটা শুরু করে দিতে পারবো না। নির্দিষ্ট অনুমোদন তো দরকারই, সঙ্গে রয়েছে জলবায়ুর সাথে একটা ভালো খাতির গড়ে তোলার ব্যাপারটাও। তিব্বতের আবহাওয়া খুব বৈরি বলাই চলে। বছরের অর্ধেকের বেশি সময়ে মাইনাসের নিচে থাকা প্রচন্ড ঠান্ডা আবহাওয়ায় কিংবা ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার বাতাসে জর্জরিত থাকে তিব্বত, বাকিটা সময় থাকে সামান্য উষ্ণ তাপমাত্রায় থাকে বরফ গলে পড়ার ভয়। মে মাসের ১৫ থেকে ২৫ তারিখ, এই ১০ দিনের মত সময় এভারেস্ট আহরণের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। কিন্তু বেস ক্যাম্পিংয়ের শুরুটা করতে হয় মার্চ-এপ্রিল থেকেই। কেননা হিমালয়ের আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়াতে ২-১ মাস লেগে যেতে পারে। নতুবা দেখা যাবে, অর্ধেক পথ যেতে না যেতেই সর্দি-কাশিতে জর্জরিত হয়ে বাড়ির আঙিনার দিকে রওনা দিতে হবে।

R97Tkv02qVzfn0clan4jq11TfRsc4r UwYM72zlAq L PrsDMb3nA9nxEDkthWj 6iC3o8qEh1XurSUVMh2A6GI1AHN1BLvau9I0Ez59Qgm7Xdmj1HOt3B ueM DQYNCEH1mGzo8
(Source: The Longest Way Home)

চার:

শুধুমাত্র ইচ্ছা আর চেষ্টা থাকলেই চলবে না, মাউন্ট এভারেস্ট চড়তে হলে মোটা অঙ্কের কিছু টাকাও সঙ্গে রাখা বাঞ্ছনীয়। এভারেস্ট অভিযানের জন্য প্রত্যেক জনপ্রতি গড়ে প্রায় ৪০ হাজার ডলার, বাংলাদেশী টাকায় যা প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। অঙ্কটা বেড়ে অনেক সময় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলারে (১ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা) গিয়ে দাঁড়ায়। টাকার অঙ্কটা যতই বাড়বে, সেখানকার ক্যাম্পিংয়ে ততই সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে। একাধিক রুমের তাঁবু, ডাইনিং, সৌর বিদ্যুৎ, হট শাওয়ার, ব্যাক্তিগত ডাক্তার এমনকি তোমার জন্য থাকবে ওয়াইফাইয়ের সুব্যবস্থাও।

পাঁচ:

যারা নেপালে পর্বতশৃঙ্গের গাইড হিসেবে কাজ করে তারাই মূলত শেরপা। তোমরা শেরপাকে কারোর নাম হিসেবে মনে করো না আবার, বরং এটা একটা উপাধিসরূপ। একটা চমকে দেয়া তথ্য হলো, শেরপাদের দেহের ফুসফুস স্বাভাবিক ফুসফুসের তুলনায় অনেক বড় হয়ে থাকে। জন্ম থেকেই কিন্তু এমনটা হয় না তাদের। তারা হিমালয়ের অক্সিজেন স্বল্প জায়গায় থাকতে থাকতে তাদের দৈহিক বিভিন্ন পরিবর্তন হয়েছে। তাদের হাত-পা আর ১০জন মানুষের মত নয়। একটা লোককাহিনী রয়েছে শেরপাদের সম্পর্কে আর সেটা হলো, শেরপাদের দেহের মধ্যে বিশেষ তাপমাত্রা শোষণ ক্ষমতা বা হিট এবজর্বেন্স রয়েছে, যার কারণে তাদের দেহের তাপমাত্রা সর্বদা উষ্ণ থাকে। অনেকের মতে, শেরপারা নাকি দেহের তাপমাত্রা বাড়াতে কমাতেও পারে।

ছয়:

CQ134GXBBrbvIid8Md1jRw1JC MrDHZjjaxkE4VKl5i6d5tefKShoWF8I bJE fWN4amU0OAZfx7uauyzyfOukr4m5kn2SMMBeZVlDVBQ
(Source: hikebiketravel.com)

এভারেস্টের পাহাড়ি উঁচু নিচু পথে বেস ক্যাম্পের পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকলে সুতোয় বাঁধা এরকম রংবেরঙয়ের ছোট ছোট কাপড় ঝুলতে দেখা যায়। শুধু এভারেস্ট কেনো, আজকাল বিভিন্ন পাহাড়ি জনপদেই এই দৃশ্য চোখে পড়ে। আগে ভাবতাম, এগুলো হয়তো পাহাড় ঘেরা পথের সাজসজ্জার একটা অংশ। কিন্তু কিছুদিন রিসার্চ করে জানতে পেলাম যে এগুলো মূলত “Prayer Flag” । ফ্রান্সের সেই ব্রিজটির নাম শুনেছে অনেকেই, যেখানে প্রেমিক-প্রেমিকারা নিজেদের ভালবাসার মঙ্গল কামনা করে ব্রিজে তালা লক করে এবং সেই তালার চাবি ব্রিজের নিজের পানিতে ফেলে দেয়। প্রেয়ার ফ্ল্যাগের ব্যাপারটাও কিছুটা এরকম, যদিও অনেকটাই ভিন্ন। এভারেস্ট আহরণের পূর্বে অভিযানে আসা ব্যক্তিরা নিজেদের মঙ্গল কামনা করে সুতোয় রঙিন কাপড় বেঁধে আসে। স্থানীয়রা বিশ্বাস করে, এই প্রেয়ার ফ্ল্যাগগুলো বাতাসে ওড়ার সাথে সাথে এভারেস্ট আহরণকারীদের শুভকামনাগুলোও বাতাসে ভেসে বেড়াবে এবং সকলের মঙ্গল হবে। জিনিসটার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা না থাকলেও নেপালের পাহাড়ি সংস্কৃতিরই একটা অংশ এটি। অনেকে এই প্রেয়ার ফ্ল্যাগ নিজের ব্যাগপ্যাকেও রেখে দেয়, যেন যাত্রাপথের পুরোটা সময় তার প্রার্থনা সঙ্গে থাকে। এভারেস্ট অভিযানের পূর্বে অনেকে বিশেষ প্রার্থনায়ও অংশ নেয়, যেখানে স্থানীয়রা তাদের পর্বত দেবতার কাছে শান্তিপূর্ণ অভিযান কামনা করে থাকে।

সাত:

আমরা অনেক সময় খবরের কাগজে দেখতে পাই “স্বল্পমূল্যে বিদেশ ভ্রমণ/সহজেই স্টুডেন্ট ভিসা”–র মত কিছু খবর। ২-১টা বাদে এসবের বেশিরভাগই হলো কিছু প্রতারকের অসৎ উপায় অবলম্বন করে মানুষের কাছে থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার পন্থা। এভারেস্ট চড়ার পূর্বেও এমন অনেক দালালের আগমন ও তাদের লোভনীয় সব অফারের দেখা পাওয়া যায়। অনেক স্থানীয় চাইনিজ-নেপালিজ এজেন্সি ১০-২০ হাজার ডলারের বিনিময়ে ট্যুরিস্টদের এভারেস্টে “বাজেট ভ্রমণ” এ নিয়ে যায় । এসব এজেন্সিতে থাকেনা সুষ্ঠ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা, নেই কোনো নিরাপত্তার গ্যারান্টি। একটা গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৬-১৭ সালে প্রতি ১০ জন নিহতদের মধ্যে ৭ জনই হলো এই বাজেট ভ্রমণের ভুক্তভোগী। এসব স্বল্পমূল্যের অভিযানের কারণে অনেক অনভিজ্ঞরাও এভারেস্টের চূড়ার পথে পা বাড়ায়। তারা যে শুধু নিজেদের বিপদ ডেকে আনে তা কিন্তু নয়। ২৩ হাজার ফুট উচ্চতার বেস ক্যাম্পে পর থেকে আস্তে আস্তে এভারেস্টের বুকে হিউম্যান ট্রাফিকিং বাড়তে থাকে, কেননা এই উচ্চতায় এভারেস্টের চূড়ান্ত শৃঙ্গে যাওয়ার পথ অনেকটা সরু হতে থাকে। এই সময় কোনো ব্যক্তির বিন্দুমাত্র অনভিজ্ঞতা বয়ে আনতে পারে হাজারো স্বপ্নের মৃত্যুর ঘন্টা। তাই অভিজ্ঞদের মতে, প্রায় ৯ হাজার ফুট উচ্চতায় পাড়ি দেয়ার জন্য ব্যয়বহুল অভিযান অনেকটাই নিরাপদ।

এভারেস্ট সম্পর্কিত আরো কিছু মজার তথ্য হলো-

  • এক বছরে শেরপা মৃত্যুর হার গোটা ইরাক অভিযানে আমেরিকান সেনা মৃত্যুর হারের ১০ গুন।
  • কোনো সাধারণ ব্যক্তিকে হুট করে এভারেস্টের চূড়ায় নিয়ে যাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে ওই ব্যক্তি অক্সিজেন সংকটে মারা যাবে।
  • মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানে মাত্র ৩মাস ট্যুরিস্ট গাইড করে একজন শেরপা আয় করেন প্রায় ৫০০০ মার্কিন ডলার, যেখানে নেপালে একজন নাগরিকের বাৎসরিক গড় আয় মাত্র ৮৩৫ মার্কিন ডলার।
  • ২৩,৫০০ ফুট/৭,১৬৩ মিটার উচ্চতার বেস ক্যাম্প পৌঁছানোর পর থেকে অভিযানে আসা প্রত্যেককে নিজস্ব অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয়। এসব সিলিন্ডারজাত অক্সিজেন মাত্র ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়। তাই এভারেস্টের চূড়া অব্দি যেতে প্রত্যেকের কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। এখানে একটি তথ্য জানিয়ে রাখা ভাল, ২০০ জন পর্বতারোহী বাড়তি কোনো অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়াই বিশ্বের সর্বোচ্চ জয় করেছেন। কিন্তু এমনটা করতে সকলকেই নিরুৎসাহিত করে নেপাল পর্যটন ব্যবস্থা।
9Hdduyp3wsRL b5KN9jaU6EXFWgmxp pyufFQY1DQ7bWbyuSlfBiBuRQ3tItaqjx8sfzefWW1jEJjuJJNTLrf ZNz3l9xVgEVhpYiiP 9QvdwEwU7teLe4v0namijEsaB
(Source: snowbrains.com)
  • এভারেস্টের ২৯,০২৯ ফুট উচ্চতা যদি তোমার কাছে কেবলই আর ১০টা সংখ্যার মত মনে হয় তাহলে বলে রাখি, একটা যাত্রীবাহী বোয়িং ৭৪৭ যে উচ্চতা দিয়ে সাধারণত উড়ে চলে, ঠিক সেই উচ্চতার সমান এই অতিকায় মাউন্ট এভারেস্ট !
1u2N6typz5tQCY2aurhGMFL0K6F F42XcN0pttzYNVKLJCcNn2gNAzSV5PXwA8PI7 a4qR0djGFnsVtVaD2wlR7ikQtb8bqKST9sFN WNDtPU8qu2mifDyJymElqEncakjeMwY9A
(Souce: IMDB)

জীবনের কোনো এক সময়ে পৃথিবীর চূড়ায় ওঠার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ব্যাগ নিয়ে তিব্বতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার আগে এভারেস্টের বিচিত্রতাপূর্ণ এই লেখাটা আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিও কিন্তু। আপাতত এই শীতের কনকনে ঠাণ্ডায় ঘরে বসে এভারেস্টের স্বাদ নিতে চাইলে দেখে নিতে পারো জেসন ক্লার্ক, রবিন রাইট, জশ ব্রলিন, কিরা নাইটলি, স্যাম ওয়ারদিংটন, জেইক জিলেনহ্যাল এর মত তারকাদের অভিনীত সত্যি ঘটনার অবলম্বনে অনবদ্য এক চলচ্চিত্র “এভারেস্ট।”

সূত্র:

https://www.youtube.com/watch?v=yU2kANHyF1w

https://www.independent.co.uk/environment/nature/conquering-everest-60-facts-about-the-worlds-tallest-mountain-8632372.html

https://www.tripsavvy.com/little-known-facts-about-mt-everest-4136176


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

 

আপনার কমেন্ট লিখুন