আত্মরক্ষার ৩ ‘ক’ : কখন, কেন ও কীভাবে?

January 25, 2019 ...

পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।

১. সময় রাত ১১টা। টিউশনি শেষে বাসায় ফিরছে তন্বী। হঠাৎ করে তার গলায় কীসের যেন জোরে একটা টান লাগলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুটো ছেলে তার পাশ দিয়ে তার হ্যান্ডব্যাগটা নিয়ে, তাকে ধাক্কা মেরে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে গেল।

4inWlWvgcSjJ3WZKnx9thw6Z0L6A 9XacsQpxonWdweYWkGkeUa6dadd5iDD6 bLnRtT1JZMlE4xEjAosJXT8sssOdv6MXg 2ZRnXG2vFvvTVx C8QCS9kR M0kZpXfJQkC96cfb

২. এবারের ঘটনাটা দুপুরের। ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছে ফারাবী। একটু পর ফারাবী খেয়াল করলো, তার মাথায় অসম্ভব ব্যাথা হচ্ছে, কে জানি কিছু একটা দিয়ে তার মাথায় বাড়ি মেরেছে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই একজন তার কানের কাছ থেকে ফোনটা ছিনিয়ে নিয়ে সাঁই করে ভীড়ের মধ্যে মিশে গেল।

LUOwJ64PCneJRgrlgAuUwJdOxo7J075HEHXheCwZxr QTT4L6Wk mjQHNjtZFVmWg5QcqaTNsqBm212m BgSb9CHuh

এইরকম ঘটনার সাথে আমরা প্রায় সবাই কম-বেশি পরিচিত৷ পেপার-পত্রিকাতেও অহরহ এসব খবর আমরা পড়ে থাকি। এমনও তো হতে পারে, আপনি নিজেই এমন কোনো পরিস্থিতির শিকার হলেন, তখন? ক্যারাটে-জুডো শেখার ক্লাসে হয়তো আপনার যাওয়ার সময় নেই। কিংবা আপনাকে আগলে রাখার মানুষও হয়তো আপনার সাথে থাকেন না, তখন আপনি কী করবেন? নিশ্চয়ই হাত-পা গুটিয়ে ঘরে বসে থাকবেন না, বাইরে তো বের হতেই হবে। এরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে প্রয়োজন ঠান্ডা মস্তিষ্ক এবং সদা প্রস্তুত, সজাগ ও কৌশলী মনোভাবের হওয়াটা জরুরি। কিছু ছোট ছোট আত্মরক্ষার কৌশলী আপনাকে এমন আকস্মিক পরিবেশ থেকে রক্ষা করতে পারে। জানতে চান কীভাবে? তাহলে আপনার জন্যই এই ব্লগটা!    

দারুণ সব লেখা পড়তে ও নানা বিষয় সম্পর্কে জানতে ঘুরে এসো আমাদের ব্লগের নতুন পেইজ থেকে! The 10-Minute Blog!



কব্জি হোক মুষ্টিবদ্ধ :

Nqap4aGFID22C4AS7XgNfHu ZmRxZr1UkbUf6Cpq0 34Qm0ZAfUGBTh51oaEaMPm


যখনই দেখবেন বিপদ আপনার আশেপাশে, সাথে সাথে হাতের চারটি আঙ্গুল তালুর সাথে আটকে রেখে, এর উপর বৃদ্ধাঙ্গুল রেখে দিবেন। খেয়াল রাখবেন বৃদ্ধাঙ্গুলের উপর কোনো আঘাত যাতে না লাগে। কেননা, আমাদের হাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো এই বৃদ্ধাঙ্গুল। তাই বলে বৃদ্ধাঙ্গুল লুকিয়েও রাখা যাবে না। 

হাত যদি থাকে বাঁধা:

tVPSxPYJ9HHAojGsDpqGP trMEPK9zKlrpuRLNv bifLGax56YPNB27EuAM1lXo7wrG9t8boXuvTz32iRrjg7OEZkgLL5jHI0 41EgT


কেউ আপনাকে কিডন্যাপ করলে কিংবা ক্ষতি করতে আসলে, সবার আগে আপনার হাতটাই বাঁধতে যাবে। দড়ি দিয়ে আপনার হাত বাঁধলে সবার আগে আপনি যেটা করবেন, তা হলো বাতাস চলাচলের জায়গা তৈরি। গিঁট খোলার জন্য প্রয়োজন বিনা বাঁধায় বাতাসের চলাচল। তাই দু’ হাতের মাঝে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বাতাস চলাচল করতে পারে, আপনাকে সেই ব্যবস্থাটা করতে হবে। তাছাড়া, আপনার হাত যদি টেপ দিয়ে বাঁধা থাকে, তাহলে প্রথমেই হাত দুটোকে মুষ্টিবদ্ধ করে মাথার উপরে উঠিয়ে নিন। এরপর সকল শক্তি প্রয়োগ করে হাত দু’টোকে উপর থেকে নিচের দিকে বারবার নামাতে থাকবেন।

4D XkHS4LSFkndQYCd375DfA8VUvV5Qrnf5c4tYdN79mHN2BIKsPJG UuhJWFomacQY4FcUZKa1pRQ6ha9p5N6MmLDSLMLSG0VaeSSsaUJAGuuSB3aD9HM3Z X SJOjkzLzbwKHd

হাত বেঁধে দেওয়ার সময় হাত মুষ্টিবদ্ধ করে যতটা বেশি সম্ভব জায়গা নিয়ে রাখুন, যাতে মুষ্টি ছেড়ে না দিয়ে বাঁধন ঢিলে হয়ে পড়ে৷ মুষ্টিবদ্ধ করে থাকার সময় জোরে জোরে শ্বাস নিলে বুকের প্রস্থ বেড়ে যেয়ে আরেকটু স্পেস তৈরি হয়। আর আপনার হাত যদি প্লাস্টিকের টেপ দিয়ে বাঁধা থাকে, তাহলে হাত ধীরে ধীরে উপরের দিকে তুলে দুই দিকে চাপ দিতে হবে, যাতে টেপ খুব দ্রুত ছিঁড়ে যায়।  

সংবেদনশীল জায়গায় আঘাত:

XKksAAhYFYBnOSZyj3 TB5T6tvIkO6iaTqveHr sIOj69oICTQxWevQIHEfKEGUhm4wjigh5m8FUHzZDNM14iM5R5Rtjpr7s0btuhHg L32apD 4BBbBWwd0QZlnCVr


আমাদের দেহের অন্যতম সংবেদনশীল অঙ্গগুলো হলো- চোখ, কান, নাক, গলার মাঝখান, কুঁচকি, হাঁটু, দুই উরুর সন্ধিস্থল। এগুলো হলো মানবদেহের উইক পয়েন্ট৷ এখানে আঘাত করলে যে কেউ একেবারে ধরাশায়ী হয়ে পড়বে!  

9O3pa6EH2ybUUQV634WJfkVXuJP4WCkT6Akf5Q5oyi12jVs2DW0FX7oSN9N9ilpIuWuKfdk5C26o4j1YzZGFz8sNCRHlQuAwHanQ8hQaVRODwm5l2Tv41ILktPKteCo2XNqOOehc

সামনে পান যা কিছু:

3NPK57y8 Z3K h4YKxXb1kQ0hVDIecfsrlqxJ6auRORLgrddBeUrSb8U7yoGIwUSfw3peX4WxNqvjiAX

সবসময় আপনার কাছে অস্ত্র নাও থাকতে পারে। তখন আপনার বিপদের বন্ধু হতে পারে আপনার হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ, মুঠোফোন, চাবি এমনকি স্কার্ফ এবং রুমালও! স্কার্ফের সাহায্যে আপনি আক্রমণকারীর গলা চেপে ধরতে পারেন এবং রুমাল দিয়ে তার নাক চেপে কিংবা চোখে আঘাত কর‍তে পারবেন। ভ্যানিটি ব্যাগ ও মুঠোফোন দিয়ে মুখে আঘাত করতে পারবেন; চাবি দিয়ে নাক ও চোখে আঘাত করতে পারবেন এবং খোঁচাতে পারবেন। তাই, কোনো কিছুকেই অবহেলা করা চলবে না!    

হাত যদি ধরে শক্ত করে:

কেউ যদি আপনার হাত শক্ত করে চেপে ধরে, তাহলে হাত ধরার সাথে সাথে খুব দ্রুত আপনার হাতটিকে সজোরে এক ঝটকায় আক্রমণকারীর বৃদ্ধাঙ্গুল বরাবর ঘুরিয়ে নিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে ফেলতে হবে। এইভাবে যত দ্রুত নিজের হাতকে ছাড়িয়ে নিতে পারবেন তত ভালো। যদি দেরি হয়ে যায়, তাহলে আক্রমণকারীর হাঁটু বা কুঁচকিতে সজোরে লাথি মারতে হবে। তা না হলে নিজের শরীরে যত শক্তি আছে, তা ব্যবহার করে তার গায়ে উঠে পড়বেন। তাহলে সে আর নড়তে পারবে না।

 চুলের মুঠি টেনে ধরলে:

AGHrnSdR1FVlV85OTFtdMx4o ftj

পেছন থেকে কেউ যদি আপনার চুল টেনে ধরে তাহলে সাথে সাথেই হামলাকারীর হাত খপ করে ধরে ফেলতে হবে। কিছুতেই এখানে বেশি সময় নষ্ট করা চলবে না৷

গলা বা ঘাড় চেপে ধরলে:

Q2q

কেউ যদি আপনার ঘাড় বা গলা চেপে ধরে, তাহলে আপনি পা দিয়ে তার হাঁটু বা তলপেটে জোরে আঘাত করুন। আর সেটা না করতে পারলে নিজের আঙ্গুল দিয়ে আক্রমণকারীর চোখ বা মুখে খোঁচা দিন বা আঁচড় কাটুন।

কেউ যদি আপনার গলা চেপে ধরে, তাহলে নিজের শ্বাস-প্রশ্বাস যতক্ষণ সম্ভব, স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হবে না।

যদি থাকেন লিফটে:

BMnbvPGyRTk26UJ 62kh3E7Xoi7brrFdOJgjh5eMh63P0PUraLkPJ7s0ZRYEIfOaH3kF4ColDdKoVLhG6YTviWl1pvyVLn0hkhpkom

চেষ্টা করবেন লিফটে একা ওঠা এড়িয়ে চলতে৷ কিংবা সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে তার সাথে লিফটে ওঠা থেকে বিরত থাকুন। কেউ যদি উঠেও থাকে, তাহলে সাথে সাথে লিফট থেকে নেমে যান। লিফটে উঠে যদি কোনো বিপদের গন্ধ পান, তাহলে লিফটের বাটনগুলো যেখানে আছে, সেখানে দাঁড়িয়ে পড়ুন ও সবগুলো বাটন চাপা শুরু করে দিন। যাতে দরকার পরলে দ্রুত লিফট থেকে নেমে যেতে পারেন।

গাড়িতে বা বাইরে থাকলে:

lMqd5DYo3aT9q4 jiMrKoBFgd4kbebsC khEsfkyRsm6layEOwmOhtytWvqInFa7ZWloSYUmmTSsiMJOsn

গাড়িতে চলাচল করলে কিংবা বাসা থেকে বের হওয়ার এসময় পরিচিত কাউকে যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার ঠিকানা, গাড়ির রঙ ও নম্বর দিয়ে রাখুন। আর চালকের রুটের সাথে আপনার রুট মিল আছে কি-না, সেদিকেও খেয়াল রাখুন৷

সুন্দরভাবে কথা বলা সাফল্যের অন্যতম রহস্য!

 

সিক্রেট সাইন তৈরি করুন:

dQVlJ3zZLXQ rKVhU2pGfYPj7dQ7jlF8fOlDHwy9o05a



ধরুন, কাউকে আপনি মেসেজ পাঠালেন, “Don’t worry. I’m alright.” এর মানে হলো, আপনি ঠিক নেই, আপনার এখন সাহায্যের দরকার। অর্থাৎ যা পাঠালেন, তার উল্টোটা মেসেজটির মানে হবে। তাই এমন কাউকে টেক্সট পাঠান, যে কিনা আপনার সাংকেতিক বার্তা বুঝতে পারবে।

মুখ ঢেকে রাখুন:



কেউ যদি সামনে দিয়ে আঘাত করতে আসে, তাহলে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলুন। এতে করে আপনার চোখ দুটো ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। 

ফলো আপ:

ফিল্মি স্টাইলে মারামারি না করে, নিজের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে ট্রাকিয়া (পুরুষদের Adam’s apple) এ জোরে চাপ দিন। ব্যাথার যন্ত্রণায় সে আর উঠতে পারবে না।

ব্যালেন্স যদি যায় হারিয়ে:

xCo7mOLun1Uj HwsA1 sd6vlJRPn3Lg2ST 7GjBUqJSSUt50XmV6Fl4VIUvRONXPyqLjJprLhjE7z0mnyZHK9qUp7mfThSAMbYRUamaa5VpGibl2FnYAYjQDfYBFCObeJ1DqKvvn

যদি আপনি দেখেন যে আপনি তাল হারিয়ে ফেলছেন, তাহলে চেষ্টা করুন হামলাকারীর গায়ে পড়ার। আপনার ওজনটাকে নিজের প্লাস পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। হামলাকারীর উরুতে নিজের হাঁটু ও কনুই দিয়ে আঘাত করুন।

হামলাকারীর কাছে অস্ত্র থাকলে:

zMuwXbyF50MjLuExg7Lrv2SH hIoQZA7lfNddfnC35KaCFgX

যদি ছুরি থাকে- কয়েক হাত দূরে থাকুন।

যদি পিস্তল থাকে- জোরে ডানে-বামে দৌড়াতে থাকুন, যাতে টার্গেট সেট করতে না পারে।

এগুলো ছাড়াও আরো কিছু ছোটখাটো কার্যকরী উপায় আছে, যা আপনাকে বিপদের মুখ থেকে বের করে আনবে। সেগুলো হলো-

  •  
whPYdH9fP2uXzAMjA1MdH5hpi7hBnoUxjDWjqRsgu kSjl5Z863 bc 3ZHktzCe4R8C4aQivflbVtXFSFiNQiGzqqLoujBrDMMbd5fPv7IohoGxald8DocnSU6coltZ9rgib F58

বিপদ কখন কোনদিক থেকে আসবে তা বলা যায় না৷ তাই সবসময় সবরকম পরিবেশের জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে।

  •  
ayWvNliOGDAGjn2F82TFmaM01Ov2No4jkWUPRUGri9DwYNtNlTGGdqVbfQ119cyknNQJeScemoNu3bHbrM8OW2hc7tGMRkQx 4ltMyTiORfk9MCu4RaRA5TWBDEbsyLd PWVVdga

রাস্তা দিয়ে চলার সময় নিজের হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রাখুন। তাহলে বিপদ আসার সাথে সাথেই যেন হামলাকারীদের উপর ঘুষি বসিয়ে দিতে পারেন!

  •  
cKKu8R0AJYCA1xPjyXYIY1gjdi9OS1KAWzqvOsj2HhLADGJ1GOy9NTc5uGO0A 9lq0gF2g5 hzPwAgSeq QjjRCuQtP2ivA8j xry58Hlfz4m0

যত দ্রুত, জোরে ও বেশি সম্ভব আক্রমণকারীর চোখে ও নাকে আঘাত করুন এবং যত দ্রুত সম্ভব সেখান থেকে পালিয়ে কারো সাহায্য চান।

  •  
JNdz5SSTNweT5

সবসময় জোরে দৌড় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা ভালো।

  •  

দ্রুত ঝামেলা শেষ করতে চাইলে নিজের কপালের শক্ত অংশটি দিয়ে আক্রমণকারীর নাকে সজোরে আঘাত করতে পারেন।

  •  
FomApVI6RdmamgWeDSYem kMDd6GuwV9V6L6cQcfVAU 7pW oQ8R80

নিজের গোড়ালি বা জুতোর হিল দিয়ে হামলাকারীর পায়ে আঘাত করুন।

  •  
YkiCMU9djNWLGOavYR7SbjRUlpZlBiZxMhMM4w9v1pQchA9sS0Y6PMLIZiHKHzrHnCEO2nDV0ZAgjow5 O5ph3dFzkrdcdQUGbqNKLPPJ4T6EYLNRV6OI4E6jjrTEcz4jbp1rbK

হাঁটুতে জোরে আঘাত করলে যে কেউ বেশ কিছুক্ষণের জন্য উঠে দাঁড়াতেই পারবে না।

  • ১২-১৬ পাউন্ড প্রেশার দিয়ে যদি কাউকে লাথি মারা হয়, তাহলে সে আর উঠে দাঁড়াতেই পারবে না! কারণ এই প্রেশারে লাথি মারলে হাঁটু ভেঙ্গে একদম গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যাবে।
  •  
FYhQOo7sFjRv5o1GFAb2e5yuGQtbAWcJwAtpt9zPWdF4uYhWIOYpp4U9zPcfQKTVKllhGuzvXuUAoMsMjA3qWqd6o4W5TgGYba 0nKDYUugCEsFxPCNdORq6l5cY GF Vs6Wsir0

কেউ যদি আপনাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে মারতে চায়, তবে সবার আগে তার হাত নিজের কলার বোন থেকে সরান।

  •  
HMafA7NiIVSEuzGSkwfkfA2TM9s8cemZrfZDjyPOmJ QjNpiiVucekvmHkWFeiMNhsyxr12sX5tDfZ86jjqwNXS Icc0PhebkSvBqIWeM3JhUxqhbjFCqmjlTo2aDd8iW ww2gws

পেছন থেকে আঘাত করলে চটজলদি মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ুন। আপনার এই স্টেপে সে কিছু সময়ের জন্য হলেও ভড়কে যাবে। তখন আপনি নেক্সট স্টেপ ভাবার জন্য এক্সট্রা সময়ও পেয়ে যাবেন।

  • আপনার অর্থের চেয়ে আপনার জীবন অনেক বেশি মূল্যবান। তাই কোনো উপায় না থাকলে নিজের ব্যাগ বা ওয়ালেটটা ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যান।
SXwC
  • নিজে আগ বাড়িয়ে কাউকে মারতে যাবেন না। যতক্ষণ পারুন, কথার মাধ্যমে সব ঠিকঠাক করার চেষ্টা করতে হবে।
v5gBFl2EUo9wZahBA9ixMI7OpsWdC1YqzomdVjG5GqsrA9qRFVkS7IoUKSdloUde2irRZ eEOqnDxEfb3ERyDWO 6qV FZ G8 ZRIqGi0WI WaIUP VFCOntKd43ZMSpKZIzAOKu

এমনই কিছু ছোট ছোট কৌশল আপনাকে অসংখ্য বড় বড় বিপদ থেকে বাঁচিয়ে তুলতে পারে। শুধু প্রয়োজন একটু সতর্ক থাকা। যদি আপনার কখনো সময়-সুযোগ হয়, তাহলে মার্শাল আর্টের ক্লাসগুলোও করে নিতে ভুলে যাবেন না কিন্তু!

তথ্যসূত্র ও ছবি:

https://roar.media/bangla/awareness/self-defense-techniques/

https://m.wikihow.com/Defend-Yourself


১০ মিনিট স্কুলের ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার লেখাটি ই-মেইল কর এই ঠিকানায়: write@10minuteschool.com

আপনার কমেন্ট লিখুন