পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে ১০ টি মজার তথ্য

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবারে শুনে নাও!

 

আমাদের কাছে স্কুল-কলেজ মানেই সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা, হোমওয়ার্ক, এক্সাম, ইউনিফর্ম আরো কত কী! আচ্ছা, তোমাদের মাঝে কে কে এমন ছিলে যারা ছোটবেলায় স্কুলে যেতে চাইতে না? নানা অজুহাতে স্কুল ফাঁকি দেয়াই ছিল যাদের একমাত্র এবং প্রধান কাজ? ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়ে গেল! তাই না?

পৃথিবীর একেক দেশে রয়েছে একেক রকম শিক্ষাব্যবস্থা। কোথাও স্কুলে বা কলেজে এত এত এক্সাম আর হোমওয়ার্ক। আবার কোনো কোনো স্কুলে এক্সাম বলে কিছুই নেই! পৃথিবী জুড়ে ভিন্নধর্মী বিভিন্ন স্কুল-কলেজ সম্পর্কে মজার কিছু তথ্য জেনে নিই চলো!

১. পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্কুলটি তিব্বতে অবস্থিত। ”সর্বোচ্চ স্কুল”? হ্যাঁ, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৫,৩৭৩ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই প্রাইমারি স্কুলটিতে বছরে গড়ে – ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকা সত্ত্বেও ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন পড়াশোনা করতে যায়।

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে!

২. স্কুলে পড়ার সময় সপ্তাহে মোট কত ঘণ্টা হোমওয়ার্কের জন্য ব্যয় করতে হয়? ৬-৭ ঘণ্টা? কিন্তু চাইনিজ স্টুডেন্টদের সপ্তাহে ১৪ ঘণ্টারও বেশি সময় হোমওয়ার্ক করতে হয়!

৩. ভারতের লখনৌতে অবস্থিত The City Montessori School পৃথিবীর সর্ববৃহৎ স্কুল হিসেবে পরিচিত। কেননা, এই স্কুলটিতে প্রায় ৩২,০০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।

ঘুরে আসুন: নতুন স্কুলে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে তুমিও!

৪. The King’s School পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন স্কুল যা ৫৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডের ক্যানটারবারিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

নিজেই করে ফেল নিজের কর্পোরেট গ্রুমিং!

কর্পোরেট জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে জানতে হয় কিছু কৌশল।

এগুলো জানতে ও শিখতে তোমাদের জন্যে রয়েছে দারুণ এই প্লে-লিস্টটি!

১০ মিনিট স্কুলের Corporate Grooming সিরিজ

৫. পৃথিবীর সবচেয়ে স্বনির্ভর শিক্ষার্থীর সুনাম অর্জন করেছে জাপানের ক্ষুদে ছাত্র- ছাত্রীরা। তারা প্রতিদিন একা একা স্কুলে যায়, নিজেদের ক্লাসরুম নিজেরাই পরিষ্কার করে, আবার নিজেদের টিফিন তৈরির কাজটাও নিজেরাই করে!

৬. ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত অন্যতম বৃহৎ একটি শহর যেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্কুল রয়েছে। মাত্র একজন শিক্ষার্থী নিয়েই একেকটি স্কুল!

৭. পৃথিবীর অন্যান্য দেশের শিশুরা যেখানে ৪-৫ বছর বয়সেই স্কুলে যেতে শুরু করে, সেখানে ফিনল্যান্ডের শিশুদের স্কুলে যাওয়ার উপযুক্ত সময় ৭ বছর ধরা হয়। ৭ বছর বয়সের আগে ফিনল্যান্ডের কোনো শিশু স্কুলে যায় না।

৮. পরিবারের সবাই একসাথে আহার গ্রহণের খুব ভাল একটি প্রচলন রয়েছে ব্রাজিলে। হোক সেটি দুপুরের খাবার কিংবা নৈশভোজ। পরিবারের সবার একসাথে থাকা চাই। তাই, ব্রাজিলে স্কুলগুলো সকাল ৭ টায় শুরু হয়ে অবশ্যই দুপুরের মধ্যে শেষ হয়ে যায় যেন সবাই স্কুল বা কলেজ থেকে ফিরে তাদের পরিবারের সাথে খাওয়া-দাওয়া করার সুযোগ পায়।

সঠিকভাবে কোন ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ করতে পারা ইংরেজিতে ভাল করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

৯. জার্মানিতে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের সবাইকে পেন্সিল, কলম, বই, চকলেট ভর্তি একটি  স্পেশাল গিফট দেয়া হয় যেটি Schultute নামে পরিচিত। সঙ্গে আবার একটি শর্ত জুড়ে দেয়া থাকে। স্কুলের প্রথম দিনই কেবল সেই গিফটটি খোলার অনুমতি দেয়া হয়, এর আগে নয়।

১০. আমাদের দেশে যেমন বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন আছে, কেনিয়ায় এমনটি নেই। কেনিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক নয়। কেউ চাইলে স্কুলে না গিয়েই সারাজীবন কাটিয়ে দিতে পারে!

 

এই লেখাটির অডিওবুকটি পড়েছে তাওহিদা আলী জ্যোতি


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
Author
Prethee Majbahin
এই লেখকের অন্যান্য লেখাগুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন
What are you thinking?