কোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আপনার জন্য: আপওয়ার্ক নাকি ফাইভার?

June 27, 2022 ...

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Freelancing Marketplace) কী?

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বলতে কিছু অনলাইন ওয়েবসাইট বোঝায় যার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্টরা একে অপরের সাথে কানেক্টেড হতে পারেন। একজন ফ্রিল্যান্সার নিজেদের কাজের স্যাম্পল দিয়ে প্রােফাইল তৈরি করেন, ক্লায়েন্টরা চাকরির বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকেন। এসব বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তি কাজ পান। যেকোনাে দেশ থেকে ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করে দিতে পারেন এবং একজন ফ্রিল্যান্সার নিজের পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসকে বলা চলে ক্লায়েন্ট ও ফ্রিল্যান্সারের মিলনমেলা। নিচের ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে পরিচিত হই, আমাদের বহুল পরিচিত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলাের সাথে।ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে প্রত্যেকের একটি বড়ো সময় নষ্ট হয় কোথায় শিখবে, কী শিখবে এসব ভেবে। অথচ যদি শুরুতেই মার্কেটপ্লেস রিসার্চ করা যায় তাহলে অনেক কম সময় ব্যয়।

ঘরে বসে Freelancing

Apply code "GBF890" and get discount!

 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Freelancing Marketplace) প্লাটফর্মের মধ্যে রয়েছে :

  1. আপওয়ার্ক (Upwork)
  2. ফাইভার (Fiverr)
  3. ফ্রিল্যান্সার ডট কম
  4. পিপল পার আওয়ার

এছাড়াও আরাে অনেক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Freelancing Marketplace) রয়েছে যেখানে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করেন। প্রত্যেক প্ল্যাটফর্মের কাজের ধরন আলাদা এবং একেক প্ল্যাটফর্মে কাজ করা ফ্রিল্যান্সাররাও একেকরকম।

আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেন, “আপু, আপনি আপওয়ার্কে (Upwork) কেন কাজ করেন?” আপনি যে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবােধ করবেন এবং যেটা আপনার কাছে সহজ লাগবে, সেই মার্কেটপ্লেসেই কাজ করা দরকার আপনার। আমার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। আমার আপওয়ার্ক ভালাে লাগে, তাই এখানেই কাজ করি।

আপওয়ার্ক (Upwork)

আমার মতে সবচেয়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন প্ল্যাটফর্ম হলো আপওয়ার্ক এবং এখানে কাজ করার জন্য প্রফেশনালিজম খুব জরুরি। একটি স্কিলের ৪০% জেনে আপনার মােটেও আপওয়ার্কে কাজ করার জন্য প্রোফাইল বানানো উচিত হবে না। এখানে কাজ করার আগে আপনাকে কয়েকটি ধাপ পার করতে হবে এবং সেই ধাপ পার করলেই আপনার এখানে প্রােফাইল করা ঠিক হবে।

আপওয়ার্ক -এ প্রােফাইল বানানাের আগে কী কী করতে হবে?

প্রােফাইল বানানাের আগে নিচের বক্সে থাকা ডিটেলসগুলাে আমাদের আছে কি না তা চেক করতে হবে:

হ্যাঁ না
পাের্টফলিও আছে?
ভােটার আইডি অথবা পাসপাের্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে? (ভেরিফিকেশনের জন্য)
যে বিষয়ে কাজ চাইছি, সে কাজের সম্পর্কে ওভারভিউ লেখা আছে?
প্রোফাইল টাইটেল সিলেকশন হয়ে গেছে?
প্রােফাইল পিকচার তোলা আছে?
স্কিল সর্টিং করা আছে?

এই সব কিছু রেডি হলেই আপনি আপওয়ার্কে প্রােফাইল বানানাের জন্য তৈরি। সবকিছু ঠিক থাকলে আপনার প্রােফাইল তারা অ্যাপ্রুভ করে দেবে।আপওয়ার্কে কাজ করতে হলে আপনার প্রােফাইল অবশ্যই অ্যাপ্রুভড হতে হবে। না হলে আপনি কাজ করতে পারবেন না। প্রোফাইল প্রফেশনাল না হলে অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভাল নাও পেতে পারে। কারণ তাদের প্রােফাইলে প্রফেশনালিজম থাকে না। আপনি একজন প্রফেশনাল, এটি আপনার প্রােফাইল দেখে আমাকে বুঝতে হবে।

আপওয়ার্ক -এর কানেক্ট কী? কীভাবে ব্যবহার করবেন?

কানেক্ট হচ্ছে আপওয়ার্কে আবেদন করার কারেন্সি। যখন আপনি জবের জন্য অ্যাপ্লাই করবেন তখন এই কারেন্সি কেটে নেয়া হবে। একদম শুরুতে আপনাকে ২০টি কানেক্ট পাবেন। কোনাে কোনো জবে আপনার ৬টি কানেক্ট প্রয়োজন হবে, আবার কোনাে জবে ৪ বা ২টি। কিছু ক্ষেত্রে আপনি জবটি না পেলে আবেদনের কারেন্সি ফেরত দেয়া হয়। কিন্তু আবেদন করার সময় অনেক সচেতন হয়ে আবেদন করা উচিত, যাতে আপনার সীমিত কারেন্সি নষ্ট না হয়।

তাছাড়া আপওয়ার্কে এখন ডিরেক্ট কনট্যাক্ট অপশন আছে যার মাধ্যমে আপনি বাইরে থেকে ক্লায়েন্ট এনে কাজ নিয়ে সেই পেমেন্ট নিতে পারবেন। এর জন্য আপনার হয়তাে ৩% অতিরিক্ত চার্জ প্রয়োজন হবে, কিন্তু আপওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করলে আপনার পেমেন্ট নিরাপদ থাকবে। আপওয়ার্কে এখন বর্তমানে প্রত্যেক পেমেন্টের ২০% টাকা কেটে রাখে।

আপওয়ার্ক (Upwork) -এ কাজের ধরন:

এখানে আপনি ২ ধরনের জব করতে পারবেন:

ঘণ্টাভিত্তিক (Hourly):

যদি আপনি ঘণ্টাভিত্তিক কাজ করেন তার মানে প্রতি ঘণ্টা কাজের জন্য আপনি পেমেন্ট পাবেন এবং এই পেমেন্ট ট্র্যাক করা হয় টাইম ট্র্যাকার দিয়ে। টাইম ট্র্যাকার প্রতি ১৫ মিনিট পরপর স্ক্রিন ক্যাপচার করে এবং আপনি কাজ করছেন কি না তা ট্র্যাক করে। এতে আপনার টাইপিং স্পিড এবং অ্যাকটিভিটি মনিটর করা যায়, যার দ্বারা আপনার কাজের গতি বুঝতে ক্লায়েন্টের সুবিধা হয়। প্রতি রবিবার এই ট্র্যাকিং শেষ হয় এবং বুধবারের মধ্যে বিলিং হয়। আপনি পরবর্তী শুক্রবার টাকা তুলতে পারবেন।Upwork

ফিক্সড প্রাইস (Fixed Price):

ফিক্সড প্রজেক্টের জন্য আপনি নিজের সুবিধামতো কাজ করে থাকেন। ক্লায়েন্ট আপনার জন্য মাইলস্টোন সেট করে দেবেন, সেই ডেডলাইন ধরে কাজ জমা দিতে হবে। ফিক্সড প্রাইসের কাজে পেমেন্ট পেতে ১৪ দিন সময় লাগে যাতে ক্লায়েন্ট আপনার কাজ চেক করে বুঝে নিতে পারেন।

আপওয়ার্ক সম্পর্কে বিস্তারিত আরও কিছু তথ্য:

  • আপওয়ার্কে আপনি প্রত্যেক স্কিলের জন্য আলাদা Specialized Profile করতে পারবেন। যেমন ধরুন, আপনি মার্কেটিং করেন। এতে আপনার মূল প্রোফাইলে মার্কেটিং থাকলেও সম্পূর্ণ আলাদা কোনো স্কিলের জন্য পাশেই একই প্রােফাইলে Specialized Profile তৈরি করতে পারবেন।

Upwork 02

  • নতুন স্কিলের জন্য আপনাকে এখন আর নতুন প্রােফাইল তৈরি করতে হবে না। আপওয়ার্ক বা অন্য যেকোনাে প্লাটফর্মে আপনি একের অধিক প্রােফাইল করতে পারবেন না। আপওয়ার্কে ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার প্রােফাইলের নাম ও ভােটার আইডের নাম অবশ্যই এক হতে হবে।
  • Rising Talent, Top rated, Top rated plus, Expert- Vetted এগুলাে আপওয়ার্কের কিছু ব্যাজ। আপনি যখন কাজ করবেন এবং ক্লায়েন্ট আপনাকে ফিডব্যাক দেবে, তখন আস্তে আস্তে আপনি এই ব্যাজগুলো পেতে প্রয়োজনীয় ক্রাইটেরিয়াগুলো পার করে যাবেন।
  • বাংলাদেশ থেকে আপওয়ার্কে কাজ করতে গেলে অনেকেই ভাবে প্রােফাইল অ্যাপ্রুভ করানাে কঠিন। কিন্তু না, আপনি যে কাজ পারেন তা যদি সুন্দর করে আপনার প্রােফাইলে উপস্থাপন করেন, তাহলে কাজ নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।
  • যেকোনো বিষয়ে সমস্যায় পড়লে আপনি আপওয়ার্ক কমিউনিটিতে সার্চ করে নিতে পারেন। এখানে আপনি সব গাইডলাইন পাবেন। আর তাও না পেলে আমাদের কোর্স তাে আছেই।

ফাইভার (Fiverr)

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হিসেবে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের কাছে সবচেয়ে পরিচিত নাম ফাইভার (Fiverr)। ধরুন, আপনি একদম নতুন। আপনি কিছু ছােটো ছোটো কাজ পারেন। হতে পারে শুধু আপনি ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) জানেন। ফাইভারে আপনার জন্যেও কাজ আছে। ফাইভার হচ্ছে গিগ বেজড প্লাটফর্ম। এখানে কাজ করার জন্য আপনাকে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে গিগ বানাতে হবে।

Fiverr

ফাইভার -এর গিগ কী? (What is a Fiverr gig?)

আপনি যখন কোনাে দোকানে যান এবং দোকানে অনেক রকমের আইটেম সাজানাে দেখেন। তারপর সেখানকার পণ্য বা সার্ভিস পছন্দ হলে আপনি কেনেন। ফাইভারের গিগ অনেকটা দোকানের মতোই। আপনাকে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত লিখে একটি গিগ বানাবেন। সম্ভাব্য ক্রেতার যদি আপনার গিগ দেখে পছন্দ হয়, তবে তিনি আপনাকে কাজ দেবেন। আপনি ইউটিউব দেখে খুব সহজেই গিগ বানিয়ে ফেলতে পারবেন।

ফাইভার সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য

ফাইভারে কাজ পাওয়ার জন্য গিগ এবং Buyer Request নামে দুইটি অপশন থাকে। গিগ সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। বায়ার রিকোয়েস্ট অপশনে বায়ার কী ধরনের কাজ প্রয়োজন সে সম্পর্কে লিখে দেয়, এই ব্রিফ পড়ে ফ্রিল্যান্সারকে কাজটির জন্য অ্যাপ্লাই করতে হয়।

Fiverr Informationএই স্ক্রিনশটে আপনি ফাইভার প্রােফাইলের একটি অংশ দেখতে পাচ্ছেন। কোনো বায়ার আপনাকে মেসেজ পাঠালে তা মেসেজ অপশন থেকে, অর্ডার করলে তা অর্ডার সেকশনে এবং আপনার পারফরম্যান্স মেট্রিকস অ্যানালিটিকস সেকশনে দেখতে পারবেন। কমিউনিটিতে আপনি নানা রকমের তথ্য, ব্লগ এবং কোর্স দেখতে পাবেন।
গিগ বানানাের সময় মনে রাখতে হবে, কীওয়ার্ড ও কভার ইমেজ যাতে সুন্দর হয়। এতে করে অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আপনি চাইলে আপনার গিগ এ আপনার পাের্টফলিও প্রােফাইল যোগ করে রাখতে পারেন। যেমন, অনেক ডিজাইনার তাদের গিগে তাদের বিহ্যান্স প্রোফাইল লিংক করেন, অনেক কনটেন্ট রাইটার তাদের পোর্টফোলিও ব্লগ লিংক করে রাখেন।

কোনাে প্লাটফর্মেই আপনি আপনার ক্লায়েন্টকে প্ল্যাটফর্মের বাইরে যোগাযোগ করতে বলতে পারবেন না এবং যােগাযােগের কোনাে তথ্য শেয়ার করতে পারবেন না। তাহলে আপনি ব্যান হয়ে যেতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (Freelancing Marketplace) সম্পর্কে যা না জানলেই নয়

  1. সব সময় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নিজেকে গুছিয়ে রাখা ভালাে এবং এজন্য আপনাকে কিছু ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। যেমন: গুগল ড্রাইভের সফটওয়্যার এবং slack, Trello এগুলাের ব্যবহার জানতে হবে। যাতে আপনি আপনার ক্লায়েন্টের কাজের প্রসেসের সাথে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। তাছাড়া টেকনোলজি সম্পর্কে আপডেটেড থাকলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিতে ভরসা পাবেন।
  2. ফ্রিল্যান্সিংয়ে টাইমিং EST মেইনটেইন করে এবং এই সময়ে বেশি কাজ পাওয়া যায়।
  3. ক্লায়েন্টের পেমেন্ট ভেরিফাইড কি না তা সবসময় দেখে নেয়া উচিত। বিশেষ করে আপওয়ার্কে জবে অ্যাপ্লাইয়ের আগে অবশ্যই দেখে নেবেন।
  4. আপওয়ার্কে কোনাে জব পাওয়ার আগে আপনার ক্লায়েন্টের সাথে কোনাে পারসােনাল কন্ট্যাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করা যাবে না।
  5. বড়ো প্রজেক্টের ক্ষেত্রে সবসময় ক্লায়েন্টের সাথে ইন্টারভিউ সাজেস্ট করা উচিত। কাজের আগে সময় নিয়ে বুঝে নেয়া ভালাে যাতে আপনার কাজটি যথাযথ হয় এবং আপনার রিভিউ ভালো থাকে। কিছুটা সময় নিয়ে ইন্টারভিউ করলে তা পরবর্তীতে আপনার ও ক্লায়েন্টের দু’জনেরই সময় বাঁচাবে।
  6. আপওয়ার্কে এবং ফাইভারে কিছু ব্যাজ থাকে ফ্রিল্যান্সারের কাজকে রেট করার জন্য। আপওয়ার্কে টপ রেটেড এবং রাইজিং ট্যালেন্ট ব্যাজ থাকে। এসব ব্যাজ পাওয়ার কিছু নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া থাকে এবং আপনি ভালাে কাজ করে এই ব্যাজগুলো অর্জন করতে পারবেন। বলাই বাহুল্য, এসব ব্যাজ আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণে বাড়িয়ে দেয়।
  7. প্রত্যেক কাজের জন্যই আপওয়ার্কে জব সাকসেস রেট থাকে। ফাইবারে ফ্রিল্যান্সারকে রেট করার জন্য লেভেল থাকে। লেভেল ওয়ান, লেভেল টু এবং টপ রেটেড সেলার। সাকসেস রেট এবং রেসপন্স রেট মেইনটেইন করলেই এই লেভেলগুলো পাওয়া যাবে।
  8. যতটা সম্ভব প্ল্যাটফর্মে অ্যাকটিভ থাকার চেষ্টা করা উচিত যাতে প্রয়োজনে দ্রুত রিপ্লাই করতে পারেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের জন্য কমিউনিকেশনে ভালাে হওয়া বেশ জরুরি।
  9. কোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কী কী পেমেন্ট মেথড সাপাের্ট করে তা জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এত কষ্ট করে কাজ পেয়ে, কাজ সম্পন্ন করে যদি পেমেন্ট আনা না যায় তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছুই হতে পারে না। তাই আগে থেকেই জেনে নিন কোন মার্কেটপ্লেসে আপনি অ্যাকাউন্ট করবেন এবং কোন পেমেন্ট মেথডগুলাে ব্যবহার করতে পারবেন।Four Freelancing Marketplaceউপরের ইনফোগ্রাফিকের ৪টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্রান্সফার সাপাের্ট করে।

আমাদের কোর্সগুলোতে ভর্তি হতে ক্লিক করুন:

  1. ঘরে বসে Freelancing
  2. Facebook Marketing
  3. Web Design
  4. মোবাইল দিয়ে Graphic Designing
  5. Graphic Designing with PowerPoint

১০ মিনিট স্কুলের ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

আপনার কমেন্ট লিখুন