বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন যারা

মনে-প্রাণে এবং ঘ্রাণে একজন লেখক। কলমের শক্তিতে দেশটাকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখি। পৃথিবীর অলি-গলি-তস্যগলি পর্যন্ত ঘুরে দেখার ইচ্ছে নিয়ে দিন কাটছে। ভালোই তো কাটছে!


পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

অন্যের অধীনে চাকরি না করে নিজেই কিছু করা’, তথা আত্মকর্মসংস্থান করা তোমাদের অনেকেরই স্বপ্ন। আসলেই তো, যখন কারো উপযুক্ত শিক্ষা, দক্ষতা, যোগ্যতা সবই আছে; তখন কেন শুধু শুধু চাকরির আশায় বসে থাকা? চাকরির আশায় বেকার বসে থাকার চেয়ে বরং উদ্যোক্তা হয়ে নিজেই নিজের কাজের ব্যবস্থা করে ফেলা যায়!

কিন্তু উদ্যোক্তা হতে তো অনেক কিছুই লাগে। সবার আগে যেটা প্রয়োজন, সেটা হচ্ছে মূলধন বা পুঁজি। তা না হলে তো কোনো কিছু শুরুই করা যাবে না। কিন্তু কোথায় পাওয়া যাবে পুঁজি?

আচ্ছা, পুঁজির কথা না হয় বাদই দিলাম। তার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে, এখনো তো উদ্যোক্তা হওয়ার বয়সই হয় নি! মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছো, আগে স্নাতক শেষ করবে, তারপর না হয় ধীরে সুস্থে উদ্যোক্তা হওয়ার কথা ভাবা যাবে। এত আগেই শুধু শুধু এসব নিয়ে চিন্তা করার কী দরকার!

বেশিরভাগ মানুষই এ ধরনের চিন্তা করে থাকে! তুমিও কি এমনটাই ভেবে বসে আছো? প্রবল ইচ্ছা, দক্ষতা আর প্রচুর অবসর থাকা সত্ত্বেও কেবল ‘বয়স’ হয় নি বলে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নকে ছাইচাপা দিয়ে রেখেছো?

যদি তুমিও এমনটাই ভেবে থাকো, তাহলে কিন্তু সত্যিই ভুল ভাবছো। এমন বেশ কয়েক জন উদ্যোক্তা আছেন, যারা তোমার এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে ফেলেছেন। চলো, এমন সাত জন ‘কিশোর উদ্যোক্তা’র কথা জেনে আসা যাক, যারা প্রত্যেকে কৈশোর পেরুনোর আগেই মিলিয়নিয়ার হয়ে গিয়েছিলেন!

১.  ফ্রেসার ডোহার্তে

সকালবেলা পাউরুটির উপর জ্যাম রেখে ছুরি দিয়ে আলতোভাবে ছড়িয়ে দিয়ে তারপর একটা কামড়… আহ, নাস্তা হিসেবে মোটেও মন্দ নয়! জ্যাম খেতে কার না ভালো লাগে? আর এই ভালো লাগার খাবারটি থেকেই বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছিলেন ফ্রেসার ডোহার্তে।

 ১৯৮৮ সালে ফ্রেসার ডোহার্তের জন্ম। মাত্র ১৪ বছর বয়সে দাদির কাছ থেকে জ্যাম বানানো শেখেন তিনি। জ্যাম বানিয়ে বাড়ির আশেপাশে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা শুরু করেন ফ্রেসার। জ্যাম ব্যবসায় মনোযোগী হতে ১৬ বছর বয়সে স্কুল ছেড়ে দেন তিনি। প্রতিষ্ঠা করেন ‘সুপার জ্যাম’।

২০০৭ সাল নাগাদ মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি প্রায় ১৮৪টি ফুড স্টোরে সুপার জ্যাম সরবরাহ শুরু করেন। ২০১১ সাল নাগাদ প্রায় ১২ লক্ষ মার্কিন ডলার মূল্যের জ্যাম বিক্রি করে তার প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সমগ্র ইউরোপ জুড়ে হাজারো ফুড স্টোরে শোভা পায় সুপার জ্যামের কৌটো।

বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রমের সাথেও জড়িত আছেন ফ্রেসার।মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবেও যুক্তরাজ্যে দারুণ জনপ্রিয় তিনি। তাঁর কথায়,

“My story shows that what can start as a passion, with love and hard work, can grow into something amazing. Something that changes your life.”

বর্তমানে ফ্রেসার ডোহার্তের নিট সম্পদের পরিমাণ ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

২.  ক্যামেরন জনসন

যে বয়সে দু-চারটা গল্পের বই কেনার টাকার জন্য বাবা-মায়ের কাছে হাত পাততে হয়, সে বয়সেই যদি কেউ প্রতি মাসে লাখ লাখ ডলার উপার্জন করে; তাহলে বাকিদের চোখ কি কপালে উঠে যাওয়ার কথা?

এরকমই এক সৌভাগ্যবান ক্যামেরন জনসন। জন্ম ১৯৮৫ সালে। মাত্র ৯ বছর বয়সে ইনভাইটেশন কার্ড বিক্রি করার মাধ্যমে জনসন তার ব্যবসা শুরু করেন। এই ব্যবসা থেকে যথেষ্ট পরিমাণ লাভ হয় জনসনের। লাভের টাকা দিয়ে ১১ বছর বয়সে প্রতিষ্ঠা করেন Cheers and Tears। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় নি তাকে। একে একে বিভিন্ন ব্যবসা শুরু করেন । EZ mail নামে একটি জনপ্রিয় ইমেইল ফরওয়ার্ডিং সফটওয়্যার তৈরি করেন। এরপর প্রতিষ্ঠা করেন surfingprice.com। এই ওয়েবসাইটটি অনলাইন বিজ্ঞাপন সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

 মাত্র ১৫ বছর বয়সেই জনসন একটি টোকিও ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। সে সময় থেকেই তিনি মাসিক প্রায় চার লক্ষ ডলার করে উপার্জন করতে শুরু করেন। একই বছর জাপানে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম বই, ‘15-Year-Old CEO’। বইটি সে বছর বেস্ট সেলার তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসে।

জনসনের কথায়, “True prosperity isn’t something you take from the world; it’s something you share with the world.”

 কিশোর বয়সেই দুর্দান্ত সব অর্জনের জন্য যদি কারো উপর হিংসে করতেই হয়,  ক্যামেরন জনসন কিন্তু তার শতভাগ যোগ্য দাবিদার!

 বর্তমানে জনসনের নিট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লক্ষ মার্কিন ডলার।

৩.  জুলিয়েট ব্রিন্ডাক

২০০৫ সালের এক স্নিগ্ধ বিকেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেয়ারফিল্ড কাউন্টির গ্রীনিচ শহর। ছিমছাম দোতলা একটা বাড়িতে চলছিলো জন্মদিনের অনুষ্ঠান। ৮ বছর বয়সী অলিভিয়ার জন্মদিন আজ। বাড়িতে অলিভিয়ার বন্ধু-সহপাঠী নিয়ে হুলস্থূল কাণ্ড।

হঠাৎ অলিভিয়ার বড় বোন জুলিয়েট আবিষ্কার করলো, অলিভিয়ার বান্ধবীরা কেউই জন্মদিনের কেক খেতে চাইছে না মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে!

১৬ বছর বয়সী জুলিয়েটের মনে ব্যাপারটা বেশ দাগ কেটে গেল। মাত্র ৮-৯ বছর বয়সী মেয়েরা মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে কেক খাচ্ছে না, ব্যাপারটা মোটেও ভালো লাগলো না তার।

 

অনুষ্ঠান শেষে ভাবতে লাগলো জুলিয়েট। তার মাথায় তখন রীতিমতো চিন্তার ঝড় বইছে! জুলিয়েটের মনে হলো, কৈশোরে পা রাখা মেয়েদের জন্য একটি আলাদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দরকার। ব্যস! যেই ভাবা সেই কাজ! জুলিয়েট খুলে ফেললো তার ওয়েবসাইট Miss O and Friends। অলিভিয়াকে প্রায়ই আদর করে Miss O ডাকা হয়, সেই নাম থেকেই ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে দিলো জুলিয়েট। কিশোর বয়সী মেয়েদের গল্প-আড্ডা, কুইজ, গেম খেলা সহ নানা রকম বিনোদন, এছাড়া নিজেদের বিভিন্ন সমস্যায় একে অন্যের সাহায্য নেওয়া অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠলো Miss O and Friends।

কিছুদিনের মধ্যেই সাইটটি ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠলো। বিজ্ঞাপন সহ নানা খাত থেকে আয় হতে লাগলো। ২০১১ সালে জুলিয়েটের ওয়েবসাইটে বিশ্বের বৃহত্তম Girls-Only ওয়েবসাইটেগুলোর তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসে।

বর্তমানে জুলিয়েট ব্রিন্ডাকের নিট সম্পদের পরিমাণ ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৪. ফারাহ গ্রে

দক্ষিণ শিকাগোর রাস্তায় রোদে পোড়া চামড়া নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ৬ বছর বয়সী এক ছোট্ট ছেলে। হাতে বডি লোশনের বোতল। দরজায় দরজায় গিয়ে ডোর বেল চাপছে, দরজা খুলে দেওয়ার পর লোশন বিক্রি করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে ক্রেতার মন জয় করবার। কেউ হয়তো লোশন কিনছে, কেউ কিনছে না। ছেলেটা আবার আরেক বাড়ির দরজায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ছেলেটার নাম ফারাহ খান খালিদ মোহাম্মদ। মাত্র ৬ বছর বয়সে দরজায় দরজায় ঘুরে লোশন বিক্রি করা ছেলেটাই মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে মিলিয়নিয়ার হয়ে যায়, ফারাহ খান খালিদ মোহাম্মদ থেকে হয়ে যায় ড. ফারাহ গ্রে!

জীবিকার তাগিদে ফারাহ বিভিন্ন রকম ব্যবসায় লিপ্ত হন ছোটবেলা থেকেই। সাত বছর বয়সে বিজনেস কার্ড বিক্রি থেকে শুরু করে প্রি-পেইড কার্ডের দোকান পর্যমত… অনেক কিছুই করেছেন ফারাহ। ১৩ বছর বয়সে ১৯৯৭ সালে ফারাহ গ্রে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ফার-আউট ফুডস’। এই প্রতিষ্ঠানটিই ফারাহর ভাগ্য বদলে দেয়। প্রথম বছরেই ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের খাবার সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর ফারাহকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। ব্যবসা সম্প্রসারণ, ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ, সবই হয়েছে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে মিলিয়নিয়ার বনে যাওয়া এই ব্যক্তির জীবনী তোমাদের ভাবাবে নিশ্চয়ই!

৫. অ্যাশলি কোয়ালস

ছোটবেলায় রূপকথার গল্পে পরশপাথরের কথা পড়েছো নিশ্চয়ই? ওই যে, যার স্পর্শে যেকোনো কিছু সোনায় পরিণত হতো!

না, সেরকম কোনো পরশপাথরের কাহিনী বলবো না। তবে অ্যাশলি কোয়ালসের গল্পটাও কিন্তু কম চমকপ্রদ নয়! ৮ ডলার দেনা থেকে ৮ মিলিয়ন ডলারের মালিক বনে যাওয়ার গল্পটা অ্যাশলি কোয়ালসের।

১৯৯০ সালে জন্ম নেওয়া মার্কিন এই তরুণী মাত্র ১৭ বছর বয়সেই মিলিয়নিয়ার হয়ে যান। অথচ তার শুরুটা হয়েছিলো মাত্র ৮টি ডলার থেকে। ২০০৪ সালে, মায়ের কাছে ৮ ডলার ধার নিয়ে অ্যাশলি whateverlife.com ওয়েবসাইটটি প্রতিষ্ঠা করেন। ওয়েবসাইটটিতে বিনামূল্যে My space লে-আউট এবং এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল প্রকাশ করা হতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই ওয়েবসাইটটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। অ্যাশলি তার বাড়ির বেজমেন্টকে অফিস হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন, মা আর স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। কয়েক মাসের মধ্যেই ৭০ হাজার ডলার উপার্জন করতে সক্ষম হন অ্যাশলি। ২০০৬ সালে আড়াই লক্ষ ডলার ব্যয় করে একটি বাড়িও কিনে ফেলেন তিনি। ২০০৭ সালের মধ্যেই অ্যাশলি মিলিয়নিয়ার হয়ে যান। সে সময় প্রতি মাসে তার ওয়েবসাইটে ভিজিটর সংখ্যা ছিল ৭০ লক্ষেরও বেশি!

বর্তমানে অ্যাশলি কোয়ালসের নিট সম্পদের পরিমাণ ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

৬. সীন বেলনিক

সৎ বাবা ছিলেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী। চেয়ার-টেবিল-সোফা-আলমারি-মিটসেফের সাথে তাই সখ্য গড়ে উঠেছিলো ছোটবেলা থেকেই। তাই বোধহয় বেলনিকও সেই পথেই চিন্তা-ভাবনা করতেন।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন bizchair.com। এই ওয়েবসাইটটি মূলত অনলাইন শো-রুম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। খুচরা বিক্রি বাড়ানোর লক্ষ্যে বেলনিক এই সাইটটি প্রতিষ্ঠা করেন।

মাত্র ১০০টি পণ্য নিয়ে ওয়েবসাইটটি শুরু করা হয়। বেলনিকের প্রাথমিক পুঁজি ছিল মাত্র ৫০০ ডলার। ব্যবসা পরিচালনার জন্য আলাদা কোনো অফিস ছিলো না সীন বেলনিকের। নিজের বেডরুমকেই অফিস হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি, সেখান থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ২০০৪ সালে বেলনিক প্রথম একটি গুদামঘর কেনেন। মাত্র ৫ বছরের মাথায় ৭,০২,০০০ বর্গ ফুটের গুদামঘরের মালিক হন সীন বেলনিক। বর্তমানে তার নিট সম্পদের পরিমাণ ৪২ মিলিয়ন ডলার।

৭. অ্যাডাম হিল্ডরেথ

অ্যাডাম হিল্ডরেথের জন্ম ইংল্যান্ডের পশ্চিম ইয়র্কশায়ারে, ১৯৮৫ সালের ২৫ মার্চ। ছোটখাটো গোলগাল চেহারার এই শিশুটিই যে মাত্র ১৪ বছর বয়সে গিনেস রেকর্ড গড়বে, কে জানতো!

১৯৯৯ সালে, মাত্র ১৪ বছর বয়সে অ্যাডাম তার ৭ বন্ধুর সাথে প্রতিষ্ঠা করেন সামাজিক যোগাযোগ সাইট Dubit. এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের সব চেয়ে অল্প বয়সী পরিচালক হিসেবে তারা গিনেস রেকর্ড গড়ে।

 কয়েক বছরের মধ্যেই তাদের ওয়েবসাইটটি যুক্তরাজ্যের সব চেয়ে জনপ্রিয় কিশোর ওয়েবসাইটের স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০৪ সালেই অ্যাডাম যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ২০ কিশোর ধনীর তালিকায় উঠে আসেন। ২০০৫ সালের মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

২০০৫ সালে অ্যাডাম ক্রিস্প থিঙ্কিং প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক সফটওয়্যার তৈরি করতো। স্প্যামিং সহ নানা ধরনের সাইবার ঝুঁকি থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা প্রদানে কাজ করা ছাড়াও ইন্টারনেট সেবা দাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাইল্ড প্রটেকশন টেকনোলজির মানোন্নয়নে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০০৬ সালে অ্যাডাম সিবিআই এর তরুণ উদ্যোক্তা পুরস্কার লাভ করেন। ‘সানডে টাইমস’ কর্তৃক প্রকাশিত ২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ১০০ ধনীর তালিকায় অ্যাডাম হিল্ডরেথের অবস্থান ছিল ২৩ তম।

এই সাতজনই একেবারে কিশোর বয়সে উদ্যোক্তা হয়েছেন, নিজেদের নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এরা প্রমাণ করেছেন, মানুষের বয়স কেবল একটা সংখ্যার চাইতে বেশি কিছু কোনোভাবেই নয়। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য যে বয়স কোনো ব্যাপার না, সেটা নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝে গেছো!

আচ্ছা, তোমার বয়স কত? উদ্যোক্তা হওয়ার ‘বয়স’ তোমারও কি হয়ে গেছে? যদি না হয়, তবে ‘বয়স’ হতে আর কত দেরি?

মনে রেখো, খুব বেশি দেরি করা কিন্তু একদম চলবে না।

একদম না!

তথ্যসূত্র:

https://en.wikipedia.org/wiki/Adam_Hildreth

https://www.fraserdoherty.com/pages/biography

https://en.wikipedia.org/wiki/Ashley_Qualls

https://premierespeakers.com/farrah_gray/bio


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.