বইয়ের আস্তানায় স্বাগতম

Dreams don't let him sleep at night. Though he roams and finds himself here and there, he only loves to see a bluish sky in a moonlit night. A tranquil moonshine...

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

তোমরা যদি কেউ নিয়মিত অমর একুশে গ্রন্থমেলায় গিয়ে থাকো তবে হয়তো দেখতে পেয়েছো একজন ভদ্রমহিলা নিজের বই কেনার জন্য মানুষের কাছে কাছে যাচ্ছে। তার বইটি নেয়ার জন্য মানুষের কাছে মিনতি করছে। অনেকে ভাবে, তিনি আর্থিকভাবে অস্বচ্ছলভাবে থাকায় হয়তো এ কাজ করছেন। কিন্তু খোঁজ নিলে দেখা যায় তিনি বেশ বিত্তবান বটে! শুধুমাত্র বইয়ের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বাড়ানোর জন্য তিনি হাতে বই নিয়ে মানুষের কাছে আকুতি মিনতি করেন।

আমাদের দেশজুড়ে ছড়িয়ে আছে এমন হাজারো বইপোকা। যারা কিনা বই পড়ে আনন্দ নেবার জন্য যে কোন কিছু করতে প্রস্তুত। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বইমেলা কিংবা প্রকাশনী থেকে নতুন বই কেনা সব সময় সম্ভব হয়না। মাঝমধ্যে আবার দরকারি বইটা খুঁজেও পাওয়া যায় না কোথাও! এরকম বিভিন্ন ধরণের বাধা বিপত্তি এড়িয়ে একদম বিনামূল্যে বই পড়ার মাধ্যমগুলো নিয়ে আজ আলোচনা করা হবে এই লেখায়। সুতরাং বইয়ের আস্তানা নিয়ে তৈরি আজকের ব্লগে তোমাকে স্বাগতম।

অনেকেই স্মার্টফোনে ই-বুক কিংবা পিডিএফ ফরম্যাটে বই পড়ে থাকে। তবে তাতেও সমস্যা। অন্য কেউ লিংক না দিলে অনেকেই পছন্দমত বই খুঁজেই পায় না। আমরা ইন্টারনেটে বই পড়া নিয়ে সবার পরে আলোচনা করবো। তার আগে চলো দেখে নেয়া যাক ঢাকার বুক ক্যাফেগুলো, যাতে ইন্টারনেট নয়, বরং নতুন মলাটের সত্যিকারের বই হাতে নিয়ে পড়তে পারবে নিমিষেই।

বেঙ্গল বই

জায়গাটা ধানমন্ডিতে। তিনতলার পুরোটাজুড়ে চমৎকার সব স্থাপত্যশৈলী ও খোলামেলা পরিবেশ। তিন তলা ভাগ করা হয়েছে আলাদা আলাদা ভাবে। একদম উপর থেকে অর্থাৎ তৃতীয় ও দ্বিতীয় তলায় রয়েছে দেশী ও বিদেশী বইয়ের সমাহার। নিচতলায় রয়েছে ক্লাসিক সব বই ও ম্যাগাজিন। দেয়ালজুড়ে রয়েছে সব অনন্য চিত্রকর্ম। অসুস্থ কিংবা চলাফেরায় অক্ষম মানুষদের জন্য রয়েছে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করা কিংবা বই পড়ার সুযোগ।

‘বেঙ্গল বই’ নামের বুকশপ ক্যাফেটিকে ভাগ করা হয়েছে চারটি অংশে। আর সেগুলো হলো, ‘বারান্দায় কফি’, ‘বইয়ের হাট’, ‘আকাশকুসুম’ ও ‘বৈঠক খানা’। শিগগিরই ছাদে শুরু হবে নতুন আয়োজন ‘চিলেকোঠায় কাবাব’। বারান্দায় কফি নামের আয়োজন দোতলায়। দ্বিতীয় তলার বারান্দায় বসে কফি খেতে খেতে বই পড়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সেখানে। এখানে কবিতা পাঠের আসর থেকে শুরু করে বিভিন্ন গড়ণের সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করা হয় মাঝমাঝে। উপস্থিত থাকেন লেখকরাও। বেঙ্গল বইয়ের ‘বৈঠকখানা’য় কেউ পুরনো দুইটি বই ডোনেট করলে বেঙ্গল বইয়ের পুরনো সংগ্রহ থেকে সে একটি বই নিতে পারবে।

বেঙ্গল বইয়ের স্থাপত্যের নকশা করেছেন তাহমিদা আফরোজ। তিনি পুরো ভবনজুড়ে রেখেছেন সবুজের ছোঁয়া। তারই ধারাবাহিকতায় বেঙ্গল বইতে দেখা মিলবে ঝুলন্ত বারান্দার। এতসব আয়োজনের মাঝে বই পড়তে নিশ্চিত নেহায়তই মন্দ লাগবেনা। এখান থেকে যে কোন দেশি বিদেশী বই কেনা যাবে নির্দিষ্ট ডিসকাউন্টে। আর বেঙ্গল বইয়ের ভেতরে বসে সকাল নয়টা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত বই পড়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। লাগবেনা কোন অর্থ কিংবা রেজিষ্ট্রেশন।

বাতিঘর

লাল ইটের দেয়াল এবং মোঘল সম্রাজ্যের অন্যতম বিখ্যাত স্থাপত্য লালবাগ কেল্লার আদলে তৈরি করা হয়েছে জনপ্রিয় বুক ক্যাফে ‘বাতিঘর’। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে লক্ষাধিক বই নিয়ে রাজধানীর বাংলামটরে তৈরি করা হয়েছে ‘বাতিঘর’। এটি মূলত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অষ্টম তলায় অবস্থিত। এখানে রয়েছে সফট ড্রিংক্স ও কফির ব্যবস্থা। পাঠকের গল্প করবার জন্য রয়েছে খোলা বারান্দা।

বাতিঘরের ভেতরে রয়েছে ছোট্ট একটি মঞ্চ। যেখানে হয় সাহিত্য আলোচনা কিংবা বই সম্পর্কিত কোন অনুষ্ঠান। এইতো সেদিন ওপার বাংলার সমরেশ মজুমদার এসেছিলেন এখানে।  মজার ব্যাপার হলো, মঞ্চটির অভ্যন্তরীণ সজ্জা হলো লালবাগ কেল্লার পরীবিবির মাজার। এখানে থাকা চেয়ারগুলোও সাজানো আছে মোঘল রীতি অনুসারে। সেলস কর্ণারটি সাজানো আছে ফতেহপুরের সিক্রির মত করে, যেখানে বসে গান করতেন সংগীতজ্ঞ তানসেন। শিশুদের জন্য রয়েছে আলাদা কর্ণার। সেই জায়গাটি সজ্জিত হয়েছে কাঁচ ও কাঠ খোদাইয়ের বাহারী সব নকশায়। বাতিঘরে সকাল নয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত ইচ্ছেমত বই পড়া যাবে কোন ধরণের ফি প্রদান ছাড়াই। রয়েছে বাংলা ও ইংরেজি বইয়ের বিশাল সমাহার।

দ্য নার্ডি বিন কফি হাউজ

ইংরেজি সাহিত্য পড়ুয়া কিশোর-কিশোরীদের জন্য এক স্বর্গরাজ্য হলো এটি। ধানমন্ডিতে অবস্থিত ‘দ্য নার্ডি বিন কফি হাউজ’ নিঃসন্দেহে একটি মনোরম জায়গা। ভিনটেজ স্টাইলে করা অভ্যন্তরীণ সজ্জা ও মনোরম পরিবেশে কফির ধোঁয়া ওঠানোর সাথে সাথে হাতে ইংরেজি বই নিয়ে মেতে থাকতে তোমার এক্ষুণি চলে যেতে হবে সেখানে। এখানে রয়েছে ইংরেজি বইয়ের বিশাল সমাহার। হালকা স্ন্যাক, আড্ডা ও কফি থাকায় কিশোর কিশোরী পাঠকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এটি। মাঝে মধ্যে এখানে আয়োজন করা হয় লাইভ মিউজিকের।

সব বয়সী পাঠকদের জন্যই এখানে বই রাখা আছে। তবে এখান থেকে বই কেনা যায় না; বরং শুধু পড়ার জন্যই।

[tmsad_ad type=”video”]

 

দীপনপুর

প্রকাশক ফয়সল আবেদিন দীপনের পঁয়তাল্লিশতম জন্মদিনে এলিফ্যান্ট রোডে যাত্রা শুরু করে বইঘর ‘দীপনপুর’। ‘দীপনপুর’ অবস্থিত রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের দুইশো ত্রিশ নম্বর ভবনে। বুকশপ ক্যাফেটি করা হয়েছে প্রায় তিন হাজার স্কয়ার ফুট জায়গাজুড়ে।

দীপনপুরে বই পড়ার জায়গা ছাড়াও রয়েছে বই নিয়ে আয়োজন করার স্থান ‘দীপনতলা’। চাইলে যে কেউ কতৃপক্ষের অনুমতিক্রমে এখানে আয়োজন করতে পারে কবিতা পাঠ, সাহিত্য আড্ডা কিংবা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন। খাবারের জন্য রয়েছে ‘ক্যাফে দীপাঞ্জলি’। স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তার পাশাপাশি এখানে পাওয়া যায় ফ্রেশ জুস, কোলা কিংবা অন্য কোন পানীয়। শিশুদের বই পড়া ও ছবি আঁকার জন্য রয়েছে ‘দীপান্তর’। সেখানেই আছে শিশুদের খেলনা সামগ্রী। শিশুদের জন্য মাঝেমধ্যেই আয়োজন করা হয় গল্প বলার আসর অথবা বরেণ্য ব্যক্তিদের সাথে শিশুদের মত বিনিময় সভা।

পাঠক সমাবেশ

ঢাকার শাহবাগে অবস্থান পাঠক সমাবেশের। অন্যান্য বুকশপ ক্যাফের তুলনায় জায়গা কিছুটা সংকীর্ণ হলেও বইয়ের কোন কমতি নেই। রয়েছে দেশী ও বিদেশী অনেক জনপ্রিয় সব বই। অন্যান্য বুকশপের মত এখান থেকেও কেনা যায় বই নির্দিষ্ট ডিসকাউন্টে।

[tmsad_ad type=”video”]

শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর থেকে ধানমন্ডির দিকে যেতেই এর অবস্থান। এখান থেকে অন্য দু’টি বুকশপ ক্যাফে ‘দীপনপুর’ এবং ‘বাতিঘর’ এর দূরত্ব প্রায় সমান। বলা যায় এটির অবস্থান কেন্দ্রে। ছুটির দিন সহ সপ্তাহে সাত দিন যে কেউ পাঠক সমাবেশে বসে যে কোন বই পড়তে পারে কোন ধরণের গ্রাহক কিংবা অর্থ পরিশোধ করা ছাড়াই।

এছাড়াও রাজধানীতে বিনামূল্যে বই পড়ার জায়গা রয়েছে আরো অনেক। রয়েছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের লাইব্রেরী কিংবা জাতীয় গ্রন্থাগার।

হাতের মুঠোয় বই

এতক্ষণ তো জানলাম বই পড়ার জায়গা সম্পর্কে। এবার মুঠোফোনে বই পড়ার সব খবর জানাবো তোমাদের। স্মার্ট দুনিয়ায় নিজেকে স্মার্ট হতে সহজ করে দিয়েছে হাতের মুঠোয় থাকা তোমার স্মার্টফোন। একটা সময় যে কোন বুকশেলফে শ’খানেক বই রাখতে গিয়ে হিমশিম খেতে হতো সেখানে হাতের মুঠোর স্মার্টফোনে এখন নিমিষেই রাখা যায় হাজার হাজার পূর্ণাঙ্গ বই। নেই সেখানে  বই নষ্ট হবার কোন সম্ভাবনা। অথবা নির্দিষ্ট স্থানে বসে পড়বারও প্রয়োজন নেই। পকেটে বোঝাই করেই ঘোরা যাবে হাজার হাজার বই। আমরা এখন পরিচিত হবো এমন কয়েকটি এন্ড্রয়েড অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটের সাথে যাদের সাহায্যে বই পড়া যাবে নিমিষেই এবং করা যাবে আলোচনা ও দেয়া যাবে রেটিং ও! বন্ধুদের সাথে এসব অসাধারণ বিষয়গুলো শেয়ার করতে এক্ষুনি জেনে নাও নিচের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটগুলো সম্পর্কে।

তবে তার আগে সতর্কবার্তা হিসেবে জানানো প্রয়োজন যে অতিরিক্ত সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে স্ক্রিনের নীলাভ এক ধরনের তেজস্ক্রিয়তা চোখের রেটিনায় প্রবেশ করে চোখের দৃষ্টি প্রসারণে বাধাগ্রস্থ করে। ভবিষ্যতে চোখের ক্ষতিও হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে আলো-আধারি হিসেব করে ফোনের ব্রাইটনেস নির্ধারণ করা কার্যকরী আইডিয়া৷ কিছু ফোনে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেও হয়ে থাকে। আবার কিছু বুক রিডার অ্যাপেও এটির ব্যবস্থা রয়েছে। তাই এদিকে খেয়াল রাখা বিশেষ প্রয়োজন।

সেইবই

সেইবই একধরণের অনলাইন পাঠাগারই বলা চলে। এখান থেকে যে কোন ব্যবহারকারী নিজের ইচ্ছেমত বই সংগ্রহ করতে পারবে। সাম্প্রতিক কালে প্রকাশিত বেশ কিছু জনপ্রিয় বই পাওয়া যায় সেখানে। বইগুলো পড়তে খরচ করতে হয় সামান্য কিছু টাকা। তবে চিরচায়িত অসংখ্য বই পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন শব্দ ও বাক্য শনাক্ত করে বাংলা অভিধানে সেটি খোঁজার ব্যবস্থাও রয়েছে। রয়েছে ফন্ট সাইজ নির্ধারনের। সেইবই এর ওয়েবসাইট হলো sheiboi.com

বেঙ্গল ই-বই

বেঙ্গল ই-বুকে রয়েছে আড়াই’শ এর উপর বেশি বই। তবে আনন্দের ব্যাপার হলো এপার এবং ওপার বাংলার জনপ্রিয় লেখকদের সাথে চুক্তি করে সম্প্রতি বেঙ্গল ই-বুকে যুক্ত হচ্ছে দুই হাজারের বেশী বই। তবে এটি হবে বাংলা বইয়ের সমৃদ্ধ এক ইন্টারনেট ভার্সন হতে যাচ্ছে। বই পড়ার জন্য তৈরী করা বিশ্বের প্রায় সব ধরণের ডিভাইস কিংবা রিডারে পড়া যাবে বেঙ্গল ই-বই। ফন্ট পরিবর্তন, নাইট মুড কিংবা উজ্জ্বলতা বাড়ানো কমানো সহ বিভিন্ন ফিচার যোগ করা আছে এটিতে। যার সাহায্যে খুব আরামে বই পড়া সম্ভব। ক্রয় করে কিংবা বিনামুল্যে উভয়ভাবেই রয়েছে বই পড়ার সুবিধা। বেঙ্গল ই-বই এর এন্ড্রয়েড ভার্সন রয়েছে গুগল প্লে স্টোরে। bengalboi.com হলো এটির অফিসিয়াল ওয়েবসাউট।

 

আলোর পাঠশালা

এটি মুলত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির অনলাই কার্যক্রম। এতে রয়েছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের নিজস্ব প্রকাশনার নির্বাচিত প্রায় দুইশত বই। আগ্রহী যে কোন বয়সের পাঠক এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। এবং শহজেই ডাউনলোড করে বই পড়তে পারবে। বর্তমানে তৈরী হয়েছে আলোর পাঠশালার স্মার্টবুক অ্যাপ। প্রতিটি বইয়ের পিডিএফ রয়েছে এখানে। আলোর পাঠশালা অনলাইম কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে ঘুরে আসো তাদের ওয়েবসাইট alorpathshala.org এই লিংকে।

অ্যালডিকো

অ্যালডিকো হলো এক ধরণের বুক রিডার। যেখানে রয়েছে দশ হাজারের বেশী বই। অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড কৃত বইও এটির সাহায্যে পড়া যাবে খুব সহজেই। অন্যান্য অ্যাপ ও রিডারের মত ফন্ট সাইজ কিংবা হাইলাইট করা ছাড়াও এখানে রয়েছে বই সাজিয়ে রাখার জন্য ভার্চুয়াল শেলফ। ইংরেজি বই নিমিষেই পড়া গেলেও বাংলা বই পড়তে এখানে সমস্যা দেখা দেয়। মুল সমস্য দেখা দেয় ফন্টে। তবে ইংরেজি বইয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত সেরকম কোন সময় হয়না। এন্ড্রয়েড ও আইওএসের জন্য অ্যালডিকোর অ্যাপও পাওয়া যায়। আগ্রহীরা ঘুরে আসতে পারো তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটaldiko.com এ।

মুনপ্লাস রিডার

এটিও অ্যালোডিকোর মতই একটি বুক রিডার। তবে অন্যগুলোর তুলনায় এটির ডিজাইনে রয়েছে বৈচিত্র‍্যতা। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃষ্টা পরিবর্তন করতে পারবে মুনপ্লাস রিডারে। পাওয়া যাবে অডিও বুক, যার সাহায্যে খুব সহজেই বইগুলো শুনতে পারা যাবে।অর্থাৎ বোরিং সময়ে কিংবা ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকা গাড়িতে বসে থাকলে কানে শুধু ইয়ারফোন গুজে দিলেই হলো। এর অ্যানিমেশনও বেশ চমৎকার। বিনামুল্যে এর হালনাগাদ কিংবা সংস্করণের মাধ্যমে তুমি পরিবর্তন করতে পারবে থিম। moondownload.com হলো এটির ওয়েবসাইট লিংক।

★তথ্যসূত্রঃ

  • কালের কণ্ঠ
  • কিশোর আলো
  • ইন্টারনেট

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

 

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?