মাথায় কতো প্রশ্ন আসে!

Probably a much better writer(and also an Elven lord) in the Alternative Reality. In this reality, a life explorer pursuing undergrad on "Peace and Conflict Studies" from the University of Dhaka.

১। ইথারনেট কী?

উত্তর: ইথারনেট বলতে সে ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রযু্ক্তিগুলোকে বুঝানো হয় যা ল্যান (LAN) বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং ম্যান (MAN) বা মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। লোকাল নেটওয়ার্কিং এর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতিটি হল ইথারনেট। ইথারনেটে তারের সাহায্যে একাধিক কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয়। এর পোর্টটি দেখতে অনেকটা ল্যান্ড ফোনের পোর্টের মত। তবে ইথারনেট পোর্টটি আকারে আরেকটু বড় হয়।

ইথারনেট যোগাযোগকারী যন্ত্রগুলোর ডাটা প্রবাহকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে যাদেরকে ফ্রেম বলা হয়। প্রতিটি ফ্রেমে থাকে গন্তব্য ও উৎসের ঠিকানা এবং ভুল নিরীক্ষণের ডাটা যাতে ডাটার ক্ষতি নিরূপণ সম্ভব হয় এবং পুনরায় পাঠানো যায়।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য 10 Minute School Skill Development Lab নামে ১০ মিনিট স্কুলের রয়েছে একটি ফেইসবুক গ্রুপ।

২। মানুষ ঘামে কেন? মূলত কী কারণে এটা হয়?

উত্তর: ঘাম একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

যেকোনো কাজ করার সময়ই আমাদের পেশী তাপ উৎপাদন করে। ঘামের মাধ্যমে আমাদের দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক সীমার মধ্যে থাকে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়ে ২৬ লক্ষ ঘামগ্রন্থি থাকে যা প্রায় সবসময় ঘাম নির্গত করে থাকে।

কিন্তু অধিকাংশ সময় আমরা তা লক্ষ্য করি না কারণ ঘাম নির্গমণের সাথে সাথেই বাষ্পীভূত হয়ে যায় অথবা পুনঃশোষিত হয়। ঘাম না হলে খুব কম পরিশ্রমেই আমাদের শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যেত এবং আমাদের দেহের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হত।

৩। কেন কিছু মানুষ তৃতীয় লিঙ্গধারী হিসেবে জন্ম নেয়?

উত্তর: প্রথমে ধরে নিচ্ছি থার্ড জেন্ডার বলতে আপনি Hermaphrodite (হিজড়া)-দের বোঝাতে চেয়েছেন।

এটা এক ধরণের ক্রোমোসোমাল সমস্যা। মানুষের ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে। কিন্তু, কিছু কিছু হিজড়াদের ৪৭ অথবা ৪৫টি ক্রোমোসোম থাকে। তাদের মধ্যে কারো কারো XX এবং XY উভয় সেক্স ক্রোমোসোমই থাকে। তাই তারা পুরুষ এবং নারী- দুই জনেরই যৌনাঙ্গ ধারণ করে।

এখন প্রশ্ন হবে কেন ক্রোমোসোমের নাম্বারের এই সমস্যা?

গর্ভাবস্থায় সাধারণত একটি স্পার্ম একটি ওভামের সাথে মিলিত হয়। কিন্তু, কখনো কখনো দু’টি স্পার্ম দ্বারা নিষিক্ত দুটি ডিম্বাণু একত্রে মিলিত হয়ে যায়। অর্থাৎ, দু’টো কোষ একসাথে ফিউজড হয়ে যায়। এটা ক্রোমোসোমাল সমস্যার অন্যতম কারণ।

আবার কখনো কখনো কোষ বিভাজনকালে ক্রোমাসোমের বিচ্ছিন্ন হবার অক্ষমতার কারণেও ৪৫ অথবা ৪৭ ক্রোমোসোমধারী ব্যক্তির জন্ম হয়। ৩৫+ বয়সে বাচ্চা নিলে এই সমস্যা বেশি হয়। তবে, মনে রাখতে হবে, XY ক্রোমোসোমের সংখ্যার বেমিল হলেই শুধুমাত্র হিজড়া হবে।

৪। কখন  জিন মিউটেশন হয়ে থাকে?

উত্তর: জিন মিউটেশন আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উভয় কারণেই হতে পারে। আভ্যন্তরীণ কারণ হল – ডিএনএ রেপ্লিকেশনের সময় ত্রুটি হওয়া। বাহ্যিক কারণ গুলো হল – তেজস্ক্রিয়তা, অতি বেগুনী রশ্মি ইত্যাদি।

মিউটেশন ডিম্বাণু, শুক্রাণু বা নিষিক্ত জাইগোটে হতে পারে আবার জীবদ্দশায় যেকোনো সময় সোমাটিক সেল বা দেহকোষেও হতে পারে। দেহকোষে হওয়া মিউটেশন পরবর্তী প্রজন্মে বর্তিত হয় না।

৫। শ্রোডিঞ্জারের বিড়ালটা কী?  

উত্তর: বিজ্ঞানী এরউইন  শ্রোডিঞ্জার একটি আবদ্ধ বাক্সের কল্পনা করেন যার ভিতরে একটি বিড়াল (কুকুর, বিড়াল, বাঘ, ভাল্লুক একটা নিলেই হয়), কিছু তেজস্ক্রিয় পদার্থ, একটি তেজস্ক্রিয়তা ডিটেক্টর, একটি হাতুড়ি এবং একটি ফ্লাস্কে কিছু হাইড্রোসায়ানিক এসিড আছে।

বাক্সটা না খোলা পর্যন্ত আমরা কখনই জানতে পারব না বিড়ালটা বেঁচে আছে না মরে গেছে

পুরো ব্যবস্থাটা এমনভাবে প্রোগ্রাম করা যে তেজস্ক্রিয় পদার্থ যখনই বিকিরণ নির্গত করবে তেজস্ক্রিয়তা ডিটেক্টর সেই বিকিরণ শনাক্ত করবে এবং এর সাথে সংযুক্ত হাতুড়িটি ফেলে দেবে যেটা এতক্ষণ ওঠানো ছিল, আর এই হাতুড়ি যেয়ে আবার এসিডের ফ্লাস্ককে ভেঙে ফেলবে।

চল স্বপ্ন ছুঁই!

আমাদের ছোট-বড় অনেকরকম স্বপ্ন থাকে। কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারি কতগুলো?

এই দ্বিধা থেকে মুক্তি পেতে চল ঘুরে আসি ১০ মিনিট স্কুলের এই এক্সক্লুসিভ প্লে-লিস্ট থেকে!

লাইফ হ্যাকস সিরিজ!

হাইড্রোসায়ানিক এসিড বা হাইড্রোজেন সায়ানাইড (HCN) একটি মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থ; ফলে এটি সহজেই বিড়ালটিকে মেরে ফেলতে পারে। সুতরাং, তেজস্ক্রিয় পদার্থ যদি বিকিরণ নির্গত করে তবে বিড়ালটির আর বাঁচার সুযোগ থাকবে না। বাক্সটা বদ্ধ বলে এর ভিতর কী হচ্ছে তা আমরা জানি না। যদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ বিকিরণ নির্গত করে তবে বিড়ালটি মরে যাবে আর যদি না করে তবে বিড়ালটি বেঁচে যাবে।

বাক্সটা না খোলা পর্যন্ত আমরা কখনোই জানতে পারব না বিড়ালটা বেঁচে আছে না মরে গেছে কারণ আমরা জানতেই পারছি না তেজস্ক্রিয় পদার্থটি বিকিরণ নির্গত করছে কিনা। 

তাই বদ্ধ অবস্থায় বিড়ালটা মরেও যেতে পারে আবার বেঁচেও থাকতে পারে অর্থাৎ বিড়ালটার মারা যাবার সম্ভাবনা ১/২ এবং বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও ১/২।

৬। বেশি বেশি ওষুধ খাওয়া কি আমার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষতি করে? করলে কেন?

উত্তর: অবশ্যই! ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বেশি বেশি ওষুধ খাওয়া  ঠিক অনিয়মিত ওষুধ গ্রহণের মতোই ক্ষতিকর। সারা বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ ওভারডোজ বা মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন।

প্রয়োজন ছাড়া বেশি বেশি ওষুধ গ্রহণ করলে তোমার দেহের ওপর সেই ওষুধের প্রভাব কমে যাবে। তখন অসুস্থতায় সেই ওষুধ তোমাকে সারিয়ে তুলতে পারবে না। আমাদের দেহের প্রতিটি উপাদানের স্বাভাবিক পরিমাণ রয়েছে। অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহণ এই ভারসাম্যকে নষ্ট করে ফেলে। ফলশ্রুতিতে, তার প্রভাব দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় পড়ে। তাছাড়া অনেক ওষুধের রয়েছে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া। যা অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত রোগেরও জন্ম দেয়।

৭। আগুন কী?

উত্তর: বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, আগুন হলো উত্তপ্ত গ্যাসের মিশ্রণ। আগুন সৃষ্টি হয় রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে, যা প্রধানত বাতাসের মধ্যকার অক্সিজেন এবং বিভিন্ন ধরণের জ্বালানীর মধ্যে সংঘটিত হয়। এসব বিক্রিয়ার উৎপাদ হিসেবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, বাষ্প, আলো, তাপ প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

কোন বস্তু দহনের ফলে যে শক্তি নির্গত হয়, তার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি আমাদের দৃশ্যমান সীমার মাঝে থাকে, তবেই তা আমাদের চোখে ধরা পড়ে। এটাই আগুনঅর্থাৎ, আগুন পদার্থ বা শক্তি কোনোটাই নয়। এটি একটি প্রক্রিয়া যা পদার্থ ও শক্তির সাথে সম্পর্কিত।

৮। আলোর উৎস চলমান হলে কি আলোর গতি বৃদ্ধি পাবে?

উত্তর: না। আইনস্টাইনের “আপেক্ষিকতার বিশেষ নীতি” অনুসারে, শূন্য মাধ্যমে আলোর গতি সর্বদা ধ্রুব। আলোর উৎস চলমান হলেও একজন পর্যবেক্ষকের নিকট আলোর গতি ১৮৬০০০ মাইল প্রতি সেকেন্ডই মনে হবে।

Via: didyouknowblog.com

৯। নিজের কান বন্ধ করে আস্তে কথা বললেও সেটা জোরে শোনা যায় কেন?

উত্তর: কারণ, শব্দের তীব্রতা কঠিন বস্তুর মধ্যে বেশি হয়।  যখন আমরা স্বাভাবিকভাবে কথা বলি,  শব্দ বায়ুর মাধ্যমে আমাদের কানে পৌঁছায়। কিন্তু আমরা যখন নিজের কান বন্ধ করে কথা বলিশরীর জুড়ে কম্পন সৃষ্টি হয় এবং আমাদের হাত দিয়ে আমাদের কানে পৌঁছায়। ফলে  শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।এজন্যই নিজের কান বন্ধ করে আস্তে কথা বললেও সেটা জোরে শোনা যায়।

১০। ঘুম আসলে বা ক্লান্ত হলে আমাদের হাই আসে কেন ? হাই তুললে কী হয় ?

উত্তর: আমরা কেন হাই তুলি এটি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিভেদ রয়েছে।

জনপ্রিয় মতবাদ হচ্ছে, ঘুম আসলে আমাদের ফুসফুস যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। তাই আমাদের মস্তিষ্ক নার্ভ ইম্পালস পাঠায় যার জন্য আমরা হাই তুলে প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি। ফলে আমাদের মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

আরেকটি ব্যাখ্যা হচ্ছে, হাই এর সাথে সম্পর্ক রয়েছে আমাদের মস্তিষ্কের তাপমাত্রার। সারা শরীরের ব্যবহৃত শক্তির ৪০ শতাংশই ব্যবহার করে মস্তিষ্ক। তাই এর তাপমাত্রা বৃদ্ধি হয় অনেক সহজে। হাই তোলার ফলে অভ্যন্তরীণ বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তন হয় এবং মস্তিষ্কে অপেক্ষাকৃত শীতল রক্ত প্রবাহিত হয়।

১১। গরমের দিনে টিউবয়েলের পানি ঠাণ্ডা মনে হয়, 

আবার শীতের দিনে টিউবয়েলের পানি গরম মনে হয় কেন?

উত্তর: কারণ পানির তাপধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি। তাপধারণ ক্ষমতা বলতে সেই পদার্থের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি পরিবর্তনের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন তাকে বোঝায়। তাপধারণ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় পানি সহজেই ঠাণ্ডা বা গরম হয় না। এর জন্য অনেক সময় প্রয়োজন হয়। এজন্য শীতকালে টিউবয়েলের পানি গরম ও গরমের দিনে টিউবয়েলের পানি ঠাণ্ডা মনে হয়

১২। ত্বককে কেন মানব অঙ্গ বলা হয়?

উত্তর: অঙ্গ হলো একগুচ্ছ কলা যা নির্দিষ্ট একটি বা অনেকগুলি কাজ সম্পন্ন করে। ত্বক অঙ্গের প্রতিটি শর্ত পূরণ করে এজন্য একে অঙ্গ বলা হয়ত্বক দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম স্তর। বেঁচে থাকার জন্য যার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.