পৃথিবীর বুকে স্বর্গ যেসব শহর

মনে-প্রাণে এবং ঘ্রাণে একজন লেখক। কলমের শক্তিতে দেশটাকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখি। পৃথিবীর অলি-গলি-তস্যগলি পর্যন্ত ঘুরে দেখার ইচ্ছে নিয়ে দিন কাটছে। ভালোই তো কাটছে!

পারস্যের হাসান সাব্বাহ। সেলজুক সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী এক গুপ্ত যোদ্ধা। অদ্ভুত কৌশলে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে দীর্ঘ সময় যাবৎ নিজের কর্তৃত্ব টিকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীর বুকে কৃত্রিম স্বর্গ তৈরি করেছিলেন এই ব্যক্তি!

হাসান সাব্বাহ পাহাড় ঘেরা এক সমতল ভূমিতে অপরূপ উদ্যানে তৈরি করেছিলেন। সেই উদ্যানে দুধ, মধু, শরাবের ঝর্ণা ছিল, ছিল অত্যন্ত রূপবতী তরুণীরা। হাসান সাব্বাহ তার নির্বাচিত কিছু শিষ্যকেই কেবল সেই উদ্যানে প্রবেশ করার অনুমতি দিতেন। তবে কৃত্রিম সেই নন্দন কাননে প্রবেশের আগে তাদের হ্যালুসিনেটিং ড্রাগ খাওয়ানো হতো। সেই ড্রাগের নাম ছিল হাশিশ।

হাশিশ শরবত পান করে হাসান সাব্বাহর শিষ্যরা পুরোপুরি ভ্রান্তির জগতে চলে যেতো। সেই উদ্যান থেকে বের করে তাদের দিয়ে চোরাগোপ্তা হামলা চালাতেন হাসান সাব্বাহ। ‘বেহেশত’ এ প্রবেশের নেশায় তার সব কথা বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিতো তার শিষ্যরাও। ফলে হাসান সাব্বাহ হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। আরবি ‘হাশিশ’  শব্দ থেকে ‘হাশাশিন’, সেখান থেকে ‘Assassin’’ শব্দটি এসেছে।

আচ্ছা, এবার ইতিহাস থেকে মুখ ফিরিয়ে বর্তমানের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। হাসান সাব্বাহর তৈরি করা সেই কৃত্রিম স্বর্গোদ্যানে শূয়ে-বসে ভ্রান্তিবিলাসের সুযোগ তো এখন নেই! তবে পৃথিবীর বুকে এমন কিছু শহর আছে, যা বলতে গেলে এক প্রকার স্বর্গের মতোই! সুযোগ-সুবিধা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্নিগ্ধতা; সব মিলিয়ে যেন এসব শহরের সাথে ধুলো-মাটির এই পৃথিবীর অন্য কোনো শহরের তুলনা হতেই পারে না। সে রকম অসাধারণ কিছু শহর নিয়েই আজকের এই লেখাটি।

১. শ্রীনগর, কাশ্মীর

স্বর্গ বলতে আপনি কী বোঝেন? অপরূপ সৌন্দর্যের আধার? প্রকৃতির মনোহর রূপের হাতছানি? চোখ ধাঁধানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য? তাহলে সবার আগে যে নামটি আপনাকে জানতে হবে, তা হচ্ছে কাশ্মীর।

কাশ্মীরকে বলা হয়ে থাকে ভূ-স্বর্গ। ভারতের একেবারে উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রদেশ কাশ্মীর। কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর।

কাশ্মীর মানেই হাড় কাঁপানো শীতের রাজ্য, কনকনে ঠাণ্ডা হাওয়ায় দাঁত কপাটি লেগে যাওয়ার মতো অবস্থা। আর সেই সাথে তুমুল তুষারপাত। শীতকালে কাশ্মীরের পুরোটাই বরফে ঢাকা থাকে। কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর তখন পরিণত হয় এক টুকরো স্বর্গে। চার দিকে শুভ্র তুষার যে কারো চোখ ধাঁধিয়ে দেবে।

শ্রীনগরের প্রাণ কেন্দ্র হচ্ছে ডাল হ্রদ। শীতকালে এই ডাল হ্রদ পুরোপুরি জমে যায়, হ্রদের উপর দাঁড়িয়ে থাকা ‘হাউজ বোট’ গুলোকে তখন স্বর্গের শৈল্পিক প্রাসাদ বলে ভুল হতেই পারে! আর শ্রীনগরের বিভিন্ন মোগল গার্ডেনগুলো বরফের পুরু আস্তরণের নিচে চাপা পড়ে যে অপরূপ সৌন্দর্যের সমাহার ঘটায়, তার সাথে তুলনা চলতে পারে কেবল স্বর্গেরই! তীব্র তুষারপাতে ঘরের বাইরে বের হওয়া দায়, পর্যটকেরা হাউজ বোটের ভেতরে গায়ে কম্বল চাপিয়ে ফায়ার প্লেসের সামনে জবুথবু হয়ে বসে থাকেন। তারপর তুষারপাত থেমে গিয়ে যখন ঝকঝকে রোদ ওঠে, শুভ্র তুষারে রোদ লেগে চিকমিকিয়ে ওঠে; তখনকার সৌন্দর্যের চেয়েও অপরূপ কোনো দৃশ্য বোধ হয় এই পৃথিবীতে কোনো ভাবেই থাকা সম্ভব নয়! কাজেই বেঁচে থাকতে থাকতেই যদি স্বর্গ থেকে ঘুরে আসতে চান, তাহলে বাংলাদেশি হিসেবে কাশ্মীরের চেয়ে ভালো কোনো অপশন হতেই পারে না!

২. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া

স্বর্গের একটা সাধারণ চিত্র আমাদের সবার মনেই গেঁথে আছে। বসবাসের জন্য স্বর্গের চেয়েও ভালো জায়গা হতেই পারে না! স্বর্গ হবে সবচেয়ে বসবাসযোগ্য স্থান।

পৃথিবীতে যদি স্বর্গের একটা ক্ষুদ্র সংস্করণ খুঁজে বের করতে হয়, সেটা অবশ্যই স্বর্গের মতোই বসবাসের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত কোনো জায়গা হতে হবে। আর পৃথিবীতে সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় সবার আগে যে নামটি উঠে আসে, তা হচ্ছে ভিয়েনা!

মধ্য ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র অস্ট্রিয়া। অস্ট্রিয়ার পূর্ব সীমান্তের কাছাকাছি, চেক প্রজাতন্ত্র আর স্লোভাকিয়ার সীমানায়, দানিয়ুব নদীর তীরে অবস্থান ভিয়েনার। ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক, উভয় বিবেচনাতেই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ শহর এই ভিয়েনা।

ভিয়েনা হচ্ছে সঙ্গীতের নগরী। বিশ্ব সঙ্গীতের রাজধানী সম্বোধন করলে মোটেও ভুল হবে না। ভিয়েনাকে প্রায়ই ‘City of Music’ নামে ডাকা হয়। পুরো শহর জুড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য থিয়েটার আর অপেরা। স্থাপত্যকলার দিক দিয়েও ভিয়েনা অনন্য। মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের ইউরোপীয় স্থাপত্যকলার মিশেলে গড়ে উঠেছে ভিয়েনা। ফলে ভিয়েনার সুউচ্চ ভবনগুলোর দিকে প্রায়ই অবাক  বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকতে হয়! রাজসিক দালান ও দোকানপাট, বাজার ও ক্যাফেগুলো এখানকার অধিবাসীদের উন্নত রুচিরই পরিচায়ক।

শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীত নিয়ে যাদের আগ্রহ তাদের কাছে ভিয়েনা যেন এক স্বপ্নপুরী। নিজস্বতার পাশাপাশি পৃথিবীর বহু দেশের শিল্প-সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটেছে এখানে। ভিয়েনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও চোখে পড়ার মতো। প্রতি বছর ভিয়েনাতে যে পরিমাণ পর্যটক আসেন, তা শহরটির স্থায়ী জনসংখ্যার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি!

 প্রকৃতপক্ষে, ভিয়েনার নিজস্ব সুর রয়েছে, স্বাদ রয়েছে; যা পৃথিবীর আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই ভিয়েনাকে স্বর্গের সাথে তুলনা করাটা খুব একটা বড় অপরাধ না!

৩. মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া

স্বর্গের একটি উদ্যানের কথা চিন্তা করুন তো! ভর দুপুর, স্নিগ্ধ বাতাস বয়ে যাচ্ছে, আপনি হয়তো কোনো এক ফল গাছের নিচে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন! শান্ত, নিরিবিলি আর পরিচ্ছন্ন এই দুপুরে আপনার সাথে আপনার আরামের ঘুম ছাড়া অন্য কোনো কিছুরই কোনো লেনদেন থাকা উচিত নয়!

এরকমই এক শান্ত, নিরিবিলি আর পরিচ্ছন্ন শহর এই মেলবোর্ন। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের রাজধানী শহর মেলবোর্ন। ইয়ারা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে পৃথিবীর নানা ধাঁচের সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ এই শহর।

ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার মিশেল, সেই সাথে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে মেলবোর্ন, কাজেই পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে মোটেও সময় লাগেনি মেলবোর্ন সিটির।

শহরটির চার দিকে বয়ে চলেছে ইয়ারা নদী। বিভিন্ন কৃত্রিম উদ্যানে সাজানো মেলবোর্ন শহর। জাদুঘর, চিত্রকলা, রেস্তোরাঁ, ক্রিকেটসহ নানা কারণে বিশ্ব জুড়ে খ্যাতি রয়েছে মেলবোর্নের। ঘোড়ার গাড়িসহ নানা ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা এখানকার পর্যটন শিল্পকে করেছে সমৃদ্ধ। সব মিলিয়ে অসাধারণ এক শহর এই মেলবোর্ন, যার ছিমছাম ভঙ্গি আপনাকে মুগ্ধ করতে বাধ্য।

৪. ব্যুরানো, ইতালি

একজন মানুষের জন্য পৃথিবীটা অজস্র রঙে রঙিন। একটা গরু আবার কালার ব্লাইন্ড, তার জন্য পৃথিবীতে রঙের কোনো অস্তিত্ব নেই; লাল-নীল-সবুজ সব রঙই তার জন্য এক। তাহলে পৃথিবীটা কি আসলে রঙিন, নাকি আসলে সাদাকালো? নাকি পুরোটাই আমাদের মস্তিষ্কের বানোয়াট কল্পনা?

এসব জটিল সাইকোলজিকাল আলাপ-আলোচনায় না হয় না যাই। পৃথিবীটা যেমনই হোক না কেন, স্বর্গ হবে ভীষণ রকমের রঙিন একটা জায়গা, এরকম স্বপ্ন নিশ্চয়ই দেখা যেতেই পারে। এরকম রঙিন একটি জায়গা কিন্তু আমাদের পৃথিবীতেও আছে।

 ব্যুরানো ইতালির একটি ছোট্ট সুন্দর শহর। এটি মূলত একটি দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে চারটি দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপগুলো সেতু দ্বারা সংযুক্ত । সম্পূর্ণ শহর জুড়ে জলাশয়ের দুইপাশে রয়েছে সারি সারি অসংখ্য বর্ণিল বাড়িঘর। শহরটিকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হালকা সবুজ রঙের জলে যখন বাড়ি গুলোর ছায়া পড়ে, তখন যে কারো মনে হবে যেন স্বর্গের অপার সৌন্দর্য নেমে এসেছে এই শহরের বুকে।
এই শহরের বাসিন্দাদের আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে মাছ ধরা। শীতকালে ঘন কুয়াশার কারণে বাড়ি গুলোকে আলাদা করে চেনা যায়না। তাই জেলেরা নিজেদের বাড়ি গুলোকে বিভিন্ন উজ্জ্বল রঙে রাঙিয়ে রাখতো। বিশ্বাস করা হয় যে সেই থেকেই এই ঐতিহ্যের সূচনা ঘটে।
বর্তমানে এই শহরের বাড়ি গুলো রঙ করা হয় একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী। ধরা যাক, কোন বাসিন্দা তার বাড়ি রঙ করতে চায়। এক্ষেত্রে তাকে অবশ্যই তবে তাকে সরকারের অনুমোদন নিতে হবে এবং তাদের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী রঙ নির্বাচন করতে হবে যেন শহরের সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ থাকে।

 সব মিলিয়ে, রঙের খেলায় চোখ ধাঁধিয়ে দেয়া এক শহর এই ব্যুরানো। স্বর্গের রঙিন স্বপ্ন যদি কারো মানসপটে পাকাপাকি ভাবে আঁকা হয়ে গিয়ে থাকে, তবে একটা বার তাকে এই শহর থেকে ঘুরে আসতেই হচ্ছে!

৫. মদিনা, সৌদি আরব

আল মদিনা আল মুনাওয়ারাহ! নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজের চিত্র, মসজিদ চত্বরের বিশাল বিশাল বৈদ্যুতিক ছাতার অবয়ব, আযানের সুমধুর ধ্বনি, সবুজ খেজুর বাগান আর মরুভূমির ধু ধু প্রান্তর। সত্যিকারের মদিনা দেখতে কেমন?

মদিনাকে বলা যেতে পারে পৃথিবীর সব চেয়ে নিরাপদ নগরী। কোনো রকমের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, এমনটা প্রায় শোনাই যায় না। মদিনায় দিনের শুরুটা হয় তাহাজ্জুদের নামাযের আহ্বানের মধ্য দিয়ে। শেষ রাতেই বিছানা ছেড়ে দিয়ে নামাযের জন্য দাঁড়িয়ে পড়ে বেশিরভাগ মানুষ, ফজরের নামাযের পর শুরু হয় রোজকার কর্মব্যস্ততা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে যখনই আযান হয়, সব কিছু সরিয়ে রেখে মসজিদের দিকে রওয়ানা হয় সর্বস্তরের মানুষ। মজার ব্যাপার হচ্ছে, মদিনার শত শত স্বর্ণালংকারের দোকান, সুগন্ধি দ্রব্যের দোকান, পোশাক, ঘড়ি, সানগ্লাসের দোকান; সব কিছু খোলা অবস্থায় ফেলে রেখেই নামাযের জন্য চলে যায় ব্যবসায়ীরা। কারো মনেই পণ্য চুরি হওয়ার বা হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই!

মদিনা শান্ত নিরিবিলি নগরী। এ শহরের রাস্তা দিয়ে হাঁটলে এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভূত হয়, এক আশ্চর্য নিস্তব্ধতা ঘিরে ধরে সবাইকে। আর স্বর্গ তো এমন হওয়া চাই, যেখানে থাকতে পারলে কোনো রকম দুশ্চিন্তা ভর করবে না!

 সব মিলিয়ে নীরবতা, শান্তি আর নিরাপত্তার নগরী হিসেবে মদিনা শহর এক টুকরো স্বর্গোদ্যানের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়!

পুরো পৃথিবী জুড়েই ছড়িয়ে রয়েছে অপরূপ সৌন্দর্য কিংবা অতুলনীয় শান্তির কিছু স্থান। স্বর্গের সৌন্দর্য কিংবা স্নিগ্ধতায় বিমোহিত হতে চায় সবাই, কল্পনার ক্যানভাসে আঁকা স্বর্গের প্রতিচ্ছবি এক অপরিসীম শান্তির আধার। তবে পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান আছে, যেগুলো দুধের স্বাদ কিছুটা হলেও ঘোলে মেটাতে পারে।

পৃথিবীটা বিশাল। এর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে মহামহিম এক সত্ত্বার সৃষ্টিকর্মের সুনিপুণ কারুকার্য। সে সব স্থান নিজ চোখে দেখা সম্ভব না হোক, অন্তত কল্পনায় নিয়ে আসাটা খুব বেশি জরুরি। এমন জায়গাগুলো সম্পর্কে না জানা তাই ভীষণ বড় রকমের অপরাধ!

 ১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.