জানাশোনার নেইতো শেষ!

ভালবাসি বই পড়তে আর টুকটাক লিখতে পছন্দ করি।

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

জানার কোন শেষ নেই। মানুষ জন্মগতভাবেই জ্ঞানপিপাসু। তাই জ্ঞান অন্বেষণে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়ায় দুনিয়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। বলা হয়ে থাকে, জ্ঞান হারানো সম্পদের মত, যেখানেই পাওয়া যায় তা কুড়িয়ে নিতে হবে। কথাটি অনেকাংশেই সত্য। এই মহাবিশ্ব যেমন এক বিস্ময়কর আবিষ্কার, তেমনি এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানান রকম বিস্ময়কর ঘটনা। এর অধিকাংশই আমাদের কাছে অজানা।

তেমনই কিছু অজানা জ্ঞানের ঝুড়ি নিয়ে আজকের আয়োজন:

১. মাছির কীর্তি:

ভয়ংকর প্রাণীর নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে বৃহদাকার কোন না কোন প্রাণীর ছবি ভেসে উঠে। কিন্তু আসলে কি তাই? বড় মানেই ভয়ঙ্কর? না আসলে এমনটি নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী হল মাছি। কারণ তারা আবর্জনাতে বেশি বাস করে। আবর্জনা থেকে জীবাণু নিয়ে মাছি এখানে ওখানে উড়ে বেড়ায়। আর সুযোগমত ছড়িয়ে দেয় চারপাশে। এভাবে অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে বেশি পরিমাণে জীবাণু ছড়ায় মাছি এবং এ কারণেই মাছি খুব ভয়ঙ্কর।

২. সত্যিকারের মাংসাশী:

আমরা অনেক মাংসাশী প্রাণীর নাম শুনেছি। যেমন: বাঘ, সিংহ ইত্যাদি। কিন্তু ‍সত্যিকারের মাংসাশী প্রাণী কিন্তু এরা নয়; বরং সাপ। কেননা সাপ কোন প্রকার ‍উদ্ভিদজাতীয় খাবার খায় না। মাংসই তাদের প্রধান খাবার।

৩. বৃহত্তম উভচর:

যেসব প্রাণী জলে এবং স্থলে উভয় জায়গাতেই বাস করে তাদের উভচর প্রাণী বলে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উভচর প্রাণী হচ্ছে সালামান্ডার। এটি দৈর্ঘ্যে ৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। অর্থাৎ আস্ত এক মানুষের সমান প্রায়।

৪. ভাইরাসের ইতিবৃত্ত:

ভাইরাস এর নাম আমরা কম বেশি সবাই জানি। অনেক রোগের জন্য দায়ী বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস। আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে এই ভাইরাসের আবিষ্কার হয়। ভাইরাস প্রাণী এবং উদ্ভিদ ‍উভয়ের দেহেই পাওয়া যায়।

৫.  নীল তিমির শব্দ:

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ জলজ প্রাণী হল নীল তিমি। এ প্রাণীর একটি মজার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ১৮৮ ডেসিবেল পর্যন্ত তীব্র শব্দ সৃষ্টি করতে পারে, যা ৫৩০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়।

৬. পড়ে না চোখের পলক!

চোখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। দেখতে না পেলে বেঁচে থাকাটাই অর্থহীন হয়ে পড়ে। আর চোখ থাকলে পলক তো পড়বেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, মানুষের চোখের পলক গড়ে প্রতি বছর ৪,২০০,০০০ বার পড়ে। বিষয়টি আমাদের অনেকেরই হয়ত জানা নেই।

৭. বাদুড়ের হাঁটা:

আমরা সবাই জানি বাঁদুর চোখে দেখে না। কিন্তু হাঁটতেও পারে না। বাঁদুরের পায়ের হাড় অনেক সরু বলে এরা হাঁটতে পারে না।

৮. পিঁপড়ার মস্তিষ্ক:

পৃথিবীর সবচেয়ে পরিশ্রমী প্রাণী হল পিঁপড়া। এটিই পৃথিবীর একমাত্র প্রাণী যার মস্তিষ্ক দেহের তুলনায় অনেক বড়। মস্তিষ্ক বড় বলেই কি ওরা পরিশ্রম বেশি করে?

৯. রক্তের রং কি আসলেই লাল?

রক্তের রং কী? এ প্রশ্নের উত্তরে সবাই বলবে লাল। কিন্তু সব প্রাণীর রক্ত লাল নয়। যেমন গলদা চিংড়ির রক্তের রং নীল।

১০. ডানার বিচরণ:

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম পাখি হল হামিংবার্ড। গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার উড়তে পারে এরা। ওড়ার সময় এদের ছোট্ট দুটি ডানা গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ৮০ বার ওঠা-নামা করে।

জেনে নাও প্রয়োজনীয় লাইফ হ্যাকসগুলো!

আমাদের বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের একটা বড় সমস্যা হতাশা আর বিষণ্ণতা।

দেখে নাও আজকের প্লে-লিস্টটি আর শিখে নাও কিভাবে এসব থেকে বের হয়ে সাফল্য পাওয়া যায়!

১০ মিনিট স্কুলের Life Hacks সিরিজ

১১. মাছির আয়ু:

মাছি যে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী তা তো জানলাম। দ্বিপক্ষবিশিষ্ট এ প্রাণীর গড় আয়ু মাত্র ২ সপ্তাহ।

১২. মাথার থেকে চোখ বড়!

নামে পাখি হলেও আদতে একেবারেই উড়বার ক্ষমতা নেই যার সে হলো অস্ট্রিচ পাখি। এই পাখিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এদের চোখ তাদের নিজেদের মস্তিষ্কের চেয়ে আকারে বড়।

১৩. চিংড়ির হৃদপিন্ড:

চিংড়ি, খেতে খুব মজা। এই চিংড়ির হৃদপিন্ড বুকে নয়, মাথায় থাকে।

১৪. জিরাফের কান্ড:

আকারে লম্বা এবং উঁচু বলে উচ্চতম প্রাণীদের কাতারে জিরাফের অবস্থান প্রথম সারিতে। জিরাফের দৃষ্টিশক্তিও খুব প্রখর। জিরাফ যেমন লম্বা তেমনি তার হৃদপিন্ডও বেশ বড়। গড় দৈর্ঘ্য ২ ফুট।

১৫. পেশীর ওজন:

ওজন নিয়ে আমাদের চিন্তার যেন শেষ নেই। কিন্তু মজার ব্যাপার হল মানুষের দেহের অর্ধেক ওজন হল তার পেশীর ওজন।

১৬. মাথা ছাড়াই দিব্যি ঘুরতে পারে যে প্রাণী!

তেলাপোকা খুবই বিরক্তিকর একটি প্রাণী। এদের বিরক্তিকর স্বভাবের জন্য পেস্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। তেলাপোকা তার মাথা ছাড়াই কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারে।

১৭. রক্তকোষের কথা:

রক্তে সাধারণত যে কোষ পাওয়া যায় তাকে রক্তকোষ বলে। মানুষের দেহে প্রতি সেকেন্ডে ১৫ মিলিয়ন রক্তকোষ উৎপন্ন ও ধ্বংস হয়।

১৮. আলসের দল!

ঘুমের শিরোমণি নামে পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকার গেছো প্রাণী স্লথ। কারণ এরা দিনে ১৫ ঘন্টার বেশি ঘুমায়। বড় শিকারি প্রাণীদের মধ্যে সিংহের ঘুমের খ্যাতি রয়েছে। এরা দিনের বেশির ভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটাতে পছন্দ করে।

ন্দী অবস্থায় সিংহ দিনে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকে। আর এক প্রজাতির ছোট্ট ইঁদুর প্রতিদিন ঘুমায় ২০ ঘণ্টা ১০ মিনিট।

১৯. বহুরূপী অক্টোপাস:

অক্টোপাস আটটি বাহুবিশিষ্ট সামুদ্রিক প্রাণী। এরা ইচ্ছেমত নিজের দেহের রং পরিবর্তন করতে পারে। এদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল এদের চোখের মণি চারকোণা আকৃতির।

২০. এক মুহূর্ত আসলে কতটুকু?

আমরা অনেক সময়ই বলি এক মুহূর্তের মধ্যে কাজটি করে দিচ্ছি। এই এক মুহূর্ত বলতে ইংলিশ টাইম ইউনিট অনুযায়ী দেড় মিনিটকে বুঝায়। অর্থাৎ এক মুহূর্তের সময় মান হচ্ছে মাত্র ৯০ সেকেন্ড।


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.