তথ্য আর যাবেনা হারিয়ে, যদি জানো রাখতে গুছিয়ে

Rifah Tamanna Borna believes in the power of positivity. She is a big fan of anime, passionate about swimming and loves dancing. She is currently studying at Department of International Relations, University of Dhaka.

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবারে শুনে নাও!

 

আমার ছবি তোলার শখ, স্মার্টফোন দিয়েই বেশিরভাগ ছবি তুলি, এই স্মার্টফোন যদি হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কি আমার তোলা সব ছবিও হারিয়ে যাবে? কখনই না। কারণ আমি জানি কীভাবে ছবি সংরক্ষণ করা যায়, আর এখানে সেসব নিয়েই কথা বলবো।

শুধু ছবি না, বর্তমান সময়ে সকল তথ্যের বিচরণ প্রযুক্তিনির্ভর। তাই এই প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য হারিয়ে যাওয়া এবং ভুল হাতে চলে যাওয়া থেকে রক্ষার জন্য সংরক্ষণ করতে জানা আবশ্যক। এখন দেখে নিই কী কী সহজ উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে আমরা আমাদের এসব তথ্যকে হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারি –

১। তথ্যের ব্যাকআপ রাখা

তথ্য একটা জায়গায় থাকলে সেখানে সেটা নষ্ট হওয়া, চুরি যাওয়ার ভয় থাকে। তাই সেই তথ্যকে যখন অন্য কোন জায়গায় সংরক্ষণ করে রাখা হয়, তাকে ব্যাকআপ রাখা বলে। যদি অল্প তথ্য হয় তবে চাইলে ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা যায়। বেশি তথ্যের জন্য হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মেমরি কার্ডও তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। অফলাইনে সংরক্ষণে রাখার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম এগুলো।

২। ক্লাউডে সংরক্ষণ

ক্লাউড সংরক্ষণ হচ্ছে অনলাইন সংরক্ষণ পদ্ধতি। ইন্টারনেটে গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স, ওয়ানড্রাইভ, আইক্লাউড এসব ক্লাউড সংরক্ষণশালায় তথ্য আপলোড করে রাখা যায় সুরক্ষিতভাবে। যদিও এখানে সংরক্ষণের সীমা থাকে, তবু বর্তমানে এই ধরনের সংরক্ষণ ব্যবস্থা খুবই প্রচলিত এবং জনপ্রিয়।

৩। সিডি/ডিভিডিতে সংরক্ষণ

সিডি অথবা ডিভিডিতেও তথ্য সংরক্ষণ করা যায় তথ্য রাইট করার মাধ্যমে। তবে এগুলো খুব বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে না। বর্তমানে সিডি বা ডিভিডির ব্যবহার খুব একটা দেখা যায় না কারণ, এগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, রাইট করার যন্ত্র রাইটারও দ্রুত নষ্ট হয় আর রাইট করা একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। তাই তথ্য সংরক্ষণ করা গেলেও দীর্ঘদিন সংরক্ষণে রাখার নিশ্চয়তা দিতে পারে না এগুলো।

৪। তথ্যের ফরম্যাট ঠিক রাখা  

তথ্য কোন ফরম্যাটে আছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রচলিত ফরম্যাট না হলে সেই তথ্য সব ধরনের যন্ত্রে চালনা করা সম্ভব হবে না। অনেক ফরম্যাট আছে যা বর্তমানে একেবারে দেখাই যায় না বা যেগুলো চালনা করার সফটওয়্যারও বর্তমানে সহজলভ্য নয়। তাই প্রচলিত ফরম্যাট ব্যবহার করতে হবে।

৫। মূল তথ্য না মোছা

মূল তথ্য মুছে ফেলা যাবে না। তাই মূল তথ্যে পরিবর্তন আনলে সেটাকে আলাদাভাবে কপি করে রাখতে হবে। কারণ অনেক সময় পরিবর্তিত তথ্য থেকে মূল তথ্যে ফিরে যাওয়া সম্ভব হয় না। কপি আলাদা জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে।

৬। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যাকআপের মাধ্যম না বানানো

ফেইসবুক, টুইটার ইত্যাদি মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা উচিত নয়। কেননা এগুলো যেকোনো মুহুর্তে হ্যাকিং-এর শিকার হতে পারে। এখানে সাধারণত ছবি সংগ্রহে রাখা হয়, কিন্তু দেখা যায় এসকল ছবির মূল রেজোল্যুশন আপলোড করার পর নষ্ট হয়ে যায়। আর এগুলো যেকোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তখন তথ্যও এর সাথে হারিয়ে যেতে পারে, এগুলো নির্ভরযোগ্য সংরক্ষণের মাধ্যম নয়।

এই লেখাটির অডিওবুকটি পড়েছে সাকলাইন মোরশেদ


১০ মিনিট স্কুলের লাইভ এডমিশন কোচিং ক্লাসগুলো অনুসরণ করতে সরাসরি চলে যেতে পারো এই লিঙ্কে: www.10minuteschool.com/admissions/live/

১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: [email protected]

লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
What are you thinking?

GET IN TOUCH

10 Minute School is the largest online educational platform in Bangladesh. Through our website, app and social media, more than 1.5 million students are accessing quality education each day to accelerate their learning.