জাদুর শহরে এক আগন্তুক

A delusion. Unbowed. Unbent. Unbroken.

পুরোটা পড়ার সময় নেই ? ব্লগটি একবার শুনে নাও !

ফার্মগেটের সাথে সুজনের প্রথম পরিচয়টা খুব সুখের ছিলো না। সেই সুদূর সিলেট থেকে প্রথমবার ঢাকায় আসার যে অনুভূতি, সেটা তেতো করে তোলার জন্যে এক ফার্মগেটই যথেষ্ট ছিলো সুজনের জন্যে। ও এসেছিলো একটা কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে। বেশ নামজাদা কোচিং, ভর্তি হয়ে বেশ খুশি খুশি লাগছিলো তার।

সেদিন আবার বাংলাদেশের ম্যাচ, তাই কমেন্ট্রি শুনতে মহানন্দে হেডফোন কানে দিয়ে রেডিওটা অন করে ফার্মগেটের ব্যস্ত রাস্তায় হাঁটছিল সে। আশেপাশে একগাদা বিল্ডিং, সেগুলোতে ব্যাঙের ছাতার মতো শ’খানেক কোচিং সেন্টার, একপাশে আবার পুরনো একটা সিনেমা হল, আর সারিসারি বইখাতার দোকান- মুগ্ধ হয়ে দেখছিলো সুজন। তাদের হবিগঞ্জ জেলার ছোট্ট গ্রামটায় তো এতোকিছু নেই! coaching-building

ঢাকার ছেলেমেয়েদের ব্যাগে গোল গোল ব্যাজের মতো কি একটা দেখেছিল সে, ফুটপাথে সেগুলোর দেখা পেয়ে তো মহাখুশি সে। বিশ টাকা দিয়ে একটা খরগোশের কানওয়ালা একটা ব্যাজ কিনেও ফেললো ও! মনের মধ্যে একটুখানি খচখচানি- ঠকালো না তো? ওদিকে আবার তাসকিন দারুণ বল করছে, সেই কমেন্ট্রি শুনতে শুনতে ফার্মগেটের বাস স্টপেজটায় দাঁড়িয়েছিলো ও। গন্তব্য বনানী। সেখানে ওর চাচার বাসা।

আসবার সময় দেখে এসেছিলো চাচী কাচ্চি রাঁধছেন, এতক্ষণে সেটা ঠান্ডা হয়ে যায় নি তো? কাচ্চির আলুগুলো আবার ওর চাচাতো ভাই দুইজন খেয়ে ফেললো না তো? ভাবতে ভাবতে বাস চলে এলো। বিআরটিসি বাস। বাসে উঠতেই প্রচন্ড ভিড় সামলানো লাগে। তার চাচা তাকে বলেছে বেশি ভিড়ওয়ালা বাসে না উঠতে, কিন্তু কাচ্চি খেতে খেতে বাংলাদেশের খেলা দেখার লোভটাও তো সামলানো দায়!

সাতপাঁচ না ভেবে সুজনও যোগ দিলো বাসে উঠবার মহাযুদ্ধে। কানে তখনও হেডফোন, সাকিব বেশ মার খাচ্ছে বোলিংয়ে। বেশ ধাক্কাধাক্কির পর সুজন যখন বাসের ভেতরে ঢুকে পড়বে পড়বে ভাব, তখনই একটা হ্যাঁচকা টান! সুজনের কানে তখনও হেডফোন, কিন্তু তাতে কোন শব্দ যে আসছে না! পকেটে হাত দিয়ে যখন চারকোণা স্মার্টফোনটার কোন অস্তিত্ব টের পেলো না ও, তখনই বুঝলো সে, স্কলারশিপের টাকায় কেনা প্রিয় ফোনটি তার পকেটমারদের হাতেই গিয়েছে। নিচে নেমে খানিক খুঁজে দেখলো সে। নেই। শত শত লোকের ভিড়ে কিভাবে সে খুঁজে পাবে বদমাশ পকেটমারকে? কাচ্চি বাদ। খেলা বাদ। ফিরবার রাস্তাটায় সুজন মনে মনে ফার্মগেটকে গালি দিয়ে চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে দিয়েছিলো!

প্রথম ধাক্কা

থাক সেসব কথা। ফোনের শোক ভুলতে না ভুলতেই আমাদের সুজন মিয়া পড়লো আরেক সমস্যায়। তার চাচার বাসাটা বেশি বড়ো না। তার উপর চাচী তাকে সেরকম পছন্দও করে না। পরিবারে আরেকটা সদস্যের হঠাত আগমনে তার চাচার পরিবার যে খুব সুখী নয়, সেটা সুজনের বুঝতে দেরি হয় নি। অগত্যা তাকে খোঁজ করতে হয় কোন ভাড়া বাসার। আবার সেই ফার্মগেট এলাকা, এইবার অবশ্য সে সাবধান!

অবশ্য সাবধান না হলেও বোধ করি বেশি কিছু হতো না। চাচার পুরনো নোকিয়া ফোন, যা দিয়ে ঢিল মেরে আম পাড়া আর কথা বলা ছাড়া আর কিছুই করা যায় না- সেই ফোনে পকেটমারেরও অরুচি! ফার্মগেটে বাসা খুঁজে পাওয়া আরেক বিড়ম্বনা। অনেক খুঁজে একটা ছোট্ট মেসের সন্ধান পায় সুজন। শুরু হয় তার মেস জীবন।

mess-photo-ii

আগন্তুকের মেস দর্শন

কোচিং তখন সবে শুরু। সারাজীবন ছেলেদের স্কুল আর কলেজে পড়া সুজনের কাছে নতুন লাগে এই কোচিং জীবন। পুরো ব্যাপারটা বুঝে উঠতে না উঠতেই সে পড়ে আরেক সমস্যায়। ছোটবেলা থেকেই মায়ের হাতের খাবার খেয়ে অভ্যস্ত সুজনের সহ্য হয় না মেসে টলটলে ডাল আর শক্ত চালের মতো ভাত। খেতে ইচ্ছে করে না তার। প্রায়শই বাইরের খাবার খেয়েই কাটিয়ে দেয় দিন। কিন্তু বাসি ফাস্টফুড সুজনের পেটে সইবে কেনো? ফুড পয়জনিং হয় তার। পুরো একটা সপ্তাহ কোচিং বাদ দিয়ে বিছানায় পড়ে থাকতে হয় তাকে। ঢাকার জীবনটাকে হঠাতই বড্ড নিষ্ঠুর লাগে তার।

শুনেছিলো স্বপ্নভঙ্গ আর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প! একটু পরিবর্তন এসেছে তার মধ্যে।

কি বিচিত্র এই কোচিং-জীবন!

কোচিং ক্লাসে ফিরেই অবাক চোখে সুজন আবিষ্কার করে, এক সপ্তাহে অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। তাদের ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীদের এখন সহজেই কয়েকটা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়!

১। প্রেমপিয়াসী:

এদের দেখলে মনে হয় এরা আসলে কোচিং করতে আসে নি, এদের মূল উদ্দেশ্য প্রেম করা বা প্রেমিকা খোঁজা। ক্লাসে যতো যা-ই হোক না কেন, এদের দৃষ্টি থাকে সুন্দরীদের দিকে। পাঠ্যবইকে বশ করার থেকে এই সুন্দরীদের মনকে বশ করার দিকেই এমন ছেলেদের চোখ থাকে বেশি। মেয়েরাও কম যায় না, তাদের অনেকে আবার বশীভূতও হয়! দুজনে মিলে কোচিং কাপলে রূপ নেয়।

। ফাঁকিবাজ:

ভাইয়া/আপুরা দেরি করে পড়াতে আসলে এরা সবচে বেশি খুশি হয়। ক্লাস টেস্ট মিস করার একশ একটি উপায় জানা আছে এদের। কোচিং ক্লাসে আগ্রহ তো নেই ই, এরা ক্লাস করলেই বলতে গেলে পুরো কোচিং ধন্য হয়ে যায়!

এবার বাংলা শেখা হবে আনন্দের!

আমাদের প্রতিটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষা চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম!

তাই আর দেরি না করে, আজই ঘুরে এস ১০ মিনিট স্কুলের এক্সক্লুসিভ বাংলা প্লে-লিস্টটি থেকে! 

৩। ঢঙ্গী:

কিছু বিশেষ শ্রেণীর ছাত্রী এবং ক্ষেত্রভেদে ছাত্ররাও এর মধ্যে পড়ে। এই ছাত্রীদের প্রধান কাজ হচ্ছে আরেকজনের সাথে প্রতিযোগিতা করা যে কে কত টন মেকআপ দিতে পারে। এরা ক্লাসে আসে ঢং করতে, ক্লাস নিতে আসা ভাইয়াদের সাথে ঢং করে কথা বলতে আর নিজের ফ্যাশন প্রতিভা দেখাতে। কিছু ছাত্রদেরও কিন্তু এমনটা করতে দেখা যায়!

৪। পড়ুয়া:

এই শ্রেণীর ছাত্র বা ছাত্রীদের প্রধান কাজ হচ্ছে পড়াশোনা করা, ক্লাস করা, বাসায় যাওয়া এবং আবার পড়াশোনা করা। ঝড়-বৃষ্টি, ভূমিকম্প, মহাপ্রলয় যা কিছু হোক, এদের পড়ালেখা কখনো কেউ থামাতে পারে নি। কোচিং থেকে দেয়া বিভিন্ন ছোটখাট প্রাইজ এরাই পেয়ে থাকে।

সুজন নিজেকে খুঁজে পায় আরেকটা ক্যাটাগরিতে। সাধারণ মানুষ। এই ধরণের ছাত্র-ছাত্রীদের কেউ চেনে না, তারা নীরবে আসে, নীরবে চলে যায়। খুব ভালো রেজাল্ট করে বড় কোথাও চান্স পেলে তাদের একটু পরিচিতি মেলে, নাহলে তারা সেই নীরবেই রয়ে যায়। তবে সুজন তাদের এলাকার গর্ব, ডাবল গোল্ডেন পাওয়া ছাত্র। তার সাধারণ হলে কি চলবে? সে শুরু করলো পড়াশোনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্ন তার। এ ইউনিটে সায়েন্স নিয়ে পড়বে সে, আর ডি ইউনিটেরও প্রস্তুতি নেবে সে, পাছে যদি এ ইউনিট মিস হয়ে যায়?

শুভঙ্করের আসল ফাঁকি

দুই ইউনিটের পড়া পড়তে গিয়ে সুজন একটা অদ্ভুত বিষয় আবিষ্কার করলো। এ ইউনিটের জন্যে তাদের যে লেকচার শিটগুলো দেয়া হয়, ভাইয়ারা সেগুলোর অর্ধেকও শেষ করতে পারেন না। বাকিটুকু বাসায় পড়ে নেবে বলেই তারা শেষ করেন ক্লাস। কিন্তু যদি বাসায় বাকিটুকু না বোঝে কেউ? ভাইয়ারা বড্ড ব্যস্ত। তারা ক্লাসশেষে বোঝাতে পারেন না সেটা। রহস্য করে বলেন, আমি বাসাতেও পড়াই। বাকিটুকু বাসাতে বুঝিয়ে দেই?

ডি ইউনিটের ভাইয়ারা আরো অদ্ভুত। কোচিং থেকে তাকে যে বইগুলো দেয়া হয়েছে, ভাইয়াদের অনেকেরই প্রধান কাজ হচ্ছে সেগুলো কতো নিম্নমানের এবং তাদের নিজের লেখা বইগুলো কতো ভালো সেটা আকারে ইঙ্গিতে বোঝানো। বইগুলোর পেছনে আবার সুন্দর করে লেখাও থাকে যে লেখক ভাইয়া বাসাতেই পড়ান, পড়তে চাইলে এই নাম্বারে ফোন দিতে হবে!

ভালোবাসার এই নগরে

সব দেখে শুনে সুজনের একরকম বিরক্তি চলে আসে পুরো কোচিং ব্যবস্থার ওপর। তার ইচ্ছে করে সব ছেড়ে ছুড়ে হবিগঞ্জ চলে যেতে, সেখানে সে নিজের মতো করে পড়ে পরীক্ষা দেবে। ফার্মগেট জায়গাটা অভিশপ্ত লাগে তার! হয়তো চলেও যেত, কিন্তু তখনই সে পেলো নিতুর দেখা। যার জীবনে কখনো প্রেম আসেনি, সেই সুজন দুম করে প্রেমে পড়ে গেলো।

নিতু শহরের মেয়ে, সুজনের সাথে খুব হেসে হেসে কথা বলে, আর সুজন তাতেই গলে যায়। শয়নে স্বপনে নিতুর ছবি চোখে ভাসে তার। নিতুর সাথে চ্যাট করার জন্যে সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে ফেসবুক চালায় সুজন। নিতুও খুব হাসিমুখে অনেক রিপ্লাই দেয়। পড়ালেখা লাটে ওঠে সুজন মিয়ার।

হৃদয় ভাঙ্গার নিস্তব্ধতা

সাইবার ক্যাফেতে আরেকটা জিনিসের খোঁজ পায় সুজন। একটা ওয়েবসাইটের। নাম 10 Minute School. সাইটটা ফ্রি, আর এর ভিডিওগুলোকে বেশ মজাদার লাগে সুজনের। নিতুর সাথে কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে স্কুলটায় ঢুঁ মেরে সুজন একটু হলেও শিখতে থাকে, কোচিংয়ে গেলে তো নিতু ছাড়া আর কিছুই দেখে না সে!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার দিন ঘনিয়ে আসে, ওদিকে সুজন-নিতুর সম্পর্ক আরো ঘন হয়। যদিও নিতু তাকে এখনো বন্ধুর মতো দেখে, কিন্তু সুজনের ধারণা ভেতরে ভেতরে নিতু ঠিকই তাকেই পছন্দ করে, দরকার শুধু মুখ ফুটে বলবার। এডমিশন পরীক্ষার ঠিক আগের দিন কথা বলতে বলতে হঠাতই নিতু বলে বসে,

“আমি যদি এ ইউনিটে চান্স পাই তাহলে কিন্তু দারুণ হবে! আমার বয়ফ্রেন্ড ট্রিপল ই তে, একসাথে খুব চিল করতে পারবো কার্জনে!”

পদার্থবিজ্ঞানের খেলা!

পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে দুশ্চিন্তা? আর নয়! ১০ মিনিট স্কুল তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছে পদার্থবিজ্ঞানের মজার এক সিরিজ যেখানে তোমরা শিখতে পারবে ভয় নয় বরং আনন্দের সাথে।
তাহলে আর দেরি কেন! দেখে ফেলো এই প্লে লিস্টটি আর মজায় মজায় ঘুরে এসো ফিজিক্সের অলিগলি থেকে।

অতঃপর প্রস্থান

এক নিমেষে পৃথিবীটা ধুলোয় মিশে যায় সুজনের। কতো স্বপ্ন, কত পরিকল্পনার এরকম অপমৃত্যু মানতে পারে না সে। এ ইউনিটে পরীক্ষাই দেয় না সে! ডি ইউনিটে পরীক্ষা দিলেও সুজন আর আগের সুজন থাকে না। ভেঙ্গে পড়া মানুষ হয়ে যায় সে। ফলাফল শূন্য! কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় না সে। ভগ্নহৃদয়ে ফিরে আসে বাসায়। ফিরে যায় সেই চিরচেনা গ্রামে, মায়ের কাছে।

পরের গল্পটা সামান্যই। পরিবার থেকে তাকে বলা হয়, তার পড়ালেখার পেছনে আর কোন টাকা দেয়া সম্ভব নয়। উল্টো তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। দরিদ্র পরিবারে একটু আয়ের উৎস হতে হয় তাকে। বিয়েতে তাই সম্মতি দেয়াই লাগে! শ্বশুরের দোকান আছে একটা, আপাতত সেটাই দেখভাল করবে সে। সব ভুলে সংসারজীবন শুরু করতে হয় সুজন মিয়াকে।

শেষ হইয়াও হইলো না শেষ

গল্পটা এখানেই শেষ হতো। হয়নি আসলে একটা বাসের জন্যে। বাসের নাম আইসিটি বাস। তার এডমিশনের সময়ের সেই 10 Minute School যখন একটা বাস নিয়ে তাদের হবিগঞ্জে এসে পৌছুলো, দোকান ফেলে সুজন চলে গেলো পুরো ব্যাপারটা দেখতে। সেই 10 Minute School, সেই নিতু। কতো স্মৃতি! সেদিনের প্রোগ্রামে ছিলো সুজন। শুনেছিলো স্বপ্নভঙ্গ আর ঘুরে দাড়ানোর গল্প! একটু পরিবর্তন এসেছে তার মধ্যে।

confidence-photo-i

না, এটা চিরাচরিত সব বাধা পেরিয়ে সুজনের বিজয়ের রূপকথা নয়। সে এখনো দোকানই চালায়, রাতারাতি সে নামকরা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় নি। কিন্তু সে চেষ্টা করছে। দোকানের সেই খুপরির মাঝেই রবির থ্রিজি নেটওয়ার্কে সে লাইভ ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। ফেলে দেয়া বইখাতাগুলো পড়ে চেষ্টা করে আত্মস্থ করার। দ্বিতীয়বার ভর্তিপরীক্ষা দেবে সে। এবার আর ঢাকা শহরে এক আগন্তুক হয়ে নয়, নিজ বাসভূমে প্রস্তুতি নিয়েই ভর্তিযুদ্ধে শামিল হবে সে। বিজয়ের প্রতিজ্ঞা তার চোখে-মুখে!


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.