Inktober : কালির রাজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ

Keka, a girl who loves kacchi and dreams big through her thick pair of glasses.

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

.

গেলো দুইদিন আগে আমার এক বন্ধুর জন্মদিন ছিল। আমার একদম পিচ্চিকালের বন্ধু না। এইতো চার কি পাঁচ বছর হলো বন্ধুত্বের। ঠিক হিসাব নেই। আজকাল কে আর এত কিছু হিসেব রাখে? ফেসবুকের কল্যাণে প্রতিবছরই একটা নির্দিষ্ট দিনে জানতে পারি কত বছর হলো বন্ধুত্বের। তো যাক গে, বন্ধুটি হচ্ছে আমার এমন বন্ধু যাকে জন্মদিনে কিছু একটা গিফট না দিলে মনটা খচখচ করে, যার জন্মদিন সেলিব্রেট না করলে নিজেরই মন খারাপ হয়ে যায়। সোজা কথায় সে আমার অনেক অনেক কাছের বন্ধু।

কাছের বন্ধুদের জন্মদিন মানেই নানারকম চিন্তাভাবনা। কী গিফট দিব, গতবছর কী দিয়েছিলাম, এইবার তার কী দরকার, কী দিলে সে সবচেয়ে বেশি খুশি হবে, আমার বাজেট কত রাখতে হবে এবং আরো আরো অনেক ভাবনা। তবে এই ক্ষেত্রে আমি অনেক আরামেই থাকি বলা যায়। আমার বন্ধুটির ডিমান্ড সারাজীবন একরকমই থাকে। ওর হাতে যদি একটা জলরং এর বক্স ধরিয়ে দিই কিংবা এক্রিলিক কালারের বক্স তাহলেই সে খুশিতে আটখানা হয়। সেইগুলো নিয়েই মন দিয়ে নিজের খাতায় আঁকাআঁকি করতে থাকে। তাই বুঝতেই পারছো ওর ঝোঁক কোন দিকে। কার্টুনিস্ট হওয়ার বড় শখ ছেলেটার। ও আচ্ছা, আমি তো আমার বন্ধুটির নামই বললাম না! নাম হল ফাফ। আসলে আমি ফাফ ডাকি। অনেক বড় নাম তো তাই।

এই বছর আমি একটু ভিন্ন কিছু দিতে চাচ্ছিলাম ওকে। গতবছর দিয়েছি হ্যান্ডমেড স্কেচবুক। ঐ স্কেচবুকের পেপারে নাকি জলরং করলে অনেক বেশি ভালো হয়। যাই হোক, অতশত বুঝি না আমি। অতশত বুঝি না বলেই বিপদে পড়েছি এবার। কোনো বছর তুলির সেট, কোনো সময় রং এসব দিতে দিতে এবার গিফট সংকটে পড়েছি আমি। কী দেবো, কী দেবো মাথাতেই ঢুকছিল না। তাই এবার একটা ফন্দি বের করলাম। সেটা ধীরে ধীরেই বুঝতে পারবে। আগে এবারের জন্মদিনের কাহিনীটা বলে নিই।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

২.

“এত্ত দেরি কেন করলি!” বড়সড় একটা ধমক দিয়ে সেদিনের কথা শুরু করলাম।

আমতা আমতা করে ফাফ বলল, “ইয়ে দোস্ত সরি। আসলে হয়েছে কী…”

আমি কথা না শুনেই একটা রিকশা ডাকলাম। এমনেও পুরো এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে আছে।

উঠে পড়লাম দুইজন। কোথায় যাচ্ছি শুধু আমি জানি। নিউমার্কেট। ফাফের জন্য গিফট কিনব। কী কিনব সেটা এখনো জানিনা। এমনকি কোন দোকানে যাব সেটাও জানিনা। আশা করি রিকশা চড়তে চড়তে ফাফ নিজেই আমাকে একটা আইডিয়া দিয়ে দেবে।

রিকশায় একটু নড়েচড়ে বসতেই দেখি ফাফের হাতে, শার্টে, প্যান্টে লম্বা লম্বা কালো কালো দাগ। এত মেজাজ খারাপ হলো! ছেলেটা জানে আমার শুচিবাই আছে তারপরো এতো বেখেয়াল কেমনে হয়? আরেকটা ধমক দিয়ে বললাম, “এসব কী?”

খুব ভাব নিয়ে ফাফ উত্তর দিলো, “দোস্ত, দাগ থেকে যদি ভালো কিছু হয় তবে দাগই ভালো না?”

অধৈর্য হয়ে আমি বললাম, “উফফ তোর এসব কথাবার্তা বুঝিনা আমি। সোজাসাপ্টা বল না।“

“সামনে অক্টোবর মাস আসছে। ভুলে গেলি? তাই নিজের ইংকিং স্কিল ঝালাই করে নিচ্ছি! পুরো অক্টোবর মাস জুড়েই তো চ্যালেঞ্জ আমার জন্য!” মুচকি হেসে বলল ফাফ।

“ওহ Inktober!” উত্তেজিত হয়ে বললাম।

গতবছর থেকে ফাফ Inktober করে। অক্টোবর মাসে প্রতিদিন একটা একটা করে ছবি এঁকে আপলোড দিত ইন্সটাগ্রাম এবং ফেসবুকে। অবাক হয়ে যেতাম। কালি ব্যবহার করেও কত সুন্দর আঁকা যায়। এই Inktober নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল বেশ। তাই সুযোগ বুঝে ফাফ থেকে ব্যাপারটা জেনে নিলাম। ঢাকার বিখ্যাত জ্যামে বসে শুরু হলো আমার প্রশ্নোত্তর পর্ব।

৩.

আমি :  আচ্ছা তুই আমাকে Inktober ব্যাপারটা নিয়ে একটু বুঝিয়ে বল তো।

logo_1.png

ফাফ : Inktober হচ্ছে ইংক প্লাস অক্টোবর। মানে পুরো অক্টোবর মাসজুড়ে শুধু ইংক দিয়ে আঁকতে হবে। তোর আঁকার মধ্যে মূল মাধ্যম হতে হবে কালি। এছাড়াও তুই কলম, মার্কার, পেন্সিল, ব্রাশ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারিস। অক্টোবর মাসের প্রতিদিনই তোকে নতুন নতুন কিছু আঁকতে হবে ইংক দিয়ে। এটা একটা চ্যালেঞ্জ।

আমি : কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই চ্যালেঞ্জটা আসলো কীভাবে? মানে হুট করেই তো সবাই একসাথে শুরু করে দেয়নি। কে প্রথম চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল? আমি জানতে চাচ্ছি শুরুটা কখন এবং কিভাবে?

ফাফ : এই চ্যালেঞ্জের শুরু হয়েছিল ২০০৯ এর অক্টোবরে। জেক পার্কার নামে একজন ব্যক্তি সেটা চালু করেছিলেন। উনি হচ্ছেন আরেক কুল ব্যক্তি। মূলত তিনি একজন ইলাস্ট্রেটর এবং কার্টুনিস্ট। অনেক কমিক বই বের হয়েছে তাঁর। তো তিনিই Inktober চ্যালেঞ্জের স্রষ্টা। তিনি এটা চালু করেছিলেন যাতে করে ইংকিং স্কিল, ড্রয়িং স্কিল বাড়ে। এবং অবশ্যই এই চ্যালেঞ্জ মানুষকে অনেক সৃজনশীল হতে সাহায্য করে। তুই উনার ওয়েবসাইটে গেলেই অনেক কিছু জানতে পারবি। শুধু সেটা না উনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অনেক ভিডিও আপলোড করেন। আঁকাআঁকি নিয়ে। https://www.mrjakeparker.com )

headshot_0426bce9-ebf7-4fbc-9486-b44879cef2db.png

জেক পার্কার

আমি : পুরো মাস মানে তো অনেকদিন তাই না! এর উপর ৩১ দিনে শেষ হয় অক্টোবর মাস। তো পুরো ৩১টা দিনব্যাপী প্রতিদিন ইংক ব্যবহার করে আঁকলেই চ্যালেঞ্জ কমপ্লিট হয়? তাহলে তো কিছুটা সহজই আছে আর্টিস্টদের জন্য। কী বলিস?

ফাফ : (হাসল) আরেহ না না। সেখানেই তো টুইস্ট। অনেক আর্টিস্টই বলেন যে তারা আঁকার চেয়ে কী নিয়ে আঁকবেন সেটা নিয়েই অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন। বলতে গেলে সেখানেই চ্যালেঞ্জের আসল মজাটা হয়। প্রতিবছর জেক পার্কার সেপ্টেম্বর মাসের দিকেই Inktober চ্যালেঞ্জের ঘোষণা দিয়ে দেন। সাথে সাথে একটা লিস্ট দিয়ে দেন। যেটাকে বলে prompt list.  সেখানে ৩১ দিনের জন্য ৩১টা prompt দেওয়া থাকে। যেমন ধর, গত বছর এক তারিখ বা এক অক্টোবরের জন্য ছিল swift. তো সব আর্টিস্টরা এমন সব জিনিস এঁকেছেন যেখানের মূল বিষয় Swift.

2017promptlistsm02.png

আর জানিস? মূল চ্যালঞ্জটা যেমন নির্দিষ্ট একটা বিষয়কে মাথায় রেখে কী আঁকব সেটা ঠিক করা, তেমনি পুরো Inktober চ্যালেঞ্জের আসল সৌন্দর্যও কিন্তু সেখানে। এখন তো সারাবিশ্বের হাজার হাজার আর্টিস্ট এই চ্যালেঞ্জে অংশ নেয়। তাই বৈচিত্রটাও চোখে পড়ার মত। মানুষ যে নিজের সৃজনশীলতাকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে তা দেখলে হা হয়ে যেতে হয়। হিউম্যান ব্রেইন বড়ই অদ্ভুত জিনিস। কী বলিস?

সুযোগ বুঝে কথার মাঝখানে দুইএকটা ধার করা দার্শনিক কথাবার্তা ঢুকিয়ে দেওয়া ফাফের পুরোনো অভ্যাস। সেটার দিকে অত খেয়াল না দিয়ে আমি আরো প্রশ্ন করেই চলেছি। জ্যাম ছেড়েছে। রিকশার গতিও বাড়া শুরু করল আমার প্রশ্ন করার গতির সাথে তাল মিলিয়ে।

ফাফ : আচ্ছা, শুন। এইবার আমি তোকে  একটা প্রশ্ন করি। বল তো, কেন অক্টোবর মাসই বেছে নিলেন জেক পার্কার?

আমি : কারণ অক্টোবর মাসে আমার জন্মদিন! হিহিহিহি!

ফাফ : উফফ! ফাজলামো রাখ তো! (ধমকের সুরে)। আচ্ছা আমিই বলছি শুন। তেমন কোনো বড়সড় কারণ বা গল্প নেই এর পিছনে। ইঙ্ক কথাটার সাথে অন্য কোনো মাস যোগ করলে কেমন জানি অদ্ভুত শুনায়। খেয়াল কর!

আমি : আরে তাই তো! Ink+January/February = Inkary, Ink+March =Inkch ,Ink+April = Inkril, Ink+May = Inkay, Ink+June = Inkune, Ink+July = Inkly, Ink+August = Inkgust

ফাফ : শুধুমাত্র “ber” যেগুলোতে আছে সেগুলোতে মানায়। তাই অক্টোবর।

[tmsad_ad type=”video”]আমি : ঐ, তাহলে সেপ্টেম্বর কী দোষ করল?

ফাফ : সেপ্টেম্বর, নভেম্বর, ডিসেম্বর এই তিনমাসের শেষে “ember” আছে। তাই যদি ইঙ্ক লাগাই , Ink+ September/November/December = Inkember ; তাহলে সেটা কোন মাস বুঝাই যাবে না! বাকি রইল, অক্টোবর।

আমি : ইয়েস। আমার জন্ম মাস।

ফাফ : লাকিলি এইমাসে জন্মাইলি বলে ভাবটা নিয়েই নিলি।

আমি : সবই তো বুঝলাম। কিন্তু এত মানুষ যে চ্যালেঞ্জ এক্সেপ্ট করেছে এবং তাদের সবাই যে মাসব্যাপী আঁকছে এটা জানা যায় কিভাবে?

ফাফ : সোশাল নেটওয়ার্ক কী জন্য আছে?! আরে, একটা চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করা হলো অথচ সেটার কোনো নিয়মাবলি থাকবেনা? অবশ্যই থাকে।এরক্ষেত্রেও আছে। এই চ্যালেঞ্জের চারটা রুল আছে।

প্রথমত, ইংক দিয়ে ড্রয়িং করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, অনলাইনে পোস্ট করতে হবে সেটি। এক্ষেত্রে যেকোনো সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার পোস্ট করা যাবে। তবে

তৃতীয়ত, অবশ্যই পোস্ট করার সময় হ্যাশট্যাগ দিয়ে Inktober লিখতে হবে।

চতুর্থত, উপরের তিনটা রুল অক্টোবর মাসের প্রতিদিন মেনে চলতে হবে। যেদিন যে বিষয় নিয়ে থাকে সেদিন সে বিষয় নিয়ে পোস্ট দিতে হবে। এর আগে বা পরের দিন দেওয়া যাবেনা।

official rules.png

তবে আরেকটা জিনিস করলে ভালো যেটা প্রায় সব আর্টিস্টরাই করে। ছবি অনলাইনে পোস্ট করার সময় একটা ভালো ক্যাপশন লিখা। মানে বিষয়টার উপর ভিত্তি করে যেটা আঁকা হলো সেটা কেন সেদিনের বিষয়টার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সেটা সুন্দর করে বিশ্লেষণ করা।

কারণ এখন অনেকেই বিষয়গুলোর সাথে মিল রেখে একটা থিম সেট করে। যেমন আমি গতবছর করেছিলাম, কমিক। তাই  যেসব কমিক চরিত্র বিষয়ের সাথে মিলে সেগুলোই এঁকেছিলাম। জানিস, বাংলাদেশে না এখন অনেক আর্টিস্ট inktober করে। ওদের কাজ দেখলে পুরো হাঁ হয়ে যাবি।

আমি : আচ্ছা এতকিছু যে আঁকাআঁকি করতে হবে এর জন্য কি কোনো স্পেসিফিক কলম, কালি বা সরঞ্জাম লাগে না?

ফাফ : অবশ্যই লাগে! সবার আগে লাগে ইংক! নানানরকমের ইংক আছে। তাছাড়া কিছু কলম, ব্রাশ এসবও লাগে। তবে আমি বলব সবার আগে লাগবে একটা সুন্দর স্কেচবুক। তারপর  যারা একদম নতুন তারা প্রথমে পেন্সিল দিয়ে ড্রয়িং করে নিতে আরে। সেক্ষেত্রে ভালো পেনসিল ও জরুরী। স্কেচ পেন্সিল।

এছাড়া লাগে, কপিক মার্কার, কপিক মাল্টিলাইনার, জেব্রা পেন, নাইলন ব্ল্যাক পেন, তুলি, সাদা ইংক, সাদা প্রিজমা পেন্সিল ইত্যাদি। আমার মনে হয় তুই যদি জেড পার্কারের ওয়েবসাইটে যাস তাহলে আরো ডিটেলস জানতে পারবি।  (https://www.mrjakeparker.com/inktober-supply-list )

আমি : বাবারে! এসব কোথায় পাওয়া যায় রে? বাংলাদেশের আছে এসব?

ফাফ : (হাসি) ধুর বোকা! কেন থাকবেনা? অনেক কিছুই পাওয়া যায়। নীলক্ষেত এর আর্টের দোকানগুলোতে বা নিউমার্কেটের “ক্যানভাস”, “মর্ডান”, “পূবালি” এসব দোকানে এগুলো বিক্রি হয়। ও আচ্ছা, আজিজ সুপার মার্কেট আছে না? সেখানের ”Grasshoppers” নামের দোকানেও এসবের অনেক সম্ভার আছে।

তবে একটু উন্নত মানের জিনিস চাইলে অনলাইন থেকে অর্ডার করে আনা যায়।

.

আমার প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ বলা চলে। আর আমরাও অনেক জ্যাম ঠেলে নিউমার্কেট চলেই এলাম। ফাফ অবাক হয়ে বলল, “আমরা এইখানে কI করতে আসলাম?”

“এতক্ষণ অনেক বকবক করেছিস। এইবার চুপ!” বলেই আজকের দিনের তৃতীয় ধমকটি দিলাম আমি।

৪.

নিউমার্কেটের একটা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা দুই বন্ধু। বলেছিলাম না ফাফকে গিফট দেওয়ার একটা ফন্দি বের করেছি? আমার প্রশ্ন গুলো আসলে সেটারই অংশ ছিল। প্রশ্নে প্রশ্নেই জেনে গেলাম ফাফের এখন কI দরকার। হাতে একটা ইংকের শিশি ধরিয়ে দিয়ে বললাম, “নে ধর!”

থতমত খেয়ে ফাফ বললাম, “মানে! কেন?”

“আমার এই গিফটটা দিয়েই  Inktober এ আঁকা শুরু করবি। ঠিকাছে?” ছোটখাটো ধমকের সুরে বললাম। চতুর্থ ধমক।

ফাফ পুরো খুশিতে টগবগ করছে। বলল, “ওকে! ঠিকাছে! এই গিফট এবারের বেস্ট গিফট দোস্ত! থ্যাংক্স!”

আমি যথাসম্ভব গম্ভীর ভাব নিয়ে  বললাম, “আর শুন! শুভ জন্মদিন ফাফ।“

পরে অবশ্য হেসে দিলাম।

.

“আচ্ছা ফাফ, আমার জন্মদিনে কী দিবি?”

“কখন জন্মদিন জানি?”

“মানে!!!!”

“একটু আগেই তো বললাম! আজব”

“ওহ! অক্টোবর।“

“কী গিফট দিবি?”

“গিফট কেন দিব?”

“কী? আজব!”

.

এরকম খুনসুটি আমাদের চলতেই থাকে……

তথ্যসূত্র ঃ

১। https://shop.mrjakeparker.com/

২। https://uniball.co.uk/what-is-inktober/


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?