সত্য মিথ্যার চন্দ্রাভিযান পর্ব-৫

September 14, 2018 ...
পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

পঞ্চম পর্ব এসে গেল। এই পর্বটি একটু গুরুত্বপূর্ণ, জ্যামিতির মারপ্যাঁচ দেখে আমার মতো ভয় পাবেন না আশা করি, সত্যের প্রতিষ্ঠা একটু এমন করেই হয়। দুইয়ের সাথে দুই যোগ করলে চার হবে সেটাই সত্য। আর দুইয়ের সাথে দুই যোগ করার সময় কালি ফুরিয়ে গিয়ে চার লিখা সম্ভব হয়নি মানে এই না যে গণিত ভুল, দুইয়ের সাথে দুই যোগে চার হওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব।

আপনাদের আরেকটি বিষয় অনুরোধ করবো, যারা কমেন্টে বা ব্যক্তিগতভাবে এখনো অনেক প্রশ্ন করে থাকেন, তারা একটু আগের পর্বগুলো পড়ে নিতে পারেন। আমি চেষ্টা করেছি বুঝানোর, প্রমাণ রয়েছে সব কিছুরই। একটু চেক করে নিবেন। আর নাসা কেন আর মানুষ চাঁদে পাঠায় না, পাঠালে এখন ধরা খেয়ে যাবে এই ভয়ে হয়তো পাঠায় না ইত্যাদির সকল উত্তর সামনের পর্বে পেয়ে যাবেন।

আজকের পর্বে আমরা দুটি সমস্যা সমাধান করবো। যারা একটু গভীর কন্সপিরেসি থিওরিস্ট, তারা হয়তো উপকৃত হতে পারেন, কিন্তু বুঝেও যদি না মানতে চান তাহলে প্রথম পর্বটি পড়তে বলবো যেখানে তিনটি মানসিক কারণ সম্পর্কে বলা আছে।

যাই হোক প্রথম কন্সপিরেসি থিওরি:

দুইটি ভিন্ন অভিযানে চাঁদের ভিন্ন স্থানে একই পাহাড় কিভাবে আসলো?

আপনি যদি কন্সপিরেসি থিওরিস্ট হোন আর এই ঘটনা না জানেন তবে তা সত্যিই দুঃখজনক। তবে এখানে আমার একটি গোপন তথ্য ফাঁস করে দিই, আমি প্রথম চন্দ্রাভিযানে বিশ্বাস করা বন্ধ করে দিই পতাকা ওড়ার কাহিনী শুনে। তারপর যখন দেখলাম যে উড়ছে না, তখন আবার বিশ্বাস করা শুরু করি। এরপর ২০১৪ সালের দিকে ইউটিউবে ব্যাপক সিরিয়াস মুড আর সত্য সত্য ভাব নিয়ে বানানো ডকুমেন্টারিতে এই কন্সপিরেসি থিওরিটা মনোযোগ কেড়ে নেয়। ব্যস! আমাকে আর পায় কে! কিসের নাসা চাঁদে গিয়েছে, সব ধোঁকাবাজি।

সত্যিই তো! যদি নাসা দু’টি ভিন্ন জায়গাতেই এই দু’টি ছবি তুলতো তাহলে একদম খাপে খাপ দু’টি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডই কেন এক হবে? এই প্রশ্নই কিন্তু আপনাকে এই অভিযানের সত্যতা থেকে মুখ ফেরাতে সক্ষম। কিন্তু আশ্চর্যজনক যে আমি তখন উত্তর খোঁজারই চেষ্টা করলাম না। তবে কিছুদিন পর উত্তর পেয়ে যাই। তখন শুধু ভাবি যে সত্যিই, নেতিবাচক দৃষ্টি হাবল টেলিস্কোপের চেয়েও অনেক শক্তিশালী। সে যাই হোক, ঘটনাটি বুঝি আগে।

Bv4gAOtF5yKw rXsIfdxU8HTYbIUdnt8dtwTURblgFYtI1lJZIjMWZJVrGqDDToDxcrpULkQOcgqzezUR39V9bcAh6rO2Dj 4uRC 87fnPcE6hggkVppAeEn DvuYcBVmgFp9bSU

AS15-82-11057: View of Apollo 15 Lunar Module from the nearby ALSEP site (Station 8) during the third EVA.

আরেকটি ছবি লক্ষ করুন

LO6d2DsGZVhniILqGvLr4OaP5KYOEckskAp eYcdQooWAemKXMWRiK1vEdCrNmuQv9Ff725ck340wEZ4Vhan4CTWA DfTTSlRlYUy2XpBcGgnmAMpu5bCwJhHynwBIpdcAxFmaS

AS15-82-11082: Later photo with same hills in the background near Hadley Rille (Station 9) during the third EVA, approximately 1.4 km west of the Lunar Module.

উপরের দুইটি ছবির একটি অ্যাপোলো ১৫ এর যা ALSEP site (Station 8) এর নিকট থেকে নেওয়া হয়েছে। অপরটি লুনার মডিউল থেকে ১.৫ কিলোমিটার পশ্চিমে Hadley Rille (Station 9) থেকে ধারণ করা। দুইটি ছবির মধ্যে দূরত্বের এত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও পশ্চাদভুমি একই বা identical। পেছনের পাহাড় দেখতে প্রায় একই আকৃতির। অথচ দুইটি ছবির প্রথমটিতে লুনার মডিউল ও চাকার ট্র্যাক স্পষ্টত দৃশ্যমান। কিন্তু দ্বিতীয়তে চূর্ণ পাথর!

এ দেখে কন্সপিরেসিবিদরা মত প্রকাশ করেন দুটি ছবিই একই ব্যাকগ্রাউন্ড সাপেক্ষে পৃথিবীতে ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু জ্যামিতি বলছে অন্যকথা! দিগন্তরেখা বলছে অন্য কথা!

আমরা ঠান্ডা মাথায় বুঝার চেষ্টা করি, যা প্রমাণিত এবং সত্য তা কিন্তু কন্সপিরেসিবিদদের জন্য তিক্ত। আর এটাই নির্মম সত্য।আমরা রাতের আকাশে ঝলমলে তারা দেখি! মধ্যযুগ থেকে সাধারণ কিছু জ্যামিতি ও ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করে এই নক্ষত্রদের দূরত্ব বের করার পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে। যা আজকের আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিকে স্টেলার প্যারালাক্স(stellar parallax) বলে। যাই হোক এটি আমাদের আলোচ্য বিষয় না।

চলুন একটি সাধারণ পরীক্ষা করা যাক। কোন যন্ত্র বা খাতা কলমের প্রয়োজন নেই। শুধু আপনার তর্জনী আঙ্গুল বা index finger ই যথেষ্ট। আপনি আপনার যেকোনো একটি তর্জনী কোন পশ্চাদভুমি বা background(কোন গাছের সারি, কোন পেইন্টিং হলে ভাল) এর সামনে ধরুন । এবার এক চোখ বন্ধ করে পশ্চাদভুমির সাপেক্ষে আঙ্গুলটির অগ্রভাগ দেখুন। এরপর এই চোখ বন্ধ করে অন্য চোখটি দিয়ে আবার একইভাবে আঙ্গুলটির অগ্রভাগ দেখুন ।

ভালভাবে খেয়াল করলে দেখবেন যে আপনার দুইচোখের জন্য আঙ্গুলের পিছনের পশ্চাদভুমির অবস্থান দুইরকম । যদিও পেছনের কোন বস্তুর দূরত্বের পরিবর্তন হয়নি তবুও আপনার দুই চোখের একেকটির জন্য ভিন্ন অবস্থান লক্ষ করবেন । একেই প্যারালাক্স/parralax বলে। আর এই প্যারালাক্সই হল আমাদের উপরের দুই চিত্রের একই ব্যাকগ্রাউন্ড ধাঁধার সমাধান। অর্থাৎ দুইটি চিত্র এক জায়গায় ধারণ না করা হলেও তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড আইডেন্টিক্যাল। শুধু না পড়ে একটু ভেবে দেখুন। কন্সপিরেসি অনেক বিশ্বাস তো করলেন এবার মাথাটাও একটু খাটান।

আবার অনেকের মতে পিছনের পাহাড়গুলি বেশি নিকটে মনে হয় যা অপ্রাকৃতিক। কেবল স্টুডিওতেই বসেই এমন ছবি ধারণ সম্ভব। আপনি আমি জানি চাঁদের বায়ুমন্ডল একদমই পাতলা! ফলে যেকোনো বস্তুকে একদম পরিষ্কার ও নিকটে দেখা যায়। মানে আপনি পৃথিবীতে আপনার থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরত্বের কোনো পাহাড় হয়তো দেখতে পাবেন না। কিন্তু চাঁদে দাঁড়ালে একই দূরত্বের পাহাড় আপনার জন্য একদমই কাছে মনে হবে, সেই সাথে স্পষ্টভাবে দেখতে পাবেন। আর তাই দুইটি চিত্র দুই অবস্থান থাকে ধারণ করা হলেও পেছনের পাহাড়কে একই দুরত্বে মনে হয়।

আমরা সাধারণত পৃথিবীতে ১০-২০ কিলোমিটার দুরের পাহাড়কে মাত্র কয়েকশ ফুট দূরে দেখি। পৃথিবীর বায়ুমন্ডল যদি পুরু না হত তবে প্রতিসরণ কম হওয়ায় আরও নিকটে দেখতাম। আমরা দিগন্তের দিকে তাকালে দূরের কোন বস্তুকে অনেকটা কাছে দেখি। একই ঘটনা ঘটেছে চাঁদের এই পাহাড়গুলির ক্ষেত্রেও। মাইক ব্যারার “Who Mourns For Apollo?” বইয়ে অবশ্য এর এক সুন্দর ব্যাখ্যা আছে। চাঁদ পৃথিবীর চাইতে ছোট হওয়ায় এর দিগন্ত পৃথিবীর দিগন্তের চাইতে নিকটে। চলুন দিগন্তের দূরত্ব বের করা শিখে নেই।

ধরি, কোন একটি গ্রহের কোন বায়ুমন্ডল নেই। অর্থাৎ, গ্রহটিতে বায়ুমণ্ডলের দরুন আলোর প্রতিসরনজনিত সমস্যাও হবে না।

নিচের চিত্রটি দেখুন:

QAPb4dODaAzKNWDPrGdfmnat4h1n5nIXeaMBZGECOZDAuf0sNDPhGOqO6y411s81vaTKrnFP HhRFtLpr2rv4mXriuUm8LbkJALuHcmNJ9UZvVKtYXGjn5ioi5eVK6BuVTsVX lw

ধরি, একটি বৃত্তের t স্পর্শক ও g ছেদক পরস্পর P বিন্দুতে ছেদ করেছে। g ছেদক বৃত্তটিকে G1 ও G2 বিন্দুতে ছেদ করেছে। আর t স্পর্শক বৃত্তটিকে T বিন্দুতে ছেদ করছ। তাহলে Tangent-secant theorem অনুযায়ী,
|PT|^2=|PG1|.|PG2|

একই ভাবে কোন গ্রহের পৃষ্ঠের B অবস্থানে O দর্শকের নিকট দিগন্ত C হলে,
OC^2 = OA.OB………………(1)

u8h ZNEYa5x08mKMnbC0wby2fEWQb1xU7dpZ90O5TttiPO421SwztUBfhP82HnKaOg2bh19YCD 3GnJ 1VHWfmasG0oEmnR8U0rvIlmYB5GJOyhv1U0jdDwXNVfoJ9RcW78ddZhW

d = OC = দিগন্তের দুরত্ব
D = AB = পৃথিবীর/গ্রহ/দিগন্তের ব্যাস
h = OB = সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দর্শকের উচ্চতা
D+h = OA =সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দর্শকের উচ্চতা + সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দর্শকের উচ্চত

(1) নং থেকে পাই,

d^2 = h.(D+h)
বা,  d^2 = h.(2R+h) [R =
বা, d = √{h.(2R+h)}

এই সমীকরণে, পৃথিবীর গ্রহ/দিগন্তের ব্যাসার্ধ ও দর্শকের উচ্চতা বসিয়ে দর্শক সাপেক্ষে সহজেই দিগন্তের উচ্চতা পাওয়া যায়।


চাঁদের ব্যাস হল ১০৮০ মাইল! সাধারণত কোন নভোচারীর ৫ ফুট বা ০.০০০৯৪৭ মাইল উচ্চতায় স্পেসস্যুটে ক্যামেরা আটকানো থাকে। ২ নং সমীকরণ অনুযায়ী ক্যামেরা সাপেক্ষে তাহলে দিগন্ত ২ মাইল দূরে অবস্থিত। তাহলেই বুঝে নিন দূর পাহাড় কেন নিকটে মনে হচ্ছে?

সুতরাং এই কন্সপিরেসি থিওরিটি আপনাকে দুইভাবে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।

১. বায়ুমন্ডলহীন পরিবেশে চাঁদের দিগন্তরেখা এবং বায়ুমন্ডলযুক্ত পৃথিবীর দিগন্তরেখার পার্থক্য দ্বারা।

২. জ্যামিতি দ্বারা।

তাহলে এই কন্সপিরেসি থিওরিটি সমাধান ঘোষণা করতে পারি?

চলে যাই আজকের শেষ ছোট সমস্যা সমাধানে। অভিযোগটি ছিল স্ট্যানলি কুবরিককে ঘিরে।

চাঁদে যাওয়ার নাটকের নির্মাতা ছিলাম আমিই- স্ট্যানলি কুবরিক

স্ট্যানলি কুবরিক খুবই বিখ্যাত পরিচালক। তার পক্ষে এমন শ্যুটিংয়ের নেতৃত্ব দেয়া অসম্ভব কিছু না। বরং তা নিঁখুতই বলা চলে। যাই হোক স্ট্যানলি কুবরিকের একটি গোপন ইন্টারভিউ ফাঁস হয়ে যায় ২০১৫ সালের আগস্টে। তখন তো অবস্থা আরও খারাপ, আমার মাথাও খারাপ হয়ে যায়। যদি নাট্যনির্মাতাই স্বীকার করে নেয় যে তিনি বানিয়েছেন নাটক, তাহলে সেটাকে আমি বাস্তব ঘটনা মানি কী করে। কিন্তু সেখানেও প্রশ্ন, ‘আমি কি পেছনের ঘটনা বা সত্য জানার চেষ্টা করেছি?’

স্ট্যানলি কুবরিক মারা যান ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে। তাঁকে মৃত্যুর তিনদিন আগে একটি ইন্টারভিউ নেন আরেক পরিচালক প্যাট্রিক মুরে। তবে ধরা খেয়ে যান অন্য কোথাও।

bQzuKE24wnp61TipSvzD2rChr9YhlHHEW64S j 3e

Stanley Kubrick on the set of “The Shining”

বেচারা Shooting Kubrick নামক ওয়েবসাইটে দাবি করেন স্ট্যানলি কুবরিক তার কাছে ইন্টারভিউ দিয়েছেন ১৯৯৯ সালের মে মাসে। আমি ঘটনাকে এখানেই শেষ করে দিচ্ছি না। উল্লেখ্য, মুরের ভাষ্যমতে কুবরিক এই ইন্টারভিউয়ে সাইন করেছিলেন এই প্রতিজ্ঞা করিয়ে যে তার ইন্টারভিউটি জীবদ্দশায় কোনোদিন যেন প্রকাশ না হয়, হলেও যেন তাঁর মৃত্যুর ১৫ বছর পর প্রকাশ করা হয়। তাই ২০১৫ সালে মুরে এই ভিডিওটি প্রকাশ করেন।

স্ট্যানলি কুবরিকের সেই ভিডিওটি লক্ষ করে দেখবেন যে সেটি আসল স্ট্যানলির ভয়েস নয়। এমনকি সেই ভিডিওটি কুবরিক ফ্যানরা বেশ ভালোভাবেই প্রত্যাখান করেছে। কুবরিক মুখপাত্রও সরাসরি অস্বীকার করেন এরকম মিথ্যা ইন্টারভিউয়ের ব্যাপারে।

তবে সর্বশেষ এই কন্সপিরেসী থিওরিটি বরাবরের মতোই পঙ্গুত্ব বরণ করে ২০১৬ সালের ৫ই জুলাই। কুবরিক কন্যা ভিভিয়া কুবরিক টুইট করে সাফ জানিয়ে দিলেন তার বাবাকে নিয়ে মিথ্যে ভিডিও বানানো হয়েছিল।

b8jwa4a0G9ZzYanXfxIhBI8eu rYBSXZf5tAhZxun0NaTOD492n6VgjX 9GWNZwKR2IUHfgsZwCdQz QAFVjsKwmiKob4W1JWjg4htmf G5fH NpQLoeUkBfcUVXbw1CW5Tbzuu

এই ব্যাপারে প্রমাণ দেখে নিন-

https://www.google.com/amp/s/amp.businessinsider.com/stanley-kubrick-fake-moon-landing-2016-7 

https://www.google.com/amp/s/www.express.co.uk/entertainment/films/687305/Stanley-Kubrick-FAKE-Moon-Landings-daughter-conspiracy-NASA-Buzz-Aldrin-Neil-Armstrong/amp 

https://www.google.com/amp/s/www.independent.co.uk/arts-entertainment/films/news/stanley-kubrick-daughter-vivian-kubrick-apollo-11-moon-landing-conspiracy-theory-a7122186.html%3famp 

এরপর মুরে সাহেব অবশ্য জনগণের আর কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হোননি। একটা সময় আধুনিক কন্সপিরেসি থিওরিস্টরা মুরে সাহেবের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হোন। তবে মহানায়করা দমবার নয়, অনেক কন্সপিরেসি মহানায়করা স্ট্যানলি কুবরিকের মেয়েকে ‘মার্কিন সরকারের চাপে পড়ে বলেছে’ বলে রটনা রটাতে থাকে। এই মহানায়করা অমরই রয়ে যাবে চিরকাল।

আজ এই পর্যন্তই থাকুক। পরের পর্বে আপনাদের মনে ঘুরপাক খাওয়া আরও প্রশ্নের সমাধান হবে।

তথ্য সূত্র:

https://en.m.wikipedia.org/wiki/Examination_of_Apollo_Moon_photographs 

https://www.express.co.uk/news/weird/769062/Moon-landings-hoax-Apollo-15-pictures-SAME-background/amp 

https://www.snopes.com/fact-check/false-stanley-kubrick-faked-moon-landings/


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

আপনার কমেন্ট লিখুন